kalerkantho


শরীয়তপুর-মাদারীপুর ট্র্যাজেডি

২১ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০



চাঁদপুর-শরীয়তপুর ফেরি সার্ভিসের উন্নয়ন ও চট্টগ্রাম-খুলনা মহাসড়কের ৮৫ কিলোমিটার চার লেনে উন্নীত করলে মাত্র ছয় ঘণ্টায় মাদারীপুর-চট্টগ্রাম যাতায়াত করা যাবে। একই সঙ্গে দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার গণমানুষের চট্টগ্রামে যাতায়াত সুগম হবে।

এটি খুব হতাশাজনক যে স্বাধীনতার ৪৬ বছরে দেশের যোগাযোগব্যবস্থার অভাবনীয় উন্নয়ন হলেও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের সঙ্গে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের যোগাযোগব্যবস্থা যে তিমিরে ছিল সে তিমিরেই আছে। এ বৈষম্য হ্রাস করতে হরিণা ফেরিঘাট দিয়ে চাঁদপুর ও শরীয়তপুরের মধ্যে পদ্মা-মেঘনা বহুমুখী সেতু বা টানেল নির্মাণের কোনো বিকল্প নেই। এর আগে চট্টগ্রাম-খুলনা মহাসড়কে নরসিংহপুর ফেরিঘাট থেকে শরীয়তপুর হয়ে মাদারীপুর পর্যন্ত (৫৪ কিলোমিটার) এবং রামগঞ্জ থেকে ফরিদগঞ্জ হয়ে হরিণা ফেরিঘাট (৩১ কিলোমিটার) পর্যন্ত মোট ৮৫ কিলোমিটার সড়ক চার লেনে উন্নীত করা অপরিহার্য। চাঁদপুর-শরীয়তপুর উভয় ফেরিঘাটে একটির স্থলে তিনটি করে পন্টুন স্থাপন এবং ফেরি সার্ভিসে চারটির পরিবর্তে ১০টি ফেরি চালু করা জরুরি। আশা করি, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ অতিদ্রুত এ ব্যাপারে উদ্যোগ নেবে।

 

এম এ শাহেনশাহ

সহযোগী অধ্যাপক, পদার্থবিজ্ঞান

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।


মন্তব্য