kalerkantho


প্রাথমিকে বেতনবৈষম্য

২৭ জানুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০



উন্নতির মূল ভিত্তি প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়ন। সরকার প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে বদ্ধপরিকর। প্রতিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে নানাভাবে সমৃদ্ধ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ডিজিটাল পদ্ধতিতে পাঠদানের জন্য প্রতিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ল্যাপটপ ও মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুমের ব্যবস্থা করা হয়েছে। অনগ্রসর এলাকায় বিনা মূল্যে টিফিন দেওয়া হয়। বর্তমানে শিক্ষার্থী ঝরে পড়া রোধ করতে ১০০ শতাংশ উপবৃত্তি দেওয়া হচ্ছে। সৃজনশীল শিক্ষাপদ্ধতি চালু করায় শিক্ষার গুণগত মান বাড়ছে। বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতনবৈষম্যসহ অন্যান্য সমস্যা সমাধানের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। তা ছাড়া মাননীয় প্রধানমন্ত্রী প্রাথমিক শিক্ষকদের মুঠোফোনে বেতনবৈষম্য দূরীকরণের ভয়েস এসএমএস পাঠিয়েছেন। বর্তমান সরকার মন্ত্রিসভা গঠনের পরদিন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বেতনবৈষম্য দূরীকরণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। আশা করি, সব সমস্যার সমাধান হবে। বর্তমানে সহকারী শিক্ষকদের বেতন গ্রেড ১৫, যা একজন শিক্ষকের কাম্য নয়। শিক্ষক যদি হন তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী, তা যেকোনো জাতির জন্য লজ্জার। প্রধান শিক্ষকদের দ্বিতীয় শ্রেণির মর্যাদা দেওয়া হলেও এখনো গেজেট প্রকাশিত হয়নি। প্রধান শিক্ষকদের দশম গ্রেড এবং সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেড প্রদান করা হলে বেতনবৈষম্য দূর হবে। এটি প্রাথমিক শিক্ষকদের অন্তরের দাবি। বিভাগীয় পরীক্ষার মাধ্যমে পদোন্নতি সময়ের দাবি। আমাদের প্রত্যাশা, শিক্ষাবান্ধব সরকার প্রাথমিকের সব বৈষম্য দূর করবে।

মুন্নাফ হোসেন

ধনবাড়ী, টাঙ্গাইল।



মন্তব্য