kalerkantho

শনিবার । ১০ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


পাকিস্তানকে ধিক্কার জানাতে হবে

৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



পাকিস্তানকে ধিক্কার জানানো ছাড়া আর কোনো উপায়  নেই। তারা ১৯৭১ সালে যে জঘন্য অপরাধ করেছিল তার কোনো ক্ষমা নেই।

এখনো তারা নির্লজ্জের মতো ভদ্রতার সব সীমা লঙ্ঘন করে আমাদের দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করছে। তাই প্রতিবছর একটি নির্দিষ্ট দিনে সমগ্র জাতি ঐক্যবদ্ধ হয়ে পাকিস্তানের প্রতি ঘৃণা ও ধিক্কার জানাতে হবে। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি বাহিনী দীর্ঘ ৯ মাস আমাদের দেশে গণহত্যা, নারী নির্যাতন ও নারী ধর্ষণের মতো জঘন্য অপকর্ম চালিয়েছিল। এর জন্য তারা এখনো বাংলার মানুষের কাছে ক্ষমা চায়নি। এর পরও তারা মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্তদের বাঁচানোর জন্য নানাভাবে অপচেষ্টা চালাচ্ছে, কারণ তারা তাদের পরাজয়ের শোক ভুলতে পারেনি। আর প্রতিটি বিচারই তাদের সেই পরাজয়ের কথাই বারবার মনে করিয়ে দেয়। প্রতিটি রায় কার্যকর হলেই নির্লজ্জের মতো আমাদের বিচারব্যবস্থার সমালোচনা করে, আমাদের  অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করছে, যা বর্তমান বিশ্বের কোনো সভ্য দেশ করতে পারে না। আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী তাদের বিচার হচ্ছে। এই বিচারকাজ নিয়ে অন্য কোনো দেশের বা সংস্থার পক্ষ থেকে  প্রতিক্রিয়া বা প্রতিবাদ জানানো অবশ্যই ভদ্রতার সীমাকে লঙ্ঘন করা হয়। এ ছাড়া একটি স্বাধীন গণতান্ত্রিক দেশের বিচারব্যবস্থার প্রতি অযাচিত হস্তক্ষেপ করাও সভ্যতার মধ্যে পড়ে না। বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তির যুগে কোনো ইতিহাসকেই লুকিয়ে রাখা সম্ভব নয়। ফলে পাকিস্তানের বর্তমান প্রজন্মের উচিত তাদের তৎকালীন সেনাবাহিনী, সরকার ও রাজনীতিবিদদের হঠকারিতা ও বর্বরতা সম্পর্কে জানা। পাকিস্তান সরকার তাদের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ঘৃণা থেকে বাঁচার জন্যই বারবার সত্যকে আড়াল করে তাদের দেশের মানুষকে বিভ্রান্ত করতে চাইছে। তারা তাদের দেশের চিহ্নিত ১৯৩ জন জঘন্য অপরাধীর বিচার করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল কিন্তু তা না করে তারা এই অপরাধীদের তাদের সমাজে ঠাঁই দিয়েছে। সমগ্র বিশ্ববাসীর পক্ষ থেকে তাই পাকিস্তানকে ধিক্কার জানাতে হবে।

বিপ্লব

ফরিদপুর।


মন্তব্য