kalerkantho


অতিথি পাখি রক্ষা

২৩ জানুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০



অতিথি পাখি রক্ষা

শীত মৌসুমে দূরদেশ থেকে অতিথি পাখিরা বাংলাদেশে আসে। বাংলাদেশের খাল, বিল, হাওর, জলাশয় পাখ-পাখালির আগমনে মুখরিত হয়। এই অচেনা পাখিদের আমরা অতিথি পাখি হিসেবে চিনি। অতিথি পাখিরা আমাদের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে বহুগুণ বৃদ্ধি করে। অতিথি পাখিরা মূলত বাংলাদেশে আসে সুদূর সাইবেরিয়া থেকে। এ ছাড়া হিমালয় বা হিমালয়ের ওপাশ থেকেও পাখিদের আগমন ঘটে। এ সময় ওই সব জায়গায় শীতের প্রভাব এবং খাদ্যের অভাব থাকে। পাখিরা উষ্ণতার খোঁজে হাজার মাইল পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশ, ভারত, মিয়ানমারে আসে। যেসব পাখি আসে তাদের মধ্যে লেঞ্জা, কুন্তি হাঁস, জিরিয়া হাঁস, নীলশির, গ্যাডওয়াল, লালশির, পাতারি হাঁস, বামনিয়া, ভুটি হাঁস, কালো হাঁস, চখাচখি, বালি হাঁস, বড় সরালি, ছোট সরালি, মাঝলা বক, কালেম বা কায়েন, জলময়ূর, ডুবুরি, খোঁপা ডুবুরি, পানকৌড়ি, কাদাখোঁচা বা চ্যাগা, গঙ্গা কবুতর, কাল মাখা গঙ্গা কবুতর, রাজসরালি, পিন্টেল, পাতিসরালি,  ল্যাঞ্জা হাঁস, সাদা বক, দলপিপি, ইগল প্রভৃতি। অতিথি মানে মেহমান। আমরা বাড়ির মেহমানদের অতি যত্নে রাখি। কিন্তু অতিথি পাখিদের তেমন মূল্যায়ন করি না। আমাদের দেশে একদল মানুষ আছে, যারা এই অতিথি পাখিদের শিকার করে, যা কাম্য নয়। বিশেষ করে মৌসুমি শিকারিরা এ সময়ে অতিথি পাখিদের শিকার করে বাজারে বিক্রি করে। অতিথি পাখি রক্ষার দায়িত্ব আমাদের সবার।

শাহরিয়ার কাসেম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া।



মন্তব্য