kalerkantho


আঞ্চলিক ভাষা সংরক্ষণ প্রসঙ্গে

৬ মার্চ, ২০১৮ ০০:০০



আমাদের মাতৃভাষার পর যে কথাটি আমাদের সামনে প্রধান, তা হচ্ছে প্রতিটি অঞ্চলের আঞ্চলিক ভাষা। আমরা নিজেদের অবস্থানে যত শুদ্ধ করেই কথা বলি না কেন, অজান্তেই কথার মধ্যে চলে আসে আমাদের আঞ্চলিক ভাষা। যে অঞ্চলে আমরা বেড়ে উঠেছি বা যে অঞ্চলের ভাষার সঙ্গে আমরা প্রত্যক্ষভাবে সম্পর্ক গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছি, তা-ই হচ্ছে আমাদের আঞ্চলিক ভাষা। প্রতিটি অঞ্চলেরই নির্দিষ্ট কিছু আঞ্চলিক ভাষা রয়েছে। হয়তো কালের বিবর্তনে আমাদের মধ্য থেকে হারিয়ে যাচ্ছে সে ভাষাগুলো। প্রতিটি অঞ্চলের মতো গাজীপুরের কাপাসিয়ারও কিছু আঞ্চলিক ভাষা রয়েছে; যে অঞ্চলে জন্মগ্রহণ করেছেন বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ। কাপাসিয়ার আঞ্চলিক ভাষাগুলো খুব মিষ্টি ও মধুর। এ ভাষাগুলো সংগ্রহ করে রাখা জরুরি। ভাষাগুলো যদি সংগ্রহে না থাকে, তবে তা একদিন মানুষের মুখ থেকে হারিয়ে যাবে; যদিও কাপাসিয়ার অনেকেই এ ভাষা ব্যবহার করে না। পর্যায়ক্রমে মানুষের মুখের ভাষা পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে হারিয়ে যাচ্ছে আঞ্চলিক ভাষাগুলো। শুধু কাপাসিয়া নয়, সমগ্র দেশের প্রতিটি অঞ্চলের আঞ্চলিক ভাষা সংগ্রহের জন্য প্রতিটি অঞ্চল থেকে উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন।

শামীম শিকদার, ভাকোয়াদী, কাপাসিয়া, গাজীপুর।


মন্তব্য