kalerkantho


লালমনিরহাট

সবাই নৌকার হয়ে কাজ করছি

মতিয়ার রহমান
সাধারণ সম্পাদক, জেলা আওয়ামী লীগ

১৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০



সবাই নৌকার হয়ে কাজ করছি

কালের কণ্ঠ : একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে আপনাদের দলীয় প্রস্তুতি কেমন?

মতিয়ার : আমাদের প্রস্তুতি এমন পর্যায়ে, জেলার তিনটি আসনই আমাদের। ওয়ার্ড, ইউনিয়ন, কেন্দ্র কমিটিসহ পোলিং এজেন্টদের আমরা ইতিমধ্যে প্রশিক্ষণ দিয়েছি নির্বাচনী কাজের জন্য। এর বাইরে জেলায় দলীয় নেতাকর্মী, সমর্থকসহ সাধারণ মানুষের কাছেও আমরা যাচ্ছি নিয়মিত।

কালের কণ্ঠ : আওয়ামী লীগের জনপ্রিয়তা বেড়েছে বলে মনে করেন কি না?

মতিয়ার : অবশ্যই বেড়েছে। এর প্রধান কারণ, ব্যাপক উন্নয়ন।

কালের কণ্ঠ : জাপার সঙ্গে জোটগত নির্বাচন হলে আপনাদের আসন ছেড়ে দিতে হয়। এবারও কি তাই হচ্ছে?

মতিয়ার : এটি কেন্দ্রীয় বিষয়। এ নিয়ে মন্তব্য করা কঠিন। তবে আমি মনে করি লালমনিরহাট-১ আসনে আওয়ামী লীগের মোতাহার হোসেন, লালমনিরহাট-২ আসনে নুরুজ্জামান আহমেদের বিকল্প নেই। কারণ এই দুই আসনে জাপার প্রার্থী দিয়ে জিতে আসা সম্ভব নয়। আর লালমনিরহাট-৩ আসনে জোটের প্রার্থী জি এম কাদেরকে দিয়েও জেতা কঠিন। সেখানে এরশাদ প্রার্থী হলে জেতা সম্ভব।

কালের কণ্ঠ : এই জেলায় আওয়ামী লীগের জন্য বিএনপি, জাতীয় পার্টি কিংবা জামায়াত কি ফ্যাক্টর?

মতিয়ার : না। এই দলগুলো এখন আর আওয়ামী লীগের জন্য কোনো ফ্যাক্টর নয়।

কালের কণ্ঠ : লালমনিরহাটের ভোটারদের সামনে কোন কোন উন্নয়ন তুলে ধরবেন?

মতিয়ার : উন্নয়ন তো অনেক। তার পরও লালমনিরহাট-বুড়িমারী রেলপথ উন্নয়নসহ স্টেশন ভবন নির্মাণ, তিস্তা ও ধরলার ওপর তিনটি বড় বড় সেতু নির্মাণ, লালমনিরহাট সরকারি কলেজে ১২টি বিষয়ে অনার্সসহ মাস্টার্স কোর্স চালু, একাডেমিক ভবন নির্মাণ, ছাত্র ও ছাত্রীদের জন্য হোস্টেল নির্মাণ, পিটিআই, নার্সিং ইনস্টিটিউটসহ আরো অনেক উন্নয়ন হয়েছে বর্তমান সরকারের আমলে। ফলে আমরা এসবই তুলে ধরব সাধারণ মানুষের মাঝে।

কালের কণ্ঠ : এই জেলায় বেশ কিছু স্থানে আওয়ামী লীগে দ্বন্দ্ব-কোন্দল আছে। নির্বাচনের আগে তা মিটবে কি?

মতিয়ার : আমরা সবাই এক। জেলার কোথাও দ্বন্দ্ব-কোন্দল নেই। কোথাও কোথাও কারো কারো সঙ্গে সামান্য ভুল-বোঝাবুঝি থাকলেও তা নির্বাচনে প্রভাব ফেলবে না। আমরা সবাই একসঙ্গে নৌকা প্রতীকের হয়ে কাজ করছি। 

কালের কণ্ঠ : আপনি তো এবারও মনোনয়ন চাইবেন। কেন আপনাকে মনোনয়ন দেওয়া উচিত?

মতিয়ার : এর আগেও আমি মনোনয়ন চেয়েছি। এবারও চাইব। আমি ছাত্রাবস্থা থেকে রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। এই জেলায় নেতাকর্মীরা বিপদে-আপদে সবার আগে আমাকেই পায়। এ ছাড়া দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে দলের জন্য আমার অনেক ত্যাগ রয়েছে। 

কালের কণ্ঠ : জেলার তিনটি আসনে দলীয় মনোনয়নের বিষয়ে কোনো নির্দেশনা পাওয়া গেছে?

মতিয়ার : না। এখন পর্যন্ত কোনো নির্দেশনা পাওয়া যায়নি। তবে আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, একক বা জোটগত যেভাবেই নির্বাচন হোক, লালমনিরহাট-১ আসনে বর্তমান সংসদ সদস্য মোতাহার হোসেন, লালমনিরহাট-২ আসনে সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদের বিকল্প নেই।

কালের কণ্ঠ : অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে, বিএনপির গণসংযোগে পুলিশ ও আওয়ামী লীগ কৌশলে বাধা দিচ্ছে...

মতিয়ার : এ ধরনের অভিযোগ সম্পূর্ণ বানোয়াট। উল্টো ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত আমার বিরুদ্ধে নানা ধরনের ৬৭টি মিথ্যা মামলা দিয়েছে বিএনপি। মামলায় জড়ানো হয়েছিল অন্য নেতাকর্মীদেরও। অথচ এ পর্যন্ত আসাদুল হাবিব দুলুর বিরুদ্ধে একটি মামলাও হয়নি।



মন্তব্য