kalerkantho

রবিবার। ২২ জানুয়ারি ২০১৭ । ৯ মাঘ ১৪২৩। ২৩ রবিউস সানি ১৪৩৮।


নির্দলীয় নির্বাচনই ভালো ছিল

২ এপ্রিল, ২০১৬ ০০:০০



যেসব স্থানে বিএনপি-জামায়াতের কর্মীরা কোণঠাসা ছিল সেসব স্থানে সরকারদলীয় প্রার্থীরা বিপুল ভোটে জয়লাভ করেছেন। এ যেন ঘরের শত্রু বিভীষণ। এর আগে পৌর নির্বাচনে প্রাণহানি ও সংঘাত কম ছিল বলে শাসক দল নির্ভার ছিল। কিন্তু ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রথম দফায় প্রায় দুই ডজন প্রাণহানি ঘটে। দ্বিতীয় দফার নির্বাচনেও বেশ কিছু প্রাণহানি হয়েছে। আমি মনে করি, বিএনপি-জামায়াত থেকে যে চ্যালেঞ্জ আসার কথা ছিল, নির্বাচনে সে চ্যালেঞ্জটি ছুড়ে দিয়েছেন শাসক দলেরই বিদ্রোহী প্রার্থীরা। এতে দলটি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সাংগঠনিকভাবে দুর্বল হচ্ছে। কারণ হতাহতদের সবাই আওয়ামী লীগেরই লোক। কেউ নেতা, কেউ কর্মী, কেউ সমর্থক। অন্যদিকে ভাবলে দেখা যায়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা আশাব্যঞ্জক নয়। শাসক দলের নেতাকর্মীরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহারের চেষ্টা করেছে। সহিংসতা বেশি হওয়ার এটাও একটা কারণ।

সব মিলিয়ে মূল্যায়ন হচ্ছে, দলীয়ভাবে ভোট হওয়ার চেয়ে নির্দলীয় ভোট হওয়াই ইউনিয়ন পরিষদের জন্য ভালো ছিল। ভালো ছিল শাসক দলের জন্যও। আইন করে ইউনিয়ন পরিষদের মতো তৃণমূলে দলীয় প্রতীকে নির্বাচনে গিয়েছি আমরা। কিন্তু যদি প্রমাণিত হয়, সিদ্ধান্তটি ভালো হয়নি, কল্যাণকর হয়নি, সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসায় তো ক্ষতি দেখি না। নীতিনির্ধারক মহল বিষয়টি ভেবে দেখবেন।

রুপেন সরকার আশীষ

শান্তিনিকেতন, রাঙ্গুনিয়া, চট্টগ্রাম।


মন্তব্য