এশিয়া কাপে আশা জাগিয়েছে বাংলাদেশ-332258 | মতামত | কালের কণ্ঠ | kalerkantho

kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৬। ১২ আশ্বিন ১৪২৩ । ২৪ জিলহজ ১৪৩৭


এশিয়া কাপে আশা জাগিয়েছে বাংলাদেশ

বাংলাদেশের সামনে এখন এশিয়া কাপের হাতছানি। সেরা খেলার ধারাবাহিকতা শুধু ধরে রাখতে হবে। মাথা ঠাণ্ডা রেখে, দেখেশুনে খেলে যেতে হবে। যে টিম স্পিরিট তৈরি হয়েছে তা ধরে রাখতে হবে। ক্রিকেটে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। সরকারেরও উৎসাহ রয়েছে এ নিয়ে। তাই আমরা আশা করি, সারা দেশেই ক্রিকেটের অবকাঠামো ও সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো হবে। কালের কণ্ঠ’র পাঠকরা ফোনে ও ই-মেইলে এমন অভিমত ব্যক্ত করেছেন

৫ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



এশিয়া কাপে আশা জাগিয়েছে বাংলাদেশ

► তীরহারা ঢেউয়ের সাগর আমরা পাড়ি দেব। রবিবার নবীন মাঝিদের নেতৃত্বে তরী এসে ঘাটে পৌঁছবে। বিশ্বকাপের হারের ক্ষত ক্রিকেটপ্রেমীরা যে বুকে নিয়ে বেড়াচ্ছে তারও উপশম হবে এই বিজয়ে। সেদিন বিজয়ের পর আমরা প্রধানমন্ত্রীর চোখেও আনন্দের অশ্রু দেখেছি। শিরোপা জয় করে প্রধানমন্ত্রীসহ সারা দেশ আবারও খুশির আনন্দে কাঁদতে চায়। সর্বশেষ আমার একটি দাবি, বিজয়ের পর আমাদের খেলোয়াড়রা যেন মঞ্চে দাঁড়িয়ে ঘোষণা দেন, দেশে আর কোনো অসহায় শিশু থাকবে না। সে লক্ষ্যে তাঁরা আয়ের অর্ধেক শিশুদের জন্যও যেন বরাদ্দ করেন। এশিয়া কাপের ফাইনালে দেশের টাইগাররা ভালো খেলবে, কাপ নিয়ে ঘরে ফিরবে, ক্রিকেটপ্রেমীদের পক্ষ থেকে আমিও এই প্রত্যাশা করছি। শ্রমিক সংগঠনের পক্ষ থেকে আগাম লাল গোলাপ শুভেচ্ছা থাকল।

কুমারেশ চন্দ্র
বাস শ্রমিক, ঝিনাইদহ টার্মিনাল।

 

► শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তানের সঙ্গে বিজয়ের ধারায় আছে বাংলাদেশ। তাই ভারত চাপে থাকবে। এই চাপটা কাজে লাগাতে পারলে প্রথমবারের মতো ক্রিকেটে আন্তর্জাতিক শিরোপা আমরা জিততে পারব।

হাফিজ রহমান
সাভার, ঢাকা।

 

► ভারত আমাদের প্রতিবেশী দেশ। তবে খেলার ক্ষেত্রে কেউ কাউকে অবশ্য ছাড় দেবে না। আশা করি, আমরা এই ম্যাচেও বিজয়ের পতাকা উড়াব। পুরো জাতি এই প্রত্যাশাই করছে।

আনোয়ারুল ইসলাম শাহিন
আনন্দ, বিসিক, কক্সবাজার।

 

►  বাংলাদেশ ক্রিকেট দল এখন অনেক ভালো খেলছে। তাই তাদের কাছে আমাদের প্রত্যাশাটাও বেশি। এর পরও ফাইনালে প্রতিপক্ষ যখন ভারত তখন একটু দেখেশুনেই খেলতে হবে। ফলাফল যা-ই হোক না কেন, বাংলাদেশ ক্রিকেট টিমের জন্য অগ্রিম শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। তারা জয়ী হবেই।

মাধব পাল
সিরাজদিখান, মুন্সীগঞ্জ।

 

►  বাংলাদেশের জাতীয় ক্রিকেট দল এই প্রথমবার একটি বড় টুর্নামেন্টের ফাইনালে খেলার সুযোগ পেয়েছে। এই সুযোগকে অবশ্যই চূড়ান্ত বিজয়ের লক্ষ্যে এগিয়ে নেওয়ার জন্য খেলোয়াড়, কোচসহ সবার শতভাগ প্রচেষ্টা এবং অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগানোর আহ্বান জানাই। আমরা অভিজ্ঞ দুটি (পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা) দলকেই হারিয়েছি। চূড়ান্ত পর্যায়ে ভারতকে হারাতে পারব, সে বিশ্বাস আমাদের দৃঢ় হয়েছে। মূলত ক্রিকেট একটি বড় মনোজগতের খেলাও বটে। মানসিক শক্তি যেখানে প্রচণ্ড থাকে সেখানেই বিজয় নিশ্চিত। প্রতিপক্ষ ভারত এর আগে বিশ্বকাপে যে ধরনের মার আমাদের কাছে খেয়েছে সেটি তাদের মানসিকভাবে প্রচণ্ড দুর্বল করে রেখেছে। অন্যদিকে খেলাটি যেহেতু আমাদের নিজেদের মাঠে, সেহেতু জনগণের সমর্থন এবং দর্শকদের আনন্দ-উল্লাস খেলোয়াড়দের অনুপ্রাণিত করবে। মাঠের দর্শকসহ সারা দেশের ১৬ কোটি মানুষের প্রেরণা খেলোয়াড়দের ফিল্ডিং, বেটিং এবং বোলিংয়ে প্রচণ্ড শক্তি জোগাবে। যা না বললেই নয়, সেটি হচ্ছে মাশরাফি এরই মধ্যে অধিনায়ক হিসেবে সমগ্র বিশ্বের নজর কেড়েছেন। তাঁর বুদ্ধিদীপ্ত অধিনায়কত্ব এবং সাকিব, মুশফিক, মাহমুদ উল্লাহ, রিয়াদ—তাঁদের পরামর্শে আমাদের বিশ্বাস, টি-টোয়েন্টিতে এবার বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন হবেই। আমরা মনে করি, প্রত্যেক খেলোয়াড় শতভাগ দিতে পারলে ভারত বধ কোনো কষ্টকর বিষয় নয়।

ওয়াহিদ মুরাদ
দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা।

 

 ► বীর বাঙালির সন্তান হিসেবে তোমরা বিশ্বমান রক্ষা করে খেলবে এবং বিজয় ছিনিয়ে আনবে—আমরা এই প্রত্যাশাই করছি।

হরেন্দ্রকুমার নাথ
পাহাড়তলী, চট্টগ্রাম।

 

► ক্রিকেট বিশ্বে বাংলাদেশ আরো একধাপ এগিয়ে গেল। আমাদের চির প্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানকে পরাজিত করার মধ্য দিয়ে এই অগ্রগতি সাধিত হলো। স্বাধীনতার এ মাসে দারুণ প্রতিশোধ নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেটাঙ্গন। ক্রিকেট টিম একের পর এক যে নৈপুণ্য দেখাচ্ছে তা তাদের কঠোর অনুশীলনের বহিঃপ্রকাশ। তাদের নিয়মিত অনুশীলনের কারণে আজ এত দূর আসতে পারছে বাংলাদেশ। আগামীকাল রবিবার এশিয়া কাপের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হবে। কালকের ফাইনাল খেলা আমাদের পার্শ্ববর্তী বন্ধু রাষ্ট্রের সঙ্গে। আর আমরা স্বাগতিক। এশিয়া কাপের ফাইনাল খেলায় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড ভালো খেলা উপভোগ করার ব্যবস্থা করবে, এ আমার বিশ্বাস। এশিয়া কাপের ফাইনাল খেলায় বাংলাদেশ ভারতকে পরাজিত করবে—এমন প্রত্যাশা করছে বাঙালি ক্রিকেটপ্রেমীরা।

ফারুক আহমেদ
বাগমারা, রাজশাহী।

 

► বাংলাদেশ ক্রিকেট টিম টি-টোয়েন্টিতে অনেক উন্নতি করেছে। ফাইনালে প্রথম ব্যাটিং নিলে ভালো করবে। পরিবারের সদস্যরা মাঠে উপস্থিত থাকলে খেলোয়াড়দের মনোবল বাড়বে। বাংলাদেশ পরিকল্পনামাফিক খেলবে, এশিয়া কাপে চ্যাম্পিয়ন হবে, ইনশাআল্লাহ।

কামরুজ্জামান
কলাবাগান, ঝিনাইদহ সদর।

 

► রবিবার বাংলাদেশ দলকে খুব ঠাণ্ডা মাথায় খেলতে হবে। একাত্তরের পরাজিত শক্তি পাকিস্তানের সঙ্গে যে মনোভাব নিয়ে খেলেছে এবং জয়ী হয়েছে বাংলাদেশ, তাতে আমরা সত্যি আরেকবার স্বাধীনতার স্বাদ পেয়েছি। স্বাধীনতার এই মাসে টি-টোয়েন্টি ফাইনালে বাংলাদেশ দল চ্যাম্পিয়ন হবে, এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

নাদিম খান
ভাইজোড়া, পিরোজপুর।

 

► বাংলাদেশ ক্রিকেট দল পাকিস্তানকে পরাজিত করেছে। এ জন্য তাদের অভিনন্দন। আগামীকাল রবিবার তারা ফাইনালে বিজয় ছিনিয়ে আনবে বলে আমরা মনে করি। আরো একবার গর্জে উঠবে বংলাদেশ।

মো. মোকাদ্দেস হোসাইন
গ্রামপাঙ্গাসিয়া, সিরাজগঞ্জ।

 

► বাংলাদেশের সামনে এশিয়া কাপের হাতছানি। ফাইনালে ভারতকে হারাতে পারলে কাপ নিজেদের করে নিতে পারবে বাংলাদেশ। সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হলে উল্লাস আর উচ্ছ্বাসে ভেসে গেলে চলবে না। মাথা ঠাণ্ডা রেখে, দেখেশুনে ফাইনাল ম্যাচ খেলতে হবে। যে টিম স্পিরিট সৃষ্টি হয়েছে তা ধরে রাখতে হবে। কোনো ভুল সিদ্ধান্ত যেন দলকে হতাশ না করে সে জন্য বিসিবিকে সতর্ক থাকতে হবে। সর্বশেষ আশা করি, বাংলাদেশ এশিয়া কাপ জিতে ইতিহাস সৃষ্টি করবে।

কাজী আবু মো. খালেদ নিজাম
মরিয়মনগর, রাঙ্গুনিয়া, চট্টগ্রাম।

 

 ► বাঙালিরা অনেক ত্যাগের বিনিময়ে ভাষা আন্দোলন, স্বাধীনতা ইত্যাদি অনেক বড় অর্জনের মাধ্যমে দেশের মর্যাদা অক্ষুণ্ন রেখেছে। আগামীকাল রবিবার এশিয়া কাপ ক্রিকেট। ক্রিকেট দুনিয়া বাংলাদেশের টাইগারের গর্জন শুনবে। তারা জয়ী হয়ে অনন্য ইতিহাস রচনা করবে। বাংলার টাইগারদের জন্য শুভকামনা।

মো. আবদুর রাজ্জাক নাছিম
নির্বাহী পরিচালক, স্বাধীন জীবন, সিরাজগঞ্জ।

 

► ফাইনালে বাংলাদেশ অবশ্যই সেরা খেলাটা খেলবে এবং বিজয় ছিনিয়ে আনবে। শেষ খেলায় সাকিব আল হাসান আউট হওয়ার পর যে আচরণ করেছেন, তা অপ্রত্যাশিত। তাঁর কাছ থেকে আরো ভালো আচরণ আমরা আশা করছি।

শিবুপ্রসাদ মজুমদার
লেকসার্কাস, কলাবাগান।

 

 ► এশিয়া কাপ টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের যে দল গড়া হয়েছে সেটা সম্ভাব্য সেরা দল। তবে বর্তমান ব্যাটিং লাইন যথাযথ বলে মনে হয় না। সীমিত ওভারের খেলায় সেরা ব্যাটসম্যানদের বেশি ওভার খেলার সুযোগ দিতে হয়। তাই সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম ও মাহমুদ উল্লাহর মতো ব্যাটসম্যানদের ব্যাটিং ওভারের আরো ওপরের দিকে রাখা উচিত। আমাদের বোলিং সাইড যথেষ্ট ভালো। বাঁহাতি স্পিনারের ঘাটতি থাকলেও আমাদের পেসারটা খেলছেন দারুণ। তরুণ পেসার মুস্তাফিজের ‘কাটার’ সামলানো বিশ্বের সেরা ব্যাটসম্যানদের জন্যও কঠিন। ভারতের ব্যাটসম্যান বিরাট কোহলি ও বোলার রবিচন্দ্রন অশ্বিনের মতো খেলোয়াড়কে সামলে না খেললে বাংলাদেশ দলের বিপদের আশঙ্কা আছে। এশিয়া কাপ টি-টোয়েন্টিতে সর্বশেষ শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তানকে হারিয়ে বাংলাদেশ ফাইনাল খেলা নিশ্চিত এবং স্বদেশের মাঠে হাজারো সমর্থকের উল্লাসে একটি ছন্দ খুঁজে পেয়েছে। এশিয়া কাপের ফাইনালে জয়লাভ করাটাই বড় কথা নয়, ফাইনাল খেলতে পারাটাই বাংলাদেশের জন্য একটি মর্যাদাপূর্ণ বিজয়।

আবদুর রহমান
গাঙ্গেরকুট, মুরাদনগর, কুমিল্লা।

 

 ► ভারতকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো এশিয়া কাপ জেতার সুযোগ আমাদের সামনে। এই সুযোগ কাজে লাগাতে হবে।

মো. রেজাউল করিম
বিএনবিএস ক্লাব, বহরপুর, সেকারা, রাজবাড়ী।

 

►  পাকিস্তানের বিপক্ষে যে পারফরম্যান্স ছিল তার পুনরাবৃত্তি চাই। সেরা খেলা দিয়েই আমরা মুকুট ছিনিয়ে আনব।

এম নুরুল আলম
চট্টগ্রাম।

 

►  বাংলাদেশ যখন বিশ্ব ক্রিকেটে সবেমাত্র অঘটনের জন্ম দিতে শুরু করেছিল তখন অস্ট্রেলিয়ান এক ক্রিকেটবোদ্ধা মন্তব্য করেছিলেন, বাংলাদেশ একদিন বিশ্বকাপ ক্রিকেটে চ্যাম্পিয়ন হবে। কথাটা শুনে অনেকের সেদিন হাসি পেয়েছিল। কারণ তখন পর্যন্ত বাংলাদেশ ক্রিকেটে জয়ের কোনো ধারা ছিল না। একটায় জিতে তো এরপর ক্রমাগত হারতেই থাকে। কিন্তু কালের পরিক্রমায় সেই বাংলাদেশ ক্রিকেটের উত্থান ক্রিকেট বিশ্ব প্রত্যক্ষ করেছে। ২০১৫ সালের বিশ্বকাপ ক্রিকেটে ভারত যদি নীলনকশা না করত, তাহলে বাংলাদেশের ফাইনালে চলে যাওয়া যে অসম্ভব ছিল না, তাতে আশা করি অনেকেই একমত হবেন। এবার সেই ভারতের সঙ্গে এশিয়া কাপ ফাইনাল খেলার সুযোগ হয়েছে বাংলাদেশের। বাংলাদেশ যেন এ খেলায় প্রমাণ করতে পারে আমরা বিশ্বকাপ জয়ের দাবিদার ছিলাম।

রাজকুমার সিংহ
শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার। 

 

 ► বাংলাদেশের টাইগারদের কাছে প্রত্যাশা বেশি ছিল এবং তারা তা পূরণ করেছে। আগামীকাল রবিবার ফাইনালে তাদের গর্জনে ভারত কুপোকাত হবে, কাপ উঠবে বাংলাদেশের ঘরে—এটিই প্রত্যাশা।

মো. বজলুর রহমান
সেকারা, বহরপুর, রাজবাড়ী।

 

►  এই মুহূর্তে দুর্দান্ত ফর্মে আছে টাইগাররা। ফাইনালে বাংলাদেশে সোনার ছেলেরা ক্রিকেট পরাশক্তি ভারতকে বড় ব্যবধানে না হোক, কম ব্যবধানে পরাজিত করে এশিয়া কাপের শিরোপা নিজের ঘরে রাখুক।

ম. মুমিনুর রহমান
শমশেরনগর, মৌলভীবাজার।

 

► ফাইনালে বাংলাদেশই জিতবে, তবে ভারতের সঙ্গে এই বিজয় সহজ হবে না। তাদের ব্যাটিং লাইন খুব শক্তিশালী। জিততে হলে আমাদের শতভাগ উজাড় করে দিতে হবে। আমাদের বোলিং, ব্যাটিং, ফিল্ডিং—সব দিকেই ভালো করতে হবে।

তরিকুল ইসলাম
মতলব ডিগ্রি কলেজ, চাঁদপুর।

 

►  জয় ছাড়া অন্য কিছু ভাবতে পারি না। খেলোয়াড়দের জন্য কিছু কথা। ২ তারিখের খেলায় সাকিব আল হাসান যখন বোল্ড আউট হয়েছিলেন তখন সময়টা একেবারে ঠিক ছিল। ওই মুহূর্তে সাকিবের আউট হওয়াই ছিল জরুরি। আউট না হয়ে আরো কিছু বল খেললে সেদিন বাংলাদেশ দলের জন্য বিপর্যয় নেমে আসত। কোনো খেলোয়াড় আউট হোক তা আমরা চাই না। উইকেট থাকা অবস্থায়ই যখন কোনো খেলোয়াড় ভালো খেলতে পারে না তখন তার সরে যাওয়াই ভালো।

রহিমা আক্তার মৌ
চাটখিল, নোয়াখালী।

 

► এশিয়া কাপ টি-টোয়েন্টির প্রথম ম্যাচে ভারত বাংলাদেশের বিপক্ষে ১১ ওভারে ৬৬ রান করে। পরের ৯ ওভারে রান ছিল তাদের ১০০। শেষ দিকে এসে বাংলাদেশের খেলাটা আশানুরূপ ছিল না। আমরা আশা করব, ফাইনালে বাংলাদেশ আগের ম্যাচের প্রথম ১১ ওভারের মেজাজ নিয়ে খেলবে।

আসাদুল্লাহ মুক্তা
মহেষপুর, উল্লাপাড়া, সিরাজগঞ্জ।

 

► ফাইনালে ফলাফল যা-ই হোক, আমাদের টাইগাররা বীরের মতো খেলবে—এই প্রত্যাশা থাকল। ওয়ানডের মতো টি-টোয়েন্টিতেও বাংলাদেশ সাফল্য পেতে শুরু করেছে। এর ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে বলেই আমরা আশা করি।

এম শাক্কুর আলম
জিনজিরা, ঢাকা।

 

► আমার বিশ্বাস, বাংলাদেশই চ্যাম্পিয়ন হবে। ২০১৪ সালে আমরা মাত্র দুই রানের জন্য হেরেছি জিততে জিততে। এবার বিজয় কেউ ঠেকাতে পারবে না।

জালাল আহমেদ জয়
বটেশ্বর, সিলেট।

 

► আমাদের প্রত্যাশা অনেক। ক্রিকেটারদের মনে রাখতে হবে, ১৬ কোটি মানুষ তাঁদের দিকে তাকিয়ে আছে। দলের জয়ে সারা দেশে আনন্দের জোয়ার বইবে। তাই ফাইনালে আমাদের খেলোয়াড়দের থাকতে হবে স্থিরচিত্র।

জাহাঙ্গীর কবির পলাশ
শ্রীধরপুর, মুন্সীগঞ্জ।

 

►  বাংলাদেশ সব ম্যাচেই ভালো খেলেছে। ফাইনালেও তারা ভালো খেলবে।

রামপদ দাস
ভাটিনগর, অষ্টগ্রাম, কিশোরগঞ্জ।

 

► বাংলাদেশ দল ফাইনালে ভালো খেলবে। বিজয় অর্জন করবে—এটাই তো সব বাংলাদেশির প্রত্যাশা।

হুমায়ুন কবির
হাজারীবাগ, ঢাকা।

 

► রক্তঝরা স্বাধীনতার মাস। এশিয়া কাপের ফাইনালেও বাংলাদেশ ক্রিকেট দল জিতে প্রমাণ করে দেবে বাঙালির ইতিহাস বিজয়গাথার ইতিহাস। ৫৬ হাজার বর্গমাইলের ১৬ কোটি মানুষ সেই বিজয়ের প্রহর গুনতে শুরু করে দিয়েছে। এর আগে আমাদের ক্রিকেট দল জিম্বাবুয়ে, নিউজিল্যান্ড, পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করেছে। সিরিজে হারিয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা ও ভারতকে। পাকিস্তানের কোচ ওয়াকার ইউনুস বলেছেন, বাংলাদেশ দল খুব স্মার্ট। সেই স্মার্টনেস দেখিয়ে দল কাপ ঘরে তুলবে, ইনশাআল্লাহ।

ভূঁইয়া কিসলু বেগমগঞ্জী
চৌমুহনী, হাজীপুর, বেগমগঞ্জ, নোয়াখালী।

 

 ► বাংলাদেশ দলের প্রত্যেক সদস্য ভালো খেলবেন। তামিম, সৌম্য, মুশফিক, মাহমুদ উল্লাহ ও সাব্বিরের ব্যাট জ্বলে উঠবে। সাকিব তাঁর অলরাউন্ডার নৈপুণ্য দেখাবেন। সেই সঙ্গে বোলাররা করবেন তাঁদের জীবনের শ্রেষ্ঠ বোলিং। মাশরাফির মতো দলনেতার অসাধারণ অধিনায়কত্ব তো থাকছেই। ফিল্ডিং ও ক্যাচ কোনোভাবেই যাতে মিস না হয় সেদিকে সবার খেয়াল রাখতে হবে। সর্বোপরি প্রতিপক্ষকে ভয় না করে প্রত্যেকের সেরাটা দৃঢ়ভাবে মাঠে উজাড় করে দিতে হবে।

আমির সোহেল
শিক্ষার্থী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা।

 

►  ২০১৫ সালের মতো বাংলাদেশ দল এবারও জয়ের সূচনায় ফিরেছে। সব দলকেই হারানোর সামর্থ্য রয়েছে টিম বাংলাদেশের। এশিয়া কাপে শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তানকে হারিয়ে যে আত্মবিশ্বাস অর্জন করেছে তা ভারতকে হারানোর ক্ষেত্রে অনুপ্রেরণা দেবে। ভারতের বিপক্ষে মূল একাদশের সবার পারফর্ম ভালো হওয়া চাই। এ জন্য সবাইকে ধৈর্য ধরে খেলতে হবে। তাড়াহুড়ার বিষয়টি বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের মধ্যে বেশি কাজ করে। এটি দূর করতে হবে।

হাসানুল করিম
সীতাকুণ্ড কলেজ, চট্টগ্রাম।

 

►  এশিয়া কাপ ক্রিকেট ২০১৬-তে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়নের  দোরগোড়ায়। ১৬ কোটি মানুষ বাংলাদেশকে চ্যাম্পিয়ন দেখতে চায়। গত চার খেলায় তিনটিতে জয় পেয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে বাংলাদেশ ৬ মার্চ ভারতের সঙ্গে খেলবে। আমরা অবশ্যই জয় চাই। ভারতকে পরাজয় করা কঠিন কিছু নয়। এর আগে বাংলাদেশ ভারতসহ ক্রিকেট বিশ্বের সব দেশকে পরাজিত করেছে। ওই দিন বাংলাদেশের প্রত্যেক খেলোয়াড় চাপ না বোধ করে ধৈর্য সহকারে খেললে ভারতকে পরাজিত করা কঠিন হবে না। অধৈর্য হলে ও ভয় পেলে চলবে না। সাকিবের খেলা গঠনমূলক নয়! অহংকার ত্যাগ করে সাধারণভাবে খেলতে হবে। শক্তিশালী বোলিং ও ব্যাটিং, গোছালো ফিল্ডিং ও টিমওয়ার্ক চাই। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীসহ ১৬ কোটি মানুষের দোয়া ও প্রেরণায় বাংলাদেশ দলের জয় অবাস্তব কিছু নয়।

নজরুল ইসলাম খান
নতুন জুরাইন, ঢাকা।  

 

► টাইগারদের সব থেকে বেশি যেটি আমাদের একত্র করেছে সেটি হলো আত্মবিশ্বাস! তাদের মাঝে বিন্দু পরিমাণ আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি ছিল না, তার ওপর আবার তারা প্রতিটি বল করেছে স্বাচ্ছন্দ্যে, প্রতিটি শট খেলেছে নির্দ্বিধায়! টাইগার সেনাপতি যে কেন সেরা তার প্রমাণ আবার তিনি দেখিয়েছেন বারবার বোলার পাল্টিয়ে ও শেষে মিথুনকে না নামিয়ে নিজে ব্যাটিংয়ে নেমে। জানি না এমন বন্ধুসুলভ দলপতি টাইগার আর কবে পাবে!  টাইগারদের ধারাবাহিক সাফল্য ফাইনালেও বজায় থাকুক। তাই ক্রিকেটের টানে ছুটে আসা বঙ্গবন্ধুকন্যা ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রীকে দেশের বিভিন্ন স্থানে আন্তর্জাতিক মানের স্টেডিয়াম গড়ে তোলার অনুরোধ জানাব! কেননা দেশকে বিশ্বদরবারে পরিচয় করাতে ক্রিকেটের চেয়ে আর কোনো কিছুরই তুলনা হয় না। ফাইনালেও বাংলার জয়রথের দর্শক হয়ে থাকব—এই আশাবাদ ব্যক্ত করি।

তরুণ বিশ্বাস
মনোবিজ্ঞান বিভাগ, সরকারি সিটি কলেজ, চট্টগ্রাম।

মন্তব্য