kalerkantho


‘বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়’ গণতন্ত্র!

২০ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের প্রথম ধাপে ৭৩২টি ইউনিয়নের মধ্যে ৬২টি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। দ্বিতীয় ধাপে ৬৪৭টি ইউনিয়নের মধ্যে ২৭ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। শুধু তা-ই নয়, অনেক জায়গায় সরকারি দলের প্রার্থীর বিরুদ্ধে অন্য প্রার্থীরা মনোনয়নপত্রই জমা দিতে পারেননি। গত সংসদ নির্বাচনেও বেশির ভাগ প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছিলেন। সম্প্রতি বিএনপির কাউন্সিলের আগেই দলের প্রধান দুটি পদেও বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচন হয়ে গেল। ভবিষ্যতে আওয়ামী লীগের কাউন্সিলেও আশা করি প্রধান পদগুলো বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়ই নির্বাচিত হবে। দেশের নির্বাচনী ব্যবস্থা এতটাই ভেঙে পড়েছে যে সবখানেই চলছে ‘বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতা’র নির্বাচন। নির্বাচনী ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার জন্য অনেকেই আমাদের নির্বাচন কমিশনকে দায়ী করছে।

কিন্তু দলীয় কাউন্সিলে ‘বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতা’য় নির্বাচনের জন্যও কি নির্বাচন কমিশনকেই দায়ী করা যাবে? এই ‘বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতা’য় নির্বাচন দেশ ও জাতির জন্য মহাবিপদ ডেকে আনতে পারে। দেশ, জাতি ও গণতন্ত্রের মঙ্গলের জন্যই সব দল ও রাজনীতিবিদের গণতান্ত্রিক আদর্শ মেনে চলা উচিত। গণতন্ত্রের দুর্বলতার সুযোগে যেকোনো অপশক্তি দেশের ক্ষতি করার সুযোগ নিতে পারে।

বিপ্লব, ফরিদপুর।

 


মন্তব্য