kalerkantho


সহকারী শিক্ষকদের গেজেট

১৪ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



২০১৪ সালের ২১ আগস্ট শিক্ষকদের নামে দ্বিতীয় শ্রেণির গেজেট প্রকাশ করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সেখানে ৩০০ জনেরও অধিক শিক্ষকের নাম বাদ পড়ে। বাদ পড়া শিক্ষকদের বিষয়ে কাজ করতে গিয়ে দেখলাম, শিক্ষকদের বিষয়ে মাউশি থেকে তাঁদের শিক্ষাগত যোগ্যতা সম্পর্কে ভুল তথ্য পাঠানো হয়েছে। এদিকে একই শিক্ষাগত যোগ্যতার কিছু শিক্ষকের নাম গেজেটে আছে, অনেকের আবার নেই। যেমন—সহকারী শিক্ষক (ট্রেড), শিক্ষাগত যোগ্যতা চাওয়া হয়েছিল তিন বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং এবং বেতন স্কেল দশম গ্রেড। তাঁদের মধ্যে বেশির ভাগই পরে স্নাতক/স্নাতকোত্তরসহ বিএড, এমএড করেছে। প্রত্যেক শিক্ষকের বিস্তারিত তথ্য প্রধান শিক্ষকের প্রত্যয়ন করে উপপরিচালকের মাধ্যমে মাউশিতে প্রেরণ করা হয়। প্রশ্ন হচ্ছে, মাউশি কেন তাঁদের শিক্ষাগত যোগ্যতা গোপন করে তাঁদের নামে শুধু ট্রেড শিক্ষক এবং জুনিয়র দেখিয়ে মন্ত্রণালয়ে তথ্য পাঠাবে? আবার কিছু জেনারেল শিক্ষককে ট্রেড শিক্ষক হিসেবে দেখানো হয়। অন্যদিকে ধর্মীয় শিক্ষকদের বেলায় ১৪৪ জন শিক্ষককে শুধু কামিল পাস দেখিয়ে তাঁদের অতিরিক্ত যোগ্যতা গোপন করা হয়। সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত পূর্বতন কৃষি শিক্ষকদের যোগদানকালীন পদবি ছিল ‘কৃষি শিক্ষক’ এবং বেতন স্কেল ছিল ১৪ নম্বর গ্রেড তথা জুনিয়র স্কেল। তাঁদের কৃষি শিক্ষক পদে যোগদানকে সহকারী শিক্ষক পদে যোগদান দেখিয়ে দশম গ্রেডের যোগদানকৃত সহকারী শিক্ষকদের মতো প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। অভিযোগ উঠেছে, মাউশির মাধ্যমিক স্তরের কিছু কর্মকর্তা ও শিক্ষক নেতা অসৎ উদ্দেশ্যে এ ধরনের কাজ করায় ৩০০ জনেরও বেশি শিক্ষকের নাম প্রথম প্রকাশিত গেজেটেড প্রজ্ঞাপনে বাদ পড়েছে। বিষয়টি শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে ভেবে দেখার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।

মো. মোফাজ্জল হোসেন

আহ্বায়ক

বাংলাদেশ সরকারি মাধ্যমিক সহকারী শিক্ষক সমিতি।


মন্তব্য