kalerkantho

সোমবার। ২৩ জানুয়ারি ২০১৭ । ১০ মাঘ ১৪২৩। ২৪ রবিউস সানি ১৪৩৮।


তবু আমরা আশাবাদী

১৯ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



স্বাধীনতা-পরবর্তী প্রতিক্রিয়াশীল গোষ্ঠীকে সমূলে নিপাত করা যায়নি বলেই আমাদের অর্থনৈতিক মুক্তির পথে পদে পদে বাধা স্বয়ং বঙ্গবন্ধু পেয়েছিলেন এবং এখন জাতি পাচ্ছে। তবু আমরা আশাবাদী।

দেশ আজ মধ্যম আয়ের স্তরে উঠতে সক্ষম হয়েছে। নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতুর কাজ শুরু করা ছিল এর একটি মাইলফলক। বৈদেশিক মুদ্রার মজুদ গর্ব করার মতো; যদিও কেন্দ্রীয় ব্যাংকসহ রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোতে অর্থ লোপাটের ঘটনা নিন্দনীয় ও জাতীয় অর্থনীতির জন্য মারাত্মক হুমকিও বটে। মূল্যস্ফীতির লাগাম হাতের মধ্যেই আছে। রপ্তানি আয় স্বস্তিদায়ক। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কোন কোন ক্ষেত্রে বাংলাদেশের নেতৃত্ব দেওয়ার গৌরব এবং প্রধানমন্ত্রীর পুরস্কারপ্রাপ্তি দেশকে মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করেছে। সরকারের উপযুক্ত পৃষ্ঠপোষকতায় খেলাধুলায়ও আমাদের অবদান ফেলে দেওয়ার মতো নয়। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এবং তা কার্যকর দেশকে কলঙ্কমুক্ত করার দৃঢ় পদক্ষেপ হিসেবে দেশ-বিদেশে প্রশংসিত হয়েছে। বর্তমানে সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট গোলস (এসডিজি) আমাদের লক্ষ্য। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে প্রয়োজন টেকসই সমাজ, পরিবেশ ও অর্থনীতি; যদিও প্রতিটি ব্যাংক পর্যাপ্ত মূলধন নিয়ে বসে আছে। বিনিয়োগের পালে হাওয়া লাগেনি বলে দেশে কর্মসংস্থানেরও সুযোগ মিলছে না। ফলে দেশে বেকারত্বের সঙ্গে সঙ্গে সামাজিক অস্থিরতা ও অপরাধপ্রবণতার হার বেড়ে চলেছে। আরেক উপদ্রব হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে জঙ্গিবাদ, যা বিশ্বব্যাপী হুমকি। এই জঙ্গিবাদ, তার পৃষ্ঠপোষক ও মদদদাতাদেরও চিহ্নিত করে তাদের সমূলে উত্খাত করতে হবে।

ভূঁইয়া কিসলু বেগমগঞ্জী

চৌমুহনী, হাজীপুর, বেগমগঞ্জ, নোয়াখালী।


মন্তব্য