kalerkantho

মঙ্গলবার । ৬ ডিসেম্বর ২০১৬। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৫ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


এই সাক্ষাৎ দৃষ্টিকটু ছিল

৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



স্বাধীনতাযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্র ছিল আমাদের শত্রুপক্ষে। দেশ স্বাধীন হওয়ার পরও মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশকে তলাবিহীন ঝুড়ির সঙ্গে তুলনা করেছিলেন।

বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি বাংলাদেশের সাফল্যে মুগ্ধ। তিনি অকপটে স্বীকার করেছেন বঙ্গবন্ধুকন্যার দৃঢ় নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে এবং যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের বন্ধু হতে পেরে গর্বিত। যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে সন্ত্রাস দমনে সহযোগিতা করতে চায়। জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলাসহ আরো অনেক ক্ষেত্রেও পাশে থাকতে তারা আগ্রহী। তারা আমাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিশেষ টিম সোয়াতকে প্রশিক্ষণ দিয়েছে। পুলিশের কাউন্টার টেররিজম টিমকেও প্রশিক্ষণ দিতে তারা আগ্রহ ব্যক্ত করেছে। তবে প্রশিক্ষণ পর্যন্তই সহযোগিতা সীমিত থাকুক। পাকিস্তান, আফগানিস্তান, ইরাক, লিবিয়া কোথাও মার্কিন সহযোগিতার নজির ভালো নয়। সন্ত্রাস দমনে আমরা নিজেরা ঐক্যবদ্ধ থাকলে বাইরের মদদের প্রয়োজন পড়বে না। যুক্তরাষ্ট্র আমাদের পোশাকশিল্পের বৃহত্তম বাজার। প্রধানমন্ত্রী তাদের প্রতি বিনিয়োগ বৃদ্ধিরও আহ্বান জানিয়েছেন। আমরা আমাদের পণ্যের শুল্কমুক্ত প্রবেশের অনুরোধ তাদের জানিয়েছি। সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে বঙ্গবন্ধুর খুনিদের আমাদের হাতে তুলে দেওয়ার ব্যাপারেও। জন কেরি বলেছেন, বিষয়টি পর্যালোচনায় আছে। তবে আমাদের সাবেক বিরোধীদলীয় নেতা, যিনি তিনবার প্রধানমন্ত্রীও ছিলেন, জন কেরির সঙ্গে তাঁর একান্তে কথা বলতে যাওয়ার বিষয়টি একেবারেই দৃষ্টিকটু হয়েছে। কারণ সফরসূচিতে খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাতের বিষয়টি ছিলও না।

মিজানুর রহমান

বানাসুয়া, কুমিল্লা।


মন্তব্য