kalerkantho

রবিবার। ৪ ডিসেম্বর ২০১৬। ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৩ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


ভারত শক্তিশালী দল, বাংলাদেশও ছেড়ে দেওয়ার পাত্র নয়

৫ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



সেদিন বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের যে খেলা হলো, মনে হচ্ছিল ফাইনাল দেখছি। এই পাকিস্তানকে আমরা ১৯৯৯ সালে বিশ্বকাপে হারিয়েছি।

২০১২ সালেও অল্পের জন্য আমরা জিততে পারিনি। আমাদের ক্রিকেটাররা সেদিন অঝোরে কেঁদেছিলেন। তাঁদের কান্নার প্রতিদানই যেন পেলাম গত বুধবার। আমাদের ছেলেরা খুব আবেগপ্রবণ, অনুভূতিপ্রবণ। আজকাল বাংলাদেশের দল যখন মাঠে নামে, রাস্তাঘাট একদম ফাঁকা হয়ে যায়। বাংলার টাইগারদের খেলা দেখার জন্য সবাই টিভির সামনে বসে যায়। বর্তমানে বাংলাদেশ দল যেকোনো দেশের জন্য চ্যালেঞ্জ। টি-টোয়েন্টিতে পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার মতো শক্তিশালী দেশকে হারানো চাট্টিখানি কথা নয়। স্বীকার করতে হবে, আমাদের দল এখনো টি-টোয়েন্টির জন্য পুরোপুরি তৈরি হয়নি। তবে আস্তে আস্তে উন্নতি হচ্ছে। যখন দেখি, পাকিস্তানের মতো শক্তিশালী দল ১০ ওভারে ৩৪ রানের মধ্যে আটকে থাকে তখন আমরা দর্শকরা আশাবাদী হয়ে উঠি। গত বছর টি-টোয়েন্টিতে আমরা ভারতকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়েছি। এই ভারতই অস্ট্রেলিয়ার মতো দেশে গিয়ে ৩-০ ব্যবধানে জিতেছে। সেই অর্থে এই ফরম্যাটে ভারত বিশ্বে অবশ্যই শক্তিশালী দল। আর এ হিসেবে আমাদের টাইগারদের সামনে কিছুই নয়। বাংলাদেশ-পাকিস্তান ম্যাচের উইনিং খেলোয়াড় মাহমুদ উল্লাহর বক্তব্যও আমাদের বড় ভরসা দিয়েছে। তিনি বলেছেন, ‘যেকোনো পরিস্থিতিতে দলের জন্য অবদান রাখার প্রস্তুতি আমাদের সবারই থাকে। কখনো আমি বা আমরা পারি, কখনো পারি না। অবশ্যই যখন পারি না তখন আমাদের মন খারাপ হয় না। কারণ আমাদের ছেলেরা চেষ্টা করেছে, সেই ভাবনাটা জাগে। আর মাশরাফির মতো বিচক্ষণ অধিনায়ক থাকলে আমাদের আত্মবিশ্বাস বেড়ে যায় বহুগুণ। ’

ফাইনালে মাঠভর্তি দর্শকের সবাই টাইগারদের অনুকূলে থাকবে। গ্যালারিতে দেখা যাবে টাইগারদের মুখচ্ছবি। টাইগাররা যখন উইকেট নেবে, চার-ছক্কা পেটাবে, দর্শকরা আনন্দে ফেটে পড়বে। তা ছাড়া মাশরাফিরা যখন বল করবেন, আমাদের ছেলেরা গ্যালারি থেকে হাজারো আলো জ্বালিয়ে মাঠ আলো করে তুলবে। এসব দিক আমাদের জয়ের ক্ষেত্রে অবশ্যই অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। মনে হচ্ছে, এই মাঠে আমরা আরেকটি আনন্দ ভোগ করব এশিয়া কাপ জয়ের মাধ্যমে।

মিজানুর রহমান

বানাসুয়া, কুমিল্লা।


মন্তব্য