kalerkantho


‘বেটি পড়াও, বেটি বাঁচাও’

১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



মেয়েরা যে মা-বাবার গর্ব হতে পারে তার প্রমাণ এবারকার অলিম্পিকে মেয়েদের জয়জয়কার। সম্প্রতি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবার অলিম্পিকে ভারতীয় তিন কন্যার সাফল্যে আওয়াজ তুলেছেন ‘বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও’।

তাঁর এই স্লোগান আমাদের এ উপমহাদেশে খুবই প্রাসঙ্গিক। কারণ এখনো ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে কন্যাসন্তান জন্ম হলে তাকে হত্যা করা হয়ে থাকে। বাংলাদেশে এ হত্যার প্রথা সম্ভবত নেই বললেই চলে। তবে নারীরা শিক্ষার অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এর জন্য দায়ী অর্থনৈতিক কারণ, নিরাপত্তার ও সামাজিক সচেতনতার অভাব। এখনো ভারত ও বাংলাদেশের কিছু গ্রাম্য এলাকায় কন্যাসন্তান জন্মগ্রহণ করলে মা-বাবা ও পরিবারের লোকজন বিরক্তি প্রকাশ করে এবং তাদের ধারণা, পুত্রসন্তান বংশ রক্ষা করে এবং বংশের মুখ উজ্জ্বল করে। এ ধারণার কোনো ভিত্তি নেই। এবার অলিম্পিকের স্বর্ণপদক জেতার পর ‘বাংলার বাঘিনী’ খ্যাত সেই রাশিয়ার মার্গারিতা মামুন ওরফে রিতার সাফল্যে আজ বাংলাদেশ গর্বিত। তাঁর বাবার বাড়ি রাজশাহীর দুর্গাপুরে। মেয়ে হয়ে রিতা সারা বিশ্বের সামনে রাশিয়ার পাশাপাশি বাংলাদেশের মুখ উজ্জ্বল করতে সক্ষম হয়েছেন। বাংলাদেশের অনেক মেয়ে আজ হিমালয় জয় করেছেন। দেশে-বিদেশে কর্মরত। ব্রিটেনে প্রবাসী বাঙালি মেয়েরা সংসদ সদস্য ও মেয়র। মেয়েদের লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলায়ও আরো বেশি উৎসাহিত করতে হবে। মেয়েদের উপযুক্ত যত্ন, রক্ষণাবেক্ষণ করতে হবে। সামাজিক নিরাপত্তা দিতে হবে, যাতে কোনো কাজে এগিয়ে যেতে তারা বাধাগ্রস্ত না হয় সেদিকে দৃষ্টি দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানাই।

মাহবুবউদ্দিন চৌধুরী

ফরিদাবাদ, গেণ্ডারিয়া, ঢাকা।


মন্তব্য