kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৮ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৭ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


পরিধি বাড়াতে হবে

১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



গ্রামের যেসব মহিলা বিধবা, প্রতিবন্ধী, বিবাহবিচ্ছেদের শিকার তাঁরাই মূলত এ সুবিধা পাবেন। রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে এ তালিকা তৈরি করা হলে উদ্দেশ্য কখনোই সফল হবে না।

গবেষণায় দেখা গেছে, দেশের নারীদের ২৪ শতাংশ অপুষ্টিতে ভোগে। গ্রামে এখনো সবার খাবার শেষে মায়েদের খাবার শুরু হয়। তাঁদের ভাগ্যে মাছ-মাংস, দুধ-ডিম তেমন একটা জোটে না। তাঁরা ভাতের ওপর নির্ভরশীল। কোনো কিছু দিয়ে পেট ভরে ভাত খেতে পারলেই হলো। তাঁরা দলবাজি বোঝেন না, খেয়েদেয়ে শান্তিতে থাকতে চান। গ্রামে মার্চ, এপ্রিল, সেপ্টেম্বর, অক্টোবর ও নভেম্বর—এই পাঁচ মাসে কোনো কাজ থাকে না। তখন চরম খাদ্যাভাব দেখা দেয়। এ সময়টায় কাজের সন্ধানে গার্মেন্ট বা অন্য কোনো চাকরির আশায় মহিলারা শহরের দিকে ধাবিত হয়। যারা গ্রামে থাকে তারা এবাড়ি-ওবাড়ি সস্তায় শ্রম বিক্রি করে সময় কাটায়। তাদের যদি ১০ টাকা কেজি দরে চাল প্রদান করা হয়, তবে শহরমুখিতা ও পরনির্ভরশীলতা কমবে। তবে দারিদ্র্য বিমোচনে ৫০ লাখ লোক একেবারে নগণ্য। এ সংখ্যা আরো বাড়াতে হবে।

দারিদ্র্যমুক্তির লক্ষ্যে সরকার একটি বাড়ি একটি খামার কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। এ কর্মসূচির আওতায় ভূমিহীন ও দুস্থদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তাদের জন্য সহজ শর্তে ঋণ দেওয়ার জন্য পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক চালু করেছে। কিন্তু এর ব্যাপকতা খুবই কম। এর পরিধি প্রতিটি ইউনিয়নে বাড়ালে দারিদ্র্য বিমোচনে যথেষ্ট ভূমিকা রাখবে।

মিজানুর রহমান

বানাসুয়া, কুমিল্লা।


মন্তব্য