kalerkantho

শনিবার । ১০ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


নোট-গাইড-কোচিং বন্ধ হোক

২৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



নোট-গাইড বই প্রকাশ ও পড়ানো, কোচিং সেন্টার পরিচালনায় শিক্ষকদের অনেকেই মহাব্যস্ত। কোচিংয়ে না এলে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার খাতায় মার্ক কমিয়ে দেওয়ারও অভিযোগ রয়েছে।

স্কুল-কলেজে শিক্ষকতা করে বেতন নেওয়ার পরও শিক্ষকদের এক বিরাট অংশ কোচিংয়ে ব্যস্ত থেকে দুই হাত ভরে কামাচ্ছেন অঢেল অর্থ। ক্লাসে ঠিকঠাকভাবে শিক্ষা না দিয়ে তাঁরা কোচিংয়েই বেশি মনোযোগী। ঢাকার অনেক নামকরা স্কুলের দেয়ালজুড়ে লেখা কত না শিক্ষকের নাম, অমুক-তমুক স্যার ইংরেজিতে কিংবা অঙ্কে এ প্লাস (এ+) পাইয়ে দেবেন ইত্যাদি। এসব শিক্ষকের সঙ্গে যোগাযোগের ফোন নম্বর পর্যন্ত দেয়ালে লেখা দেখে অবাক হলাম। তাঁরা ক্লাসে সঠিকভাবে না পড়িয়ে কোচিংয়ে পড়াতেই আজকাল বড্ড ব্যস্ত। অথচ বর্তমান সরকার এর মধ্যে শিক্ষকদের বেতন-ভাতা বাড়িয়ে দিয়েছে এই শর্তে যে স্কুল-কলেজে শিক্ষার্থীদের তাঁরা সঠিকভাবে পড়াবেন। কিন্তু কে শোনে কার কথা! এ অবস্থায় জরুরি ভিত্তিতে শিক্ষা আইন করে ১. নোট-গাইড বন্ধ করা। প্রসঙ্গক্রমে বলতে হয়, নোট ও গাইড বই পড়ে ছাত্রছাত্রীদের মেধার বিকাশ ঘটছে না। বরং তাদের সৃজনশীলতা ও মননশীলতা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এ অবস্থায় অবিলম্বে সহায়ক বইয়ের নামে নোট ও গাইড বই প্রকাশ যারা করবে তাদের কঠোর থেকে কঠোরতর শাস্তি প্রদান করতে হবে; ২. শিক্ষকরা নোট-গাইড বই প্রকাশ ও পড়ানো, কোচিং সেন্টার পরিচালনা করলে অর্থদণ্ড ও কারাদণ্ড প্রদান করা; ৩. শিক্ষকরা কোচিং-বাণিজ্যে জড়ালে তাদের চাকরি থেকে বরখাস্ত করা। এ ছাড়া এ কাজে সম্পৃক্ত হলে বাতিল করতে হবে এমপিও এবং ৪. এক ব্যক্তি একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডির প্রধান হতে পারবেন না।

লিয়াকত হোসেন খোকন

রূপনগর, ঢাকা।


মন্তব্য