kalerkantho


৫ আসনে জয় চায় আ. লীগ ছাড় দিতে নারাজ জাপা

অমিতাভ দাশ হিমুন, গাইবান্ধা    

১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০



৫ আসনে জয় চায় আ. লীগ ছাড় দিতে নারাজ জাপা

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে গাইবান্ধা জেলায় নির্বাচনী উত্তাপ তত বাড়ছে। জেলার পাঁচটি আসনেই আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থীর সংখ্যাধিক্য ও প্রচারণা বেশি দেখা গেলেও বিএনপি, জাতীয় পার্টির সম্ভাব্য প্রার্থীরাও নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। অন্য দলগুলোর মধ্যে জাসদ, জাতীয় পার্টি (জাফর), ওয়ার্কার্স পার্টি, সিপিবির মনোনয়নপ্রত্যাশীরাও বসে নেই। উচ্চ আদালতে জামায়াতে ইসলামীর দলীয় প্রতীক বাতিল হলেও পাঁচটি  আসনেই তারা স্বতন্ত্র প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেবে বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে। জোটগত নির্বাচনেও তারা অংশ নিতে পারে। 

আওয়ামী লীগ

গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে বিজয়ী হন আওয়ামী লীগ প্রার্থী মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন। আততায়ীর হাতে তিনি নিহত হলে উপনির্বাচনে বিজয়ী হন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী গোলাম মোস্তফা আহমেদ। দুর্ঘটনায় তাঁর মৃত্যু হলে আবারও উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে জাপা প্রার্থী ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী এমপি নির্বাচিত হন।

এ আসনে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের অন্তত হাফ ডজন সম্ভাব্য প্রার্থী দলের মনোনয়ন পেতে জেলা ও কেন্দ্রীয় পর্যায়ে দৌড়ঝাঁপ করছেন। আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের মধ্যে রয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক নিহত সংসদ সদস্য মঞ্জুরুল ইসলাম লিটনের বড় বোন আফরোজা বারী, লিটনের স্ত্রী জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক খুরশীদ জাহান স্মৃতি। এ ছাড়া পৌর মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ আল মামুন, জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি সৈয়দা মাসুদা খাজা, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক সাজেদুল ইসলাম, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল আলম রেজা ও সুন্দরগঞ্জ ডিডাব্লিউ ডিগ্রি কলেজের উপাধ্যক্ষ দলের সাবেক উপজেলা সহসভাপতি আব্দুল হান্নান এবং জেলা পরিষদ সদস্য এমদাদুল হক নাদিম।

উপনির্বাচনে পরাজিত হলেও এ আসনে আফরোজা বারীকে কেন্দ্র করেই সর্বস্তরের আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ভোটযুদ্ধে নামবে বলে জানা গেছে। সাজেদুল হক বলেন, কেন্দ্র যাঁকে মনোনয়ন দেবে তাঁর পক্ষেই নৌকা নিয়ে দলীয় নেতাকর্মীরা মাঠে নামবে।

গাইবান্ধা-২ (সদর) আসনে বর্তমানে জাতীয় সংসদের হুইপ মাহাবুব আরা বেগম গিনি এমপি। নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি মহাজোট প্রার্থী হিসেবে বিএনপি প্রার্থী নৌবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কমোডর শফিকুর রহমানকে পরাজিত করেন। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ও জাতীয় পার্টি অংশ না নেওয়ায় সেবার তিনি সহজ বিজয় পান। এ আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশী হিসেবে মাহাবুব আরা বেগম গিনি এগিয়ে রয়েছেন। তিনি জনসংযোগও অব্যাহত রেখেছেন। এ ছাড়া আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশী হিসেবে অন্য যাঁরা নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন তাঁরা হলেন—জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ শামছুল আলম হীরু, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিক, জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ফরহাদ আব্দুল্লাহ হারুন বাবলু। এ ছাড়া জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পিয়ারুল ইসলাম, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আমিনুর জামান রিংকু, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য শাহ সারোয়ার কবীরও এবার মনোনয়নপ্রত্যাশী।

গাইবান্ধা-৩ (পলাশবাড়ী-সাদুল্যাপুর) আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশী এবার অনেক বেশি। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পলাশবাড়ী ও সাদুল্যাপুর উপজেলায় ব্যাপক সহিংসতা, সন্ত্রাস ও নাশকতার ঘটনা ঘটে। এ আসনে আওয়ামী লীগ অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় অনেক ভালো অবস্থানে আছে। বর্তমান সংসদ সদস্য ডা. ইউনুস আলী সরকার সাদুল্যাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি। সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি উম্মে কুলছুম স্মৃতি পলাশবাড়ীর বাসিন্দা। এই দুই সংসদ সদস্য ছাড়াও এক ডজনেরও বেশি সম্ভাব্য প্রার্থী এ আসন থেকে মনোনয়নপ্রত্যাশী। তাঁরা হচ্ছেন—পলাশবাড়ী উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আবু বকর প্রধান, সিনিয়র সহসভাপতি সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এ কে এম মোকছেদ চৌধুরী বিদ্যুৎ, ঢাকা শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সাবেক পরিচালক ডা. শাহ ইয়াকুব উল আজাদ, উপজেলা যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোলাম সরোয়ার প্রধান বিপ্লব, সাংগঠনিক সম্পাদক ফিরোজ কবীর সুমন, সাদুল্যাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহারিয়ার খান বিপ্লব, উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা আজিজার রহমান বিএসসি।

পলাশবাড়ী  উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক উপাধ্যক্ষ শামিকুল ইসলাম লিপন বলেন, বড় দলে মনোনয়নপ্রত্যাশীর সংখ্যা বেশি হওয়াই স্বাভাবিক। দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনা যাঁকে মনোনয়ন দেবেন দলের নেতাকর্মীরা তাঁর পক্ষেই কাজ করবে।

গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) আসনটি একসময় জাতীয় পার্টির দখলে ছিল। দশম সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ এ আসনে বিজয়ী হন। বর্তমানে তিনি আওয়ামী লীগের উপজেলা সভাপতি। তিনি ছাড়া অন্য যাঁদের নাম মনোনয়নপ্রত্যাশী হিসেবে শোনা যাচ্ছে তাঁরা হলেন—সাবেক সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মনোয়ার হোসেন চৌধুরী, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পৌর মেয়র আতাউর রহমান সরকার, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল লতিফ প্রধান, স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় পাট ও বস্ত্র বিষয়ক সম্পাদক নাজমুল ইসলাম লিটন। এ আসনে পুরোদমে চলছে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের নির্বাচনী প্রচারণা। তাঁরা গ্রামে-গঞ্জে সাধারণ মানুষের কাছে যাচ্ছেন। তাঁদের খোঁজ-খবর নিচ্ছেন। পাশাপাশি তৃণমূল নেতাকর্মীদেরও কাছে টানার চেষ্টা করছেন।

গাইবান্ধা-৫ (সাঘাটা-ফুলছড়ি) আসনটির বেশির ভাগ এলাকা নদীবেষ্টিত চরাঞ্চল। এ আসনটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠার কারণ আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য, জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বী মিয়া। ছয়বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। এলাকায় সদালাপী ও নিরহংকারী মানুষ হিসেবে তাঁর সুনাম রয়েছে। ফলে তাঁর বাইরে এ আসনে তেমন কোনো মনোনয়নপ্রত্যাশী নেই। তবে দলের তরুণ নেতা ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সভাপতি মাহমুদ হাসান রিপনও এই আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশী। জনসম্পৃক্ততা, জনসেবা ও উন্নয়নমূলক তৎপরতায় তিনিও সক্রিয়।

জাতীয় পার্টি

গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনটি একসময় জাতীয় পার্টির দুর্গ হিসেবে পরিচিত ছিল। বর্তমানে এ আসনের সংসদ সদস্য জাপা চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের আইন ও বিচার বিষয়ক উপদেষ্টা এবং সংগঠনের উপজেলা সভাপতি ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী। এ আসনে ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী দলের একমাত্র মনোনয়নপ্রত্যাশী।

গাইবান্ধা-২ (সদর) আসনটিতে জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য এবং জেলা সভাপতি আব্দুর রশিদ সরকার পরপর দুইবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০১৪ সালের নির্বাচনে তিনি মনোনয়নপত্র দাখিল করার পরও দলের  চেয়ারম্যান এরশাদের নির্দেশে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেন। একাদশ সংসদ নির্বাচনে তিনি দলীয় মনোনয়ন পাবেন এটা নিশ্চিত। দলটি এবার এ আসনটি ছাড় দিতে রাজি নয়। আব্দুর রশিদ সরকার বলেন, ‘আর ছাড় নয়। গাইবান্ধার ছেড়ে দেওয়া আসনগুলো এবার পুনরুদ্ধার করতে চাই।’

গাইবান্ধা-৩ (পলাশবাড়ী-সাদুল্যাপুর) আসনটি একাদশ সংসদ নির্বাচনে পুনরুদ্ধার করতে চায় জাতীয় পার্টি। তাই ইতিমধ্যে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছে দলটি। পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ এ আসনে দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও রাজনৈতিক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার দিলারা খন্দকার শিল্পীকে মনোনয়ন দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন। দিলারা খন্দকার বর্তমানে প্রচারণায় নির্বাচনী এলাকা চষে বেড়াচ্ছেন।

গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) আসনটিতে একসময় জাপার লুৎফর রহমান চৌধুরী পরপর তিনবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। লুৎফর রহমান চৌধুরী বর্তমানে আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর নেতৃত্বাধীন জেপিতে। বর্তমানে দলের হাল ধরে আছেন উপজেলা আহ্বায়ক মো. মশিউর রহমান। তিনি ঘর গোছানোর কাজ শুরু করেন। তাঁরা হারানো আসনটি ফিরে পেতে চান।

গাইবান্ধা-৫ (ফুলছড়ি-সাঘাটা) আসনটি ১৯৮৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত পাঁচবার জাতীয় পার্টির দখলে ছিল। প্রথম চারবার অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বী মিয়া এবং পঞ্চমবার বেগম রওশন এরশাদ বিজয়ী হন। দলের চেয়ারম্যান এ আসনে সাঘাটা উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির পরিবার পরিকল্পনা ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক এবং সাঘাটা উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট এ এইচ এম গোলাম শহীদ রঞ্জুর নাম ইতিমধ্যে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেছেন।

বিএনপি

গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনে বিএনপি কখনোই শক্তিশালী অবস্থানে ছিল না। বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীরা দলীয় পর্যায়ে তৎপরতা শুরু করেছেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন জেলা সহসভাপতি অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম এবং বর্তমান উপজেলা সভাপতি মোজাহারুল ইসলাম।

গাইবান্ধা-২ (সদর) আসনে মনোনয়নদৌড়ে রয়েছেন সাবেক জেলা সভাপতি ও কেন্দ্রীয় গ্রাম সরকার বিষয়ক সম্পাদক আনিসুজ্জামান খান বাবু, জেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি খন্দকার আহাদ আহমেদ, জেলা সাধারণ সম্পাদক মাহামুদুন্নবী টিটুল, সাবেক সংসদ সদস্য সাইফুল আলম সাজা, সাবেক সভাপতি শেখ সামাদ আজাদ। 

গাইবান্ধা-৩ (পলাশবাড়ী-সাদুল্যাপুর) আসনে বিএনপির অন্যতম মনোনয়নপ্রত্যাশী জেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক ডা. মইনুল হাসান সাদিক। এ ছাড়া এ আসনে পলাশবাড়ী থানা বিএনপির সভাপতি শাহ আলম সরকার, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক নেতা ড. মাসুম মিজান, অ্যাডভোকেট ফরহাদ হোসেন নিয়ন মনোনয়নপ্রত্যাশী।

গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের মধ্যে রয়েছেন—শামীম কায়সার লিংকন, ফারুক কবির আহমেদ, অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম প্রমুখ।

গাইবান্ধা-৫ (সাঘাটা- ফুলছড়ি) আসনে একাদশ সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে সাঘাটা উপজেলা বিএনপির উপদেষ্টা রাহিদুল ইসলাম রাহী, হাছান আলী, বর্তমানে দলের সাঘাটা উপজেলা সভাপতি মোহাম্মদ আলী, সাবেক ছাত্রদল নেতা ময়নুল হোসেন শামীমের নাম শোনা যাচ্ছে।

জামায়াতে ইসলামী

গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনে জামায়াতের প্রার্থী হিসেবে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান মো. মাজেদুর রহমান, গাইবান্ধা- ২ (সদর) আসনে জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আব্দুল করিম, গাইবান্ধা-৩ (সাদুল্যাপুর-পলাশবাড়ী) আসনে জামায়াতের জেলা সুরা সদস্য পলাশবাড়ী উপজেলা চেয়ারম্যান আবুল কাওছার নজরুল ইসলাম লেবু, গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) আসনে জামায়াত জেলা সভাপতি ডা. আব্দুর রহিম সরকারের নাম শোনা যাচ্ছে।

অন্যান্য দল

গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনে সিপিবির উপজেলা সভাপতি নুরে আলম মানিক এবং জাসদের অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী নির্বাচনে প্রার্থী হবেন বলে জানা গেছে। গাইবান্ধা-২ (সদর) সিপিবি কেন্দ্রীয় কমিটির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও জেলা সভাপতি মিহির ঘোষ দলীয় প্রার্থী। জেলা জাসদের পক্ষে দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও জেলা সাধারণ সম্পাদক গোলাম মারুফ মনা এবারের নির্বাচনে মনোনয়নপ্রত্যাশী। গাইবান্ধা-৩ (সাদুল্যাপুর- পলাশবাড়ী) আসনে জাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা এস এম খাদেমুল ইসলাম খুদি মনোনয়নপ্রত্যাশী। গাইবান্ধা-৫ (সাঘাটা- ফুলছড়ি) ওয়ার্কার্স পার্টির পলিটব্যুরো সদস্য মো. আমিনুল ইসলাম গোলাপ, কেন্দ্রীয় জাসদের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য ডা. একরাম হোসেন ও সিপিবির সাঘাটা উপজেলা সাধারণ সম্পাদক যজ্ঞেশ্বর বর্মণ নির্বাচনী প্রচারণায় তৎপর রয়েছেন।

উন্নয়ন মানুষের হৃদয় জয় করেছে

আমরা নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত



মন্তব্য