kalerkantho

বুধবার । ৭ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৬ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সমীপে

১২ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



বিগত বিএনপি আমলে যেকোনো সরকারি নিয়োগ বা সরকারি সেবার জন্য একশ্রেণির দলীয় নেতা ও সরকারি কর্মকর্তাকে ঘুষ দিতে হতো। বর্তমানে সেই ঘুষ বাণিজ্য আরো ভয়াবহ, আরো কদর্য রূপ ধারণ করেছে।

পুলিশের কনস্টেবল হিসেবে নিয়োগ পেতে সর্বনিম্ন চার লাখ টাকা খরচ করতে হয়। আর নিয়োগপ্রাপ্তির পর ধারদেনা ও জমিজমা বিক্রি করে আসা নিয়োগপ্রাপ্ত লোকটির দিন-রাতের চিন্তা থাকে কত তাড়াতাড়ি অবৈধভাবে আয় করে ধারদেনা শোধ করে নিজেও ধনী হওয়া যায়।

এ ধরনের অবৈধ কাজের লাগাম টেনে ধরার লক্ষ্যে বিবেকবান লোকদের এগিয়ে আসতে হবে। এ প্রসঙ্গে  আমার নিজস্ব কিছু চিন্তা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সমীপে বিনয়ের সঙ্গে নিবেদন করতে চাই।

একসঙ্গে অনেক লোক নিয়োগের ক্ষেত্রে যেমন—পুলিশের বিভিন্ন পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া :

১। প্রতি জেলায় নিয়োগ প্রত্যাশীদের শুধু লিখিত পরীক্ষা হবে। পরীক্ষার পর জেলা প্রশাসক ও জেলা পুলিশ সুপার মিলিতভাবে সরকারি কর্মকর্তার মাধ্যমে পরীক্ষার্থীদের উত্তরপত্র প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠাবেন।

২। নির্দিষ্ট দিনে নির্দিষ্ট শিক্ষক সরকার নির্দিষ্ট স্থানে মিলিত হয়ে উত্তরপত্রগুলো মূল্যায়ন করবেন।

৩। পাস করা প্রার্থীরা ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট এলাকার মেজর পদের নিচে নন এমন চারজন অফিসারের কাছে শারীরিক ও মানসিক যোগ্যতা যাচাই পরীক্ষা দেবেন। উত্তীর্ণ প্রার্থীদের নামের তালিকা প্রধানমন্ত্রীর অফিস হয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ও সেখান থেকে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের ঠিকানায় প্রেরণ করা হবে। এভাবে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় চাকরির ব্যবস্থা করা গেলে শত শত কোটি টাকার নিয়োগ বাণিজ্য যেমন একদিকে বন্ধ হবে, অন্যদিকে সহায়-সম্পত্তি বিক্রি করে বা ধারদেনা মাথায় করে নিয়ে আসা চাকরিজীবীদের খাই খাই স্বভাবেরও ভাটা পড়বে।

মুক্তিযোদ্ধা ডা. সেখ বনি আমীন

সাতশৈয়া, ফকিরহাট, বাগেরহাট।


মন্তব্য