kalerkantho

ফেসবুক ইউটিউবে বিজ্ঞাপন

১৫ শতাংশ ভ্যাট কাটতে সব ব্যাংককে নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৬ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



১৫ শতাংশ ভ্যাট কাটতে সব ব্যাংককে নির্দেশ

ফেসবুক, ইউটিউবসহ বিভিন্ন মাধ্যমে বিজ্ঞাপন দিলে তার ওপর ১৫ শতাংশ ভ্যাট আদায়ের নিয়ম থাকলেও অনেক ক্ষেত্রে তা মানা হচ্ছে না। ব্যাংকগুলোকে পণ্যমূল্য পরিশোধের সময় সেবা গ্রহণকারীর কাছ থেকে এই ভ্যাট কেটে রাখার কথা, কিন্তু কোনো কোনো ব্যাংক তা কাটছে না বলে অভিযোগ পেয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এ বিষয়ে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিতে সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকে অনুরোধ জানানো হয়। সে আলোকে গত সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংক এক সার্কুলারের মাধ্যমে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে এই ভ্যাট কর্তনের বিষয়টি নিশ্চিত করতে নির্দেশনা দিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে ভৌগোলিক  সীমার বাইরে থেকে সেবা সরবরাহের ক্ষেত্রে সেবা গ্রহণকারীর কাছ থেকে ১৫ শতাংশ হারে মূসক (ভ্যাট) আদায় নিশ্চিত করতে হবে।

এদিকে অভিযোগ আছে, ব্যাংকিং চ্যানেলের বাইরে হুন্ডির মাধ্যমেও এসব সেবার অর্থ পরিশোধ হয়ে থাকে। এটা রোধে কোনো নির্দেশনা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সার্কুলারে উল্লেখ করা হয়নি। এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. সিরাজুল ইসলাম কালের কণ্ঠকে বলেন, এসব সেবার পণ্যমূল্য মাস্টার কার্ড, ভিসা কার্ড বা টিটিতে পরিশোধ করা হলে ব্যাংকগুলো এখন থেকে ১৫ শতাংশ ভ্যাট কর্তন করবে। কিন্তু ব্যাংকিং চ্যনেলের বিকল্প হুন্ডির মাধ্যমে এটা পরিশোধ করা হলে ভ্যাট কর্তন কোনোভাবেই সম্ভব নয়। তবে হুন্ডি লেনদেন কমাতে সচেতনতা বাড়ানোর বিকল্প নেই। 

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, মূল্য সংযোজন কর আইন-১৯৯১-এর ধারা ৩-এর উপধারা ৩-এর দফা (ঘ) অনুযায়ী, বাংলাদেশের ভৌগোলিক সীমার বাইরে থেকে (যেমন : রয়ালিটি, বিভিন্ন ইন্টারনেট সার্ভিস, ফেসবুক, ইউটিউবসহ সব মাধ্যমে বিজ্ঞাপন প্রচার ইত্যাদি) সরবরাহের ক্ষেত্রে সেবাগ্রহণকারীর কাছ থেকে ১৫ শতাংশ ভ্যাট আদায়যোগ্য।

নির্দেশনায় আরো বলা হয়, এসব সেবার বিপরীতে পণ্যমূল্য বাংলাদেশ ব্যাংক ও অন্যান্য ব্যাংকের মাধ্যমে পাঠানো হয়। কিন্তু কোনো কোনো ব্যাংক এ খাত থেকে ভ্যাট আদায় করছে না বলে এনবিআরকে অবহিত করা হয়েছে। এ অবস্থায় মাস্টার কার্ড, ভিসা কার্ড বা টিটি ব্যবহৃত হলেও অথবা যেকোনো মাধ্যমে পেমেন্ট হোক না কেন ১৫ শতাংশ হারে ভ্যাট কর্তনপূর্বক সরাসরি সরকারি ট্রেজারিতে জমা করা অতীব জরুরি। তাই সব ব্যাংককে এ খাত থেকে যথাযথ রাজস্ব আদায় নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয় অনুশাসন প্রদানের চন্য নির্দেশিত হয়ে অনুরোধ করা হলো।

 

মন্তব্য