অন্ধকার থেকে নিষ্কৃতি চাই-334962 | মতামত | কালের কণ্ঠ | kalerkantho

kalerkantho

বুধবার । ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬। ১৩ আশ্বিন ১৪২৩ । ২৫ জিলহজ ১৪৩৭


অন্ধকার থেকে নিষ্কৃতি চাই

১২ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



গণতন্ত্র ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার স্বার্থেই জাতীয়-স্থানীয়-নির্বিশেষে সব নির্বাচনকে বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখতে হবে। একটি দেশের আর্থসামাজিক ও সাংস্কৃতিক উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির প্রথম ও অন্যতম প্রধান শর্তই হলো সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে রাজনৈতিক ও সামাজিক স্থিতিশীলতা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও বিচার বিভাগের স্বাভাবিক গতির নিশ্চয়তা বিধান করা। রাষ্ট্রযন্ত্র যদি সংবিধান ও বিধিবদ্ধ আইনের যথেচ্ছ ব্যবহার করে, তাহলে জাতীয় জীবনে ঘন অন্ধকার নেমে আসতে বাধ্য। আমরা সেই অন্ধকার থেকে নিষ্কৃতি চাই। ইতিমধ্যে যেসব আলামত পরিলক্ষিত হচ্ছে, তাতে ওই নির্বাচনগুলো সুষ্ঠু হবে কি না তা নিয়ে অনেকেই সন্দেহ পোষণ করছে। বিভিন্ন স্থানে বিরোধীদলীয় প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা দিতে সরকারদলীয় নেতাকর্মীদের বাধার ফলে কিছু কিছু জায়গায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সরকারদলীয় প্রার্থীরা ইতিমধ্যেই বিজয়ী বলে বেসরকারিভাবে ঘোষণা করা হয়েছে। এতে রামরাজত্ব কায়েম হওয়ার আশঙ্কাকেও কেউ উড়িয়ে দিচ্ছে না। সম্প্রতি বাংলাদেশ সফরকারী ভারতের সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার ড. এস ওয়াই কোরাইশি সিরডাপ মিলনায়তনে ভারতের ১৬তম লোকসভা নির্বাচন ওয়ার্কশপে বলেছেন, ‘ভারতের ইলেকশন কমিশন নিজেই সাধারণ নির্বাচনের সময়ে অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব পালন করে থাকে। নির্বাচনকালে ভারতের মন্ত্রিসভা নির্বাচন কমিশনের অনুমতি ছাড়া কোনো সিদ্ধান্তই গ্রহণ করে না।’ আমাদের দেশের নির্বাচন কমিশনও সেই ধরনের ক্ষমতা ও সুযোগ-সুবিধা ভোগের মাধ্যমে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সব বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।

ভূঁইয়া কিসলু বেগমগঞ্জী

 চৌমুহনী, হাজীপুর, বেগমগঞ্জ, নোয়াখালী।

মন্তব্য