kalerkantho


ভেজাল ওষুধ নিয়ন্ত্রণ কমিটি

১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



ওষুধ উৎপাদনে বাংলাদেশের সুখ্যাতি বিশ্বব্যাপী। বর্তমানে প্রায় ১২২টি দেশে আমাদের ওষুধ রপ্তানি হচ্ছে। বিদেশে ভালো মানের ওষুধ রপ্তানি হলেও দেশে ভেজাল ওষুধের রমরমা ব্যবসা রয়েছে। কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অধিক মুনাফার লোভে ভেজাল ওষুধ তৈরি ও বিক্রির সঙ্গে জড়িত, যা পুরো ওষুধশিল্পকেই প্রশ্নবিদ্ধ করছে। অল্প পরিশ্রমে অধিক মুনাফার আশায় এই অসাধু ব্যবসায়ীর সংখ্যা ক্রমাগত বেড়েই চলছে। প্রাণঘাতী ভেজাল ও নকল ওষুধের ফলে একদিকে যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে রোগী; অন্যদিকে খুব অল্পতেই আঙুল ফুলে কলাগাছ হচ্ছে অসাধু ব্যবসায়ীরা। প্রশাসনের যথাযথ পদক্ষেপ ও নিয়মিত অভিযানের অভাবে এই অসাধু ব্যবসায়ীরা প্রায়ই ধরাছোঁয়ার বাইরেই থেকে যাচ্ছে। মনকাড়া ডিজাইন ও দৃষ্টিনন্দন মোড়কের এসব ওষুধ দেখে খুব সহজেই প্রতারিত হয় ভোক্তারা। ‘জাতীয় ওষুধনীতি ২০১৬’ অনুযায়ী ওষুধের মান নিয়ন্ত্রণের জন্য একটি কর্তৃপক্ষ (এনআরএ) গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় মন্ত্রিসভায়। কিন্তু এর যথাযথ বাস্তবায়ন আমরা দেখতে পাই না। অসাধু ব্যবসায়ীদের আইনের আওতায় আনার পরই হয়তো আমরা একটি নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য ওষুধশিল্পের বাজার আশা করতে পারি।

তাই ভেজাল ও নকল ওষুধ নিয়ন্ত্রণে কমিটি অতিদ্রুত ওষুধের বাজার তদারকি করুক, দোষীদের শাস্তি দিক—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

 

জাহিদ হাসান

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ।

 


মন্তব্য