kalerkantho

মঙ্গলবার । ৬ ডিসেম্বর ২০১৬। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৫ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


সার ও বিষ ব্যবহারে সচেতন হোন

৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



বর্ষাকাল প্রায় শেষ পর্যায়ে। ধানি জমিগুলোতে ধান লাগানোর সময়ও প্রায় হয়ে গেছে।

সাধারণত নিচু জমিগুলোতে প্রচুর পানি এখনো জমে আছে। এই জমে থাকা পানিতে প্রচুর পরিমাণ বিভিন্ন ধরনের দেশি মাছ হয়ে থাকে। এই মাছগুলো বেশির ভাগ ক্ষেত্রে একটু অমনোযোগিতার জন্য নষ্ট হয়ে যায়। ধান লাগানোর পর ধান যখন একটু বড় হয়ে যায় তখনই প্রয়োজন হয়ে পড়ে কীটনাশক এবং সার ব্যবহারের ও কৃষক না বুঝেই অনেক ক্ষেত্রে বেশি পরিমাণে সার ও বিষ ব্যবহার করে থাকে। অনেক সময়ই দেখা যায় সার ও বিষ প্রয়োগের ফলে মাছ মরে জমিতে ভেসে ওঠে। পানিতে নির্দিষ্ট পরিমাণ ডিও (DO-Dissolve Oxygen) না থাকলে মাছসহ বিভিন্ন জৈব জলজ প্রাণী বাঁচা সম্ভব নয়। ইউরিয়া, ফসফেট এবং নাইট্রোজেন সার বেশি ব্যবহার করার ফলে পানির ডিও কমে যায়, যা কি না মাছ বেঁচে থাকার অনুপযোগী পরিবেশ সৃষ্টির জন্য দায়ী। শুধু সারই নয়, এর সঙ্গে ব্যবহার করা হয় অধিক পরিমাণ কীটনাশক, যা মাছসহ সব ধরনের জলজ প্রাণীর জন্য ক্ষতিকর। একটু সচেতন হলেই বর্ষাকালের শেষের দিকের এই দেশি মাছগুলো বাঁচানো সম্ভব। পানি নেমে যাওয়ার আগে সার, বিষ দেওয়ায় সচেতন হলেই আমরা আরো বেশি দেশি মাছ পেতে পারি অথবা যদি মাছ ও ধানের সমন্বয় চাষ করা যায় তাতেও ভালো ফল আসতে পারে। এ জন্য পানি নেমে যাওয়ার সময় সার এবং বিষ ব্যবহারে সচেতনতা প্রয়োজন।

 

সাঈদ চৌধুরী

শ্রীপুর, গাজীপুর।


মন্তব্য