kalerkantho


মুক্তিযোদ্ধা নিবন্ধনের সময়

১৯ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০



বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে সাড়া দিয়ে আমরা ১৯৭১ সালে মাহান স্বাধীনতাসংগ্রামে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করি। কেউ অস্ত্র হাতে নিয়ে, কেউ মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসাসেবা প্রদান করে, কেউ জনমত গঠন করে, আবার কেউ আহার ও বাসস্থানের ব্যবস্থা করে মুক্তিযোদ্ধাদের সহযোগিতা করেছেন। স্বাধীনতা অর্জনের লক্ষ্যে প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতে গিয়ে প্রশিক্ষণ নেওয়ার পর যুদ্ধে অনেকে শহীদ হয়েছেন। যাঁরা ভারতে গিয়েছেন তাঁদের কেউ প্রশিক্ষণরত ছিলেন, আর কেউ প্রশিক্ষণের অপেক্ষায় যুবশিবিরে অবস্থান করেছিলেন। অন্যদিকে যুদ্ধে অংশগ্রহণের কারণে দেশে অবস্থানরত মুক্তিযোদ্ধাদের পরিবার-পরিজনের ওপর চালানো হয় অমানুষিক নির্যাতন। অসংখ্য পরিবার হারিয়েছে ধন-সম্পদ, বিসর্জন দিতে হয়েছে অমূল্য জীবন। ৪৫ বছর পর স্বাধীনতার সপক্ষের সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের যথেষ্ট মূল্যায়ন করেছে। যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা প্রণয়নের কাজ হাতে নিয়েছে।   কিন্তু ব্যাপক প্রচারের অভাবে শহর ও গ্রামাঞ্চলের বহু মুক্তিযোদ্ধা অনলাইনে নিবন্ধনে নাম অন্তর্ভুক্ত করতে পারেননি। যেসব জায়গায় বিদ্যুৎ পৌঁছেনি এবং ইন্টারনেটসেবা চালু নেই, সেসব এলাকার মুক্তিযোদ্ধারা অনলাইনে তালিকাভুক্তির সুযোগ পাননি। সুতরাং বঞ্চিত মুক্তিযোদ্ধাদের নিবন্ধনের লক্ষ্যে যাচাই-বাছাইয়ের সময় বর্ধিত করতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

 

মো. ইসমাইল, খুরশীদ ও মাহবুব, কুমিল্লা।


মন্তব্য