kalerkantho


বিএনপি প্রার্থী মিলনসহ গ্রেপ্তার ১০০

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৪ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০০:০০



বিএনপি প্রার্থী মিলনসহ গ্রেপ্তার ১০০

নির্বাচনী প্রচারের চতুর্থ দিনেও দেশের বিভিন্ন স্থানে বিএনপি-জামায়াত এবং তাদের শরিক দলের নেতাকর্মীদের নামে ১১টি মামলা হয়েছে। এসব মামলায় প্রার্থীসহ আসামি করা হয়েছে প্রায় ৮০০ জনকে। এ ছাড়া নতুন ও পুরনো মামলায় গতকাল বৃহস্পতিবার গ্রেপ্তার করা হয়েছে বিএনপি-জামায়াতের প্রায় ১০০ নেতাকর্মীকে। তাদের মধ্যে গাজীপুর-৫ আসনের বিএনপি প্রার্থী ফজলুল হক মিলনও আছেন।

গতকাল বিভিন্ন স্থানে ধানের শীষের প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচারে হামলা ও বাধা দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। এর মধ্যে বোমা হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে যশোর-৩ আসনে বিএনপি প্রার্থীর সমাবেশস্থলে। হামলা হয়েছে বিএনপি নেতাকর্মীদের ঘরবাড়িতেও। এসব হামলায় আহত হয়েছে সাংবাদিকসহ অন্তত ২৭ জন। এ ছাড়া নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভায় বিএনপি প্রার্থীকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।

গাজীপুর-৫ আসনের বিএনপি প্রার্থী ফজলুল হক মিলনকে বর্তুল গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। গতকাল দুপুরে জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখার সদস্যরা তাঁকে গ্রেপ্তার করেন। জেলা পুলিশ সুপার শামসুন্নাহার জানান, ফজলুল হকের নামে সাতটি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে। তবে জেলা বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন সবুজের অভিযোগ, ফজলুল হক মিলন সব মামলায় জামিনে ছিলেন। কয়েক দিন আগে তাঁর ঢাকার বাসায় রাতে অভিযান চালায় পুলিশ। কিন্তু তিনি বাসায় না থাকায় গ্রেপ্তার করতে পারেনি। গ্রেপ্তার আতঙ্কে মিলন এত দিন এলাকায় আসেননি। গতকাল বর্তুল গ্রামের বাড়ি এলে পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে।

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয় আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভায় প্রশাসনের লোকজনের সামনে বিএনপি প্রার্থী আজহারুল মান্নানের ওপর হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সভায় উপস্থিত লোকজন জানায়, গতকাল বিকেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সম্মেলন কক্ষে আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে মতবিনিময়সভা ডাকা হয়। ইউএনও শাহীনুর ইসলামের সভাপতিত্বে সেখানে নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের আট প্রার্থী, তাঁদের প্রতিনিধি ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। সভা চলাকালীন হঠাৎ সেখানে প্রবেশ করে আজহারুল মান্নানের গলা চেপে ধরেন সোনারগাঁ পৌরসভা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রনি বিল্লাহ। পরে পুলিশ তাঁকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। আজহারুল মান্নানের অভিযোগ, ‘আমাকে গলা চেপে হত্যার উদ্দেশ্যেই এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে।’ ইউএনও শাহীনুর ইসলাম বলেন, ‘রনি হঠাৎ করে সম্মেলন কক্ষে প্রবেশ করে এ ঘটনা ঘটিয়েছেন।’

যশোর-৩ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী অনিন্দ্য ইসলাম অভিযোগ করেছেন, গতকাল দুই দফা তাঁর সমাবেশে হামলা চালানো হয়েছে। প্রথম হামলাটি হয় সদর উপজেলার হালসাবাজারে। এ হামলার জন্য স্থানীয় যুবলীগ নেতাকর্মীদের দায়ী করে অনিন্দ্য ইসলাম বলেন, ‘সকালে হালসাবাজারে একটি নির্বাচনী সমাবেশে আমার বক্তব্য দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেখানে যাওয়ার আগেই খবর পাই, সমাবেশস্থলে বোমা হামলা হয়েছে। সমাবেশস্থলে গিয়ে দেখি, সব কিছু লণ্ডভণ্ড।’

অনিন্দ্য ইসলাম অভিযোগ করেন, ‘বিকেলে যশোর শহরতলির মুড়লি এলাকায় আমার আরেকটি সমাবেশেও হামলা হয়। এ সময় দারোগা হাবিবের সামনেই যুবলীগ সন্ত্রাসী ট্যারা সুজন আমাকে ছুরিকাঘাতের চেষ্টা করে।’ প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ওই হামলায় চার সাংবাদিক ও বিএনপির নেতাকর্মীসহ ১১ জন আহত হয়েছে। আহত সাংবাদিকরা হলেন সময় টিভির প্রতিনিধি জুয়েল মৃধা, ক্যামেরা পারসন আবুল কালাম আজাদ, প্রথম আলোর  ফটো সাংবাদিক এহসান মিথুন ও দৈনিক লোকসমাজের ফটো সাংবাদিক এম আর মিলন।

হামলা হয়েছে যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলায়ও। অভিযোগ অনুযায়ী, সেখানে বিএনপির কার্যালয়ে জরুরি এক সভা চলাকালে ১০ থেকে ১৫ জন লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চালায়।

পাবনা-১ (সাঁথিয়া ও বেড়া আংশিক) আসনে ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী অধ্যাপক আবু সাইয়িদের গাড়িতে হামলা চালানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছে চারজন। অভিযোগ অনুযায়ী, গতকাল সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আবু সাইয়িদ নির্বাচনী প্রচারণার উদ্দেশ্যে সাঁথিয়া বাজারের শিমুলতলা মোড়ে পৌঁছালে দুর্বৃত্তরা তাঁর গাড়িতে হামলা চালায়। হামলা থেকে বাঁচতে তিনি দ্রুত সাঁথিয়া থানায় গিয়ে আশ্রয় নেন।

বরিশালের গৌরনদী উপজেলা, পৌর বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের ১০ নেতাকর্মীর বাড়িতেও হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত বুধবার দিবাগত রাত ১২টা থেকে সাড়ে ৩টার মধ্যে এসব হামলা হয়। হামলাকারীরা বিএনপির নেতাকর্মীদের গালিগালাজের পাশাপাশি বিভিন্ন হুমকি-ধমকি দেয়। গৌরনদী মডেল থানার ওসি গোলাম সরোয়ার জানান, এ নিয়ে থানায় কেউ অভিযোগ করেনি।

ঝালকাঠি-২ (সদর ও নলছিটি) আসনের বিএনপির প্রার্থী জীবা আমিনা খান ও তাঁর নেতাকর্মীদের তিনটি গাড়িতে ভাঙচুর চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এ সময় নেতাকর্মীদের কাছ থেকে ধানের শীষের পোস্টারও ছিনিয়ে নেওয়া হয়; করা হয় মারধর। গতকাল সকাল সাড়ে ১০টার দিকে শহরের বিশ্বরোড ও রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ের সামনের সড়কে এ ঘটনা ঘটে।

নাটোর-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী আব্দুল আজিজকে গণসংযোগে বাধা দেওয়ার পাশাপাশি তাঁর গাড়ির চাবি কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল দুপুরে বড়াইগ্রাম উপজেলার জোনাইল ইউনিয়নের চামটা বাগবাচ্চাপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। সেখানে কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে একজনের জানাজায় অংশ নিতে গিয়েছিলেন আব্দুল আজিজ। তাঁর অভিযোগ, আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা এ ঘটনা ঘটিয়েছে। অন্যদিকে পৃথক এক ঘটনায় উপজেলার বাগডোব বাজারে বিএনপির দুই কর্মীকে মারধর করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

নারায়ণগঞ্জ-২ (আড়াইহাজার) আসনে বিএনপির প্রার্থী নজরুল ইলসাম আজাদের গাড়িবহরে হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল দুপুরে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের পুরিন্দা এলাকায় এ হামলা হয়। হামলায় নজরুল ইসলাম আজাদের তিন সমর্থক আহত হয়েছে। এর আগের দিনও তাঁর গাড়িবহরে হামলা হয়েছিল।

নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণায় বাধা দেওয়ার অভিযোগ তুলে গতকাল সংবাদ সম্মেলন করেছেন বাগেরহাট-২ (বাগেরহাট সদর ও কচুয়া) আসনের বিএনপির প্রার্থী এম এ সালাম। তাঁর অভিযোগ, হামলা-মামলা, অত্যাচার-নির্যাতনে দলের নেতাকর্মীরা জর্জরিত। এসব বিষয়ে জেলা রিটার্নিং অফিসারের কাছে অভিযোগ করা হয়েছে। কিন্তু এখনো ফল পাওয়া যায়নি।

সুনামগঞ্জ-১ (ধর্মপাশা-জামালগঞ্জ-তাহিরপুর) আসনের ধর্মপাশায় বিএনপির একটি নির্বাচনী কার্যালয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা দখল করে নিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

বিশেষ ক্ষমতা ও বিস্ফোরক আইনে ঝিনাইদহ-৩ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী ও জামায়াত নেতা মতিয়ার রহমানসহ ৪৩ জনের নামে মামলা হয়েছে। গত বুধবার রাতে সদর থানায় দায়ের হওয়া এ মামলায় পুলিশ গতকাল চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

ময়মনসিংহের ফুলপুরে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির নেতাকর্মীদের ধাওয়াধাওয়ির ঘটনায় মামলা করেছেন শ্রমিক লীগ নেতা এ টি এম নোমান। এতে ৩০০ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাতপরিচয় এক হাজার ৩০০ জনকে আসামি করা হয়েছে। এ মামলায় পুলিশ এরই মধ্যে সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ায় উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আশিকুল হক আশিকসহ দলের ৫২ নেতাকর্মীর নামে মামলা হয়েছে। গত বুধবার রাতে মামলাটি করেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা আবু তাহের। এদিকে গতকাল উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে পুলিশ বিএনপির চার নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে।

দোহারে বিএনপির ১৬৩ নেতাকর্মীর নামে মামলা করেছেন আওয়ামী লীগের দুই নেতা। পুলিশ জানায়, গত বুধবার বিকেলে বিএনপির মিছিল শেষে মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগ ও নাশকতার অভিযোগে পৃথকভাবে মামলা দুটি দায়ের করেন দোহারের বিলাসপুর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি রাশেদ চোকদার ও পৌরসভা ৫ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি ওয়াসিম চোকদার। এসব মামলায় বিএনপির ১৮ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

রাজশাহীর তানোরে নাশকতার মামলায় উপজেলা জামায়াতের আমির সিরাজুল ইসলাম (৫২) ও তানোর উপজেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি জুয়েল আহম্মদকে (৩২) পুলিশ গতকাল গ্রেপ্তার করেছে। এ ছাড়া দুর্গাপুরে গ্রেপ্তার করা হয়েছে জামায়াত ইসলামের চার কর্মীকে।

গাজীপুর জেলা বিএনপির সহসভাপতি হুমায়ূন কবির সরকার ও শ্রীপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আবদুল মোতালেবকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। গত বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে শ্রীপুর পৌর এলাকার ভাংনাহাটি গ্রামের নিজ নিজ বাসা থেকে নাশকতার মামলায় তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।

বিশেষ ক্ষমতা ও বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের এক মামলায় পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলায় বিএনপির আরো ১২ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ ও উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান এনামুল ইসলাম লিটু মামলটি করেন। ওই মামলায় এ নিয়ে ৩২ জনকে গ্রেপ্তার করা হলো।

নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার মাস্কা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতিসহ ৭৯ নেতাকর্মীর নামে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা হয়েছে। এ মামলায় ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জহিরুল ইসলাম ভূঁইয়া স্বপনসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

ফরিদপুরের তিনটি উপজেলা থেকে বিএনপি ও জামায়াতের ১৭ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত বুধবার ও গতকাল বৃহস্পতিবার ফরিদপুর শহর, নগরকান্দা ও বোয়ালমারী উপজেলা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

মৌলভীবাজার-৩ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী ও জেলা বিএনপির সভাপতি এম নাসের রহমান গতকাল সংবাদ সম্মেলন করে অভিযোগ করেছেন, গায়েবি মামলায় তাঁর নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার ও হয়রানি করা হচ্ছে। পুলিশও নানাভাবে হুমকি-ধমকি দিচ্ছে।

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার চানন্দী ইউনিয়নের দরবেশ বাজারে ধানের শীষের প্রার্থী ফজলুল আজিমের গাড়িবহরে আওয়ামী লীগের লোকজন হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এর আগে স্থানীয় আলআমিন বাজারে স্থানীয় আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে ভাঙচুর চালায় বিএনপি সমর্থকরা। এ ঘটনায় আওয়ামী লীগ ও বিএনপির লোকজনের সংঘর্ষে ১৫ জন আহত হয়।

বাগেরহাট-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী মাসুদ রানার উঠান বৈঠকে হামলার অভিযোগ উঠেছে। তাতে আহত হয়েছে ১০ জন। হামলার জন্য যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের দায়ী করেছেন মাসুদ রানা। তবে চিতলমারী উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বাবুল হোসেন খান দাবি করেন, বিএনপির দুই দলের কোন্দলে এ ঘটনা ঘটেছে।

নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয় ভাঙচুর করেছে দুর্বৃত্তরা। গতকাল রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলা সদরের মধ্যবাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় ও দলীয় সূত্রে জানা গেছে, একই দিন রাত সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার বাউসাম বাজারে খারনৈ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও খারনৈ ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল হকের রাজনৈতিক কার্যালয় ভাঙচুর করা হয়।

[প্রতিবেদনটি তৈরিতে সহায়তা করেছে—বরিশাল ও যশোর অফিস; গাজীপুর, মৌলভীবাজার ও ফরিদপুর থেকে নিজস্ব প্রতিবেদক; পাবনা ও গাজীপুর থেকে আঞ্চলিক প্রতিনিধি এবং ঝালকাঠি, নারায়ণগঞ্জ, ঝিনাইদহ, হাওরাঞ্চল, নাটোর, বাগেরহাট, নোয়াখালী, ঝিকরগাছা (যশোর), সোনারগাঁ (নারায়ণগঞ্জ), ফুলপুর (ময়মনসিংহ), ফুলবাড়িয়া, (ময়মনসিংহ) দোহার-নবাবগঞ্জ (ঢাকা), তানোর (রাজশাহী), দুর্গাপুর (রাজশাহী), রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী) ও কেন্দুয়া (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি]



মন্তব্য