kalerkantho


চট্টগ্রামে ১২ আসনেই এমপি-তৃণমূল দূরত্ব আওয়ামী লীগে

নূপুর দেব, চট্টগ্রাম   

৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০



চট্টগ্রামে ১২ আসনেই এমপি-তৃণমূল দূরত্ব আওয়ামী লীগে

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে, ততই বন্দরনগরী চট্টগ্রামের রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা সমীকরণ চলছে। স্ব-স্ব দলের সাংগঠনিক অবস্থা ও আসনগুলোতে কারা দলীয় মনোনয়ন পাচ্ছেন—তা নিয়ে আলোচনার শেষ নেই। এখন পর্যন্ত দলগুলোর নেতাদের মধ্যে প্রকাশ্যে কোনো বিরোধ দেখা না গেলেও মনোনয়ন পাওয়া নিয়ে কমবেশি সবাই চিন্তিত, উদ্বিগ্ন। কয়েকটি আসনে প্রধান দুই দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মনোনয়ন-প্রত্যাশীদের তুলনায় তাঁদের জোটের শরিক দলের মনোনয়নপ্রত্যাশীরা জাতীয় রাজনীতির কারণে কিছুটা সুবিধাজনক অবস্থায় রয়েছেন।

আওয়ামী লীগের বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, দলের তিন সাংগঠনিক কমিটিতে (নগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা) নেতাদের মধ্যে প্রকাশ্য বিরোধ না থাকলেও ১৬টি আসনের মধ্যে ১২টিতেই নিজ দল ও জোটের শরিক দলের সংসদ সদস্যদের সঙ্গে তৃণমূল নেতাকর্মীদের দূরত্ব রয়েছে। ভেতরে ভেতরে নেতাদের মধ্যে বিরোধ ও দলাদলি রয়েছে। এ কারণে একেকটি আসনে আওয়ামী লীগের পাঁচ থেকে ছয়জন করে মনোনয়নপ্রত্যাশী রয়েছেন। নেতারা জানান, চট্টগ্রাম মহানগর ও জেলা মিলে ১৬টি সংসদীয় আসন রয়েছে। এসব আসনের মধ্যে গত প্রায় পাঁচ বছরে বিভিন্ন বিষয়ে ‘বিতর্কের’ জন্ম দেওয়া ও ‘দল ও জনবিচ্ছিন্ন’ সংসদ সদস্যদের এবার মনোনয়ন না পাওয়ারই সম্ভাবনা। কয়েকটি আসনে এবার নতুন মুখ আসতে পারে।

অন্যদিকে চট্টগ্রামকে বিএনপি তাদের দুর্গ মনে করলেও বর্তমান সরকারের আমলে তারা রাজপথে দাঁড়াতেই পারেনি। মামলা-মোকদ্দমা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে, সরকারের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ বারবার তোলা হলেও জ্যেষ্ঠ নেতাদের একসঙ্গে কোনো কর্মসূচিতে দেখা যায়নি। কোন্দল আছে কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতাদের মধ্যে, তবে তা প্রকাশ্য নয়। নিয়মিত কমিটি না থাকায় বেশির ভাগ এলাকায় সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে স্থবিরতা বিরাজ করছে। কিছু আসনে নতুন মুখ আসতে পারে। তবে পুরনোদের (সাবেক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, সংসদ সদস্য) বেশির ভাগই মনোনয়ন পেতে পারেন।

জাতীয় পার্টিসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেতারাও বসে নেই। ‘ছোট’ দলগুলোতে সংগঠন গোছানোর চেয়ে নেতাদের বেশি চিন্তিত মনোনয়ন পাওয়া নিয়ে। কয়েকটি এলাকায় একাধিক ভিআইপি নেতা রয়েছেন। ‘বড়’ দলের জোট-মহাজোটে থেকে কাকে পেছনে ফেলে মনোনয়ন দৌড়ে এগিয়ে যাবেন, তা নিয়ে দৌড়ঝাঁপ চলছে। নির্বাচন কমিশন থেকে নিবন্ধন হারানো জামায়াতে ইসলামীর নেতারা স্বতন্ত্র হিসেবে নির্বাচন করতে পারেন চার থেকে ছয়টি আসনে।

আওয়ামী লীগ

এই সময়ে মনোনয়নপ্রত্যাশী নেতাদের মধ্যে দূরত্ব ক্রমেই বাড়ছে। মিরসরাই, আনোয়ারা, রাউজান, রাঙ্গুনিয়া ছাড়া অন্য ১২টি আসনেই দলীয় নেতাকর্মীরা একাধিক গ্রুপ-উপগ্রুপে বিভক্ত। এতে এই ১২ আসনের কয়েকজন এমপির সঙ্গে তৃণমূলের বড় ধরনের দূরত্ব রয়েছে। বিভিন্ন সময়ে ওই এমপিদের কারণে দল ও সরকার বিব্রত হয়েছে।

নেতারা জানান, ‘বিতর্কিত এমপিরা’ শুধু দল নয়, জনগণ থেকেও অনেকটাই ‘বিচ্ছিন্ন’ হয়ে পড়েছেন। কেন্দ্রীয় নেতাদের উপস্থিতিতে বিভিন্ন সভা-সমাবেশে এই এমপিদের বিষয়ে তৃণমূল নেতারা প্রকাশ্য অভিযোগ করেছেন। এসব নেতার অনেকে এবার মনোনয়ন না পাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছেন। এ ছাড়া দলের বাইরেও জোট শরিকদের দেওয়া আসনগুলোতেও আওয়ামী লীগের তৃণমূলের সঙ্গে বিভিন্ন ইস্যুতে দূরুত্ব রয়েছে। আলোচনায় আছে, শরিক দলের কোনো কোনো এমপি এবার আর মনোনয়ন পাবেন না।

নেতারা জানান, সাতকানিয়া-লোহাগাড়া, বাঁশখালী, সীতাকুণ্ড, চন্দনাইশ, বন্দর-পতেঙ্গা, পটিয়া, হাটহাজারী, সন্দ্বীপ, কোতোয়ালি, ফটিকছড়ি, ডবলমুরিং, বোয়ালখালী এলাকাগুলোর আসনে আওয়ামী লীগের একাধিক পক্ষ সক্রিয়। নেতাদের আলাদা-আলাদা কর্মসূচির কারণে তৃণমূলও বিভক্ত। এর মধ্যে আছেন কয়েকজন ‘বিতর্কিত এমপি’। শরিক দলের এমপি যেখানে রয়েছেন, সেখানেও বিরোধ। একটি পক্ষ শরিক দলের এমপির পাশে। আরেকটি পক্ষ বিরুদ্ধে। আসনগুলোতে নেতাদের দূরত্ব ও কোন্দল মেটানোর দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেই।

এসব বিষয়ে জানতে চাইলে মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, ‘নগরীর বিভিন্ন আসনে এমপিদের সঙ্গে দলীয় নেতাকর্মীদের দূরত্ব রয়েছে। এই দূরত্ব কাটানোর জন্য এখনো কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। তবে নির্বাচনের জন্য তৃণমূলে আমাদের প্রস্তুতি রয়েছে। এরই মধ্যে যে সাতটি ওয়ার্ডে পাল্টাপাল্টি কমিটি ছিল সেখানে আমরা ঐকমত্যের ভিত্তিতে একক কমিটি দিতে সক্ষম হয়েছি। দলের মনোনয়ন বোর্ডের কাছে আমাদের দাবি একটাই, তৃণমূলের সঙ্গে যাদের সম্পর্ক আছে এবং এলাকায় যারা জনপ্রিয় তাদের মনোনয়ন দেওয়ার জন্য। জনপ্রিয়দের মনোনয়ন দিলে নৌকার বিজয় কেউ ঠেকাতে পারবে না।’

চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এম এ সালাম বলেন, ‘যেসব এলাকায় টুকটাক সমস্যা আছে তা কিভাবে নিরসন করা যায় সে ব্যাপারে আমরা পদক্ষেপ নিয়েছি। নির্বাচনের জন্য আমরা সব সময় প্রস্তুত। বড় দল হিসেবে নির্বাচনে অনেকেই মনোনয়ন চাইতে পারেন। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী ও দলের মনোনয়ন বোর্ড থেকে যাঁকে মনোনয়ন দেওয়া হবে, তাঁর পক্ষেই সবাই মিলেমিশে কাজ করবে।’

একই সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক ও রাউজান পৌরসভার চেয়ারম্যান দেবাশীষ পালিত বলেন, ‘উত্তর জেলা আওয়ামী লীগ সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী হওয়ার কারণে প্রতিটি নির্বাচনে এখান থেকে বেশিসংখ্যক আসন আমরা পেয়ে থাকি। ২০০১ সালের নির্বাচনে চট্টগ্রাম থেকে যে দুটি আসন আওয়ামী লীগ পেয়েছিল, তার দুটিই উত্তরের। বিভিন্ন এলাকায় দলের মধ্যে ছোটখাটো মতবিরোধ থাকতে পারে, তাতে নির্বাচনে প্রভাব পড়বে না।’

সাতকানিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কুতুবউদ্দিন চৌধুরী ওই আসন সম্পর্কে বলেন, ‘আওয়ামী লীগ এখনে তৃণমূলে সংগঠিত। কিন্তু এমপির সঙ্গে দলীয় নেতাকর্মীদের কোনো সম্পর্ক নেই। তিনি দল ও এলাকায় জনবিচ্ছিন্ন। এমপি নিজস্ব একটি বলয় সৃষ্টি করেছেন। এ বলয়ের কারণে এখানে জামায়াত সক্রিয় হয়ে উঠেছে। আগামী নির্বাচনে দল ও কর্মী এবং জনবান্ধব কাউকে মনোনয়ন দিলে আসনটি আমরা পাব।’

অভিযোগ রয়েছে, শুধু সাতকানিয়া-লোহাগাড়া আসনেরই নয়, চট্টগ্রামের আরো কয়েকজন এমপির সঙ্গে দলের তৃণমূলের নেতাকর্মীদের যোগাযোগ নেই। দলের কর্মসূচিতেই প্রায়ই তাদের দেখা যায় না। এ ছাড়া নগরের জাতীয় পার্টি ও বোয়ালখালীতে জাসদের দুই এমপির কর্মকাণ্ড নিয়ে তৃণমূল আওয়ামী লীগ নেতাদের মধ্যে চাপা ক্ষোভ রয়েছে। তাদের সংসদীয় এলাকায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা কোণঠাসা। এসব স্থানে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক কার্যক্রমে বিরাজ করছে স্থবিরতা।

বিএনপি

বিএনপির ‘ঘাঁটি’ বলা হয় চট্টগ্রামকে। প্রায় দুই বছর আগে দলের জাতীয় নির্বাহী কমিটিতে চট্টগ্রাম মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ তিন সাংগঠনিক জেলার দুই ডজনের বেশি প্রবীণ ও নবীন নেতার স্থান হয়েছে। সর্বশেষ চারদলীয় জোট সরকারের আমলে চট্টগ্রাম থেকে বিএনপির আট নেতা মন্ত্রিপরিষদে স্থান পান। বিএনপির ক্ষমতার আমলে দলের বিভিন্ন কমিটিতে চট্টগ্রামের নেতাদের মূল্যায়ন করা হয়। দলের কেন্দ্রীয় কমিটিতেও চট্টগ্রামের নেতারা অনেক গুরুত্বপূর্ণ পদ পেয়ে আসছেন।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে তিন সাংগঠনিক কমিটির আওতাধীন বিভিন্ন এলাকায় কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতাদের মধ্যে বিভিন্ন ইস্যুতে দূরত্ব ও দলাদলি রয়েছে। কেন্দ্রীয় কমিটিতে পদ পাওয়া না পাওয়া নেতাদের মধ্যে রয়েছে ক্ষোভ ও হতাশা। এ ছাড়া দলের দুঃসময়ে বেশ কয়েকজন কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতার ‘বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে’ দল বিব্রতকর অবস্থার মুখোমুখি হয়। প্রভাবশালী একাধিক নেতা নিয়মিত রাজপথে নেই। তাঁদের নিয়ে নানা আলোচনা রয়েছে তৃণমূলে।

জানা গেছে, নগরীর নেতাদের মধ্যে বিরোধ আগের থেকে কমে আসছে। সর্বশেষ গত ১ সেপ্টেম্বর দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সভায় নেতাদের অনেকে উপস্থিত ছিলেন। তবে নগরীর কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতাদের মধ্যে কোন্দল বর্তমানে প্রকাশ্য দেখা না গেলেও তৃণমূলে সাংগঠনিক স্থবিরতা রয়েছে। এ ছাড়া দুই জেলার সাংগঠনিক কমিটি এবং তাদের নিয়ন্ত্রণাধীন উপজেলা, পৌরসভা, থানা কমিটিগুলোর বেশির ভাগেই স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। একেকটি এলাকায় নেতাদের মধ্যে একাধিক পক্ষ রয়েছে। এরই মধ্যে কেন্দ্রীয় নেতারা একাধিকবার জেলা সফর করলেও বিরোধ পুরোপুরি মেটেনি। উত্তর ও দক্ষিণ দুই জেলার সমাবেশ পণ্ড হওয়ার ঘটনাও ঘটেছিল কেন্দ্রীয় নেতাদের উপস্থিতিতে।

নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার জন্য একেকটি আসনে একাধিক নেতা সক্রিয়। নেতাদের মধ্যে কে কোন আসনে নির্বাচন করবেন, তা নিয়েও চলছে নানা হিসাব-নিকাশ। তবে বিভিন্ন কারণে ‘বিতর্কিত’ এবং আন্দোলন-সংগ্রামে ‘নিষ্ক্রিয়’ সাবেক মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী ও এমপিদের মধ্যে কেউ কেউ মনোনয়নবঞ্চিত হতে পারেন। মনোনয়ন পেতে পারেন নতুন কয়েকজন, যাঁরা আন্দোলন-সংগ্রামে মাঠে আছেন এবং দল ও এলকার মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন

বিএনপির একাধিক নেতা জানান, মামলা-মোকদ্দমা ও হয়রানিতে ‘নিষ্পেষিত’ বিএনপি চট্টগ্রামের তিন সাংগঠনিক ইউনিট (নগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা) আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনীতির মাঠে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে। নেতাদের মধ্যে দূরত্ব সম্প্রতি কমে আসতে শুরু করেছে। নেতারা বলেছেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যাওয়া না যাওয়ার সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের হলেও তাঁদের প্রস্তুতি রয়েছে নির্বাচন করার।

এদিকে নির্বাচন কমিশন থেকে নিবন্ধন হারানো দল জামায়াতে ইসলামীর নেতারাও বিভিন্ন আসন থেকে স্বতন্ত্র পরিচয়ে নির্বাচন করার কথা ভাবছেন। চট্টগ্রাম থেকে আরো কয়েকটি শরিক দলের প্রভাবশালী কেন্দ্রীয় নেতা রয়েছেন। জোটগত নির্বাচনের কারণে বিএনপির কয়েকজন নেতার কপাল পুড়তে পারে। তার পরও কেউ বসে নেই। মনোনয়নপ্রত্যাশীরা নির্বাচন ঘিরে তৎপর। এলাকায় সময় দিচ্ছেন তাঁরা।

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘আন্দোলনের পাশাপাশি আগামী নির্বাচনের জন্য আমাদের প্রস্তুতি রয়েছে। আমাদের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে মুক্তির পাশাপাশি নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে হবে। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি নির্বাচনের আগেও আমাদের প্রস্তুতি ছিল। প্রতিটি আসনে তিনজন করে সারা দেশে ৯০০ জন প্রার্থী চূড়ান্ত আছে। প্রার্থী নিয়ে আমাদের কোনো সংকট নেই। দলের সিদ্ধান্ত, আন্দোলন-সংগ্রামে যাঁরা আছেন তাঁদের মধ্য থেকেই মনোনয়ন দেওয়া হবে।’ তিনি বলেন, ‘আমাদের মধ্যে এখন কোনো কোন্দল নেই। সর্বশেষ গত ১ সেপ্টেম্বর  দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে কর্মসূচি পালন করেছে।’

একই কমিটির সিনিয়র সহসভাপতি আবু সুফিয়ান বলেন, ‘নির্বাচনের জন্য আমরা প্রস্তুত। যাঁরা আন্দোলন-সংগ্রামে মাঠে-ময়দানে আছেন এবং জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন তাঁদের মধ্য থেকে মনোনয়ন দেওয়া হবে। এলাকায় জনপ্রিয়দের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। তবে তার আগে নির্বাচনে যাওয়ার জন্য আমাদের ও জনগণের দাবিগুলো সরকারকে বাস্তবায়ন করতে হবে। মামলা-মোকদ্দমা ও হয়রানি করে দলের নেতাকর্মীদের দূরে রাখতে পারবে না সরকার।’

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী জাফরুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, ‘নির্বাচন করব কি না, তা এখনো ঠিক করেনি। আগে নেত্রীকে মুক্তি দিতে হবে। নেত্রীর মুক্তির পর সব দলের অংশগ্রহণে যে নির্বাচন হবে তাতে আমরা অংশগ্রহণ করব। আমাদের মধ্যে কোনো কোন্দল নেই। নির্বাচনের প্রস্তুতি রয়েছে।’



মন্তব্য