kalerkantho


ইসির নিরপেক্ষতা প্রত্যাশিত ছিল

২ এপ্রিল, ২০১৬ ০০:০০



ইউনিয়ন পরিষদের প্রথম ও দ্বিতীয় দফার নির্বাচন দেখে সারা দেশ থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে যে খবরটি সত্য বলে জনগণের কাছে ধরা পড়েছে তা হলো, জোর যার মুল্লুক তার। সত্যিকারভাবে বলতে গেলে এই সহিংসতা রোধ করার জন্য নির্বাচন কমিশনের (ইসি) অবশ্যই বড় ভূমিকা নেওয়া উচিত ছিল। আমরা একটি স্থানীয় নির্বাচনে এত প্রাণহানি ও রক্তপাত কোনোভাবেই মেনে নিতে পারি না। এ থেকে বেরিয়ে আসার জন্য অবশ্যই সরকারকে আন্তরিক ভূমিকা গ্রহণ করতে হবে। পাশাপাশি এলাকাভিত্তিক শক্তিশালী বিরোধী দল যাঁরা করেন, তাঁদেরও সহিংসতা ও নির্বাচনে কারচুপি রোধে ভূমিকা রাখতে হবে। রাজনৈতিক কর্মীরা মাঠপর্যায়ে যে কর্মকাণ্ড করে থাকে, সেগুলো নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব রাজনৈতিক নেতাদের। এ ক্ষেত্রে হাইকমান্ডে যাঁরা আছেন, তাঁদের ভূমিকা অবশ্যই বেশি। তাঁরা যদি তাঁদের সদিচ্ছা ও কমিটমেন্ট ঠিক রাখেন, তাহলে তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মী, সংগঠকরা নির্দেশনা যথাযথভাবে মানতে বাধ্য। তাই রাজনৈতিক দলগুলোকে নিজেদের লোকজনের মধ্যে নিজেদের নেতৃত্ব ও জনগণের প্রতি তাদের আস্থা প্রকাশ করতে হবে। জনগণের ভোট দেওয়ার অধিকার আছে। আমরা চাই সরকার জনগণের সেই অধিকারের যথাযথ মূল্যায়ন করবে এবং গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি রক্ষার জন্য চেষ্টা করবে। আর এ ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন অবশ্যই স্বাধীন, নিরপেক্ষভাবে কাজ করবে। তবেই সবার অধিকার সংরক্ষিত হবে।

ওয়াহিদ মুরাদ

নেসারাবাদ, পিরোজপুর।


মন্তব্য