kalerkantho


নিকলীতে এনজিও কর্মকর্তার বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি   

১৭ এপ্রিল, ২০১৮ ০০:০০



নিকলীতে এনজিও কর্মকর্তার বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার

সুলতান মিয়া

কিশোরগঞ্জের নিকলীতে এক এনজিও কর্মকর্তার বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁর নাম সুলতান মিয়া (৫২)। গত রবিবার রাতে উপজেলার ছাতিরচর বাজারে রংধনু সঞ্চয় ও সমবায় সমিতির কার্যালয় থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করে স্থানীয়রা। ঘটনার পর প্রতিষ্ঠানটির ম্যানেজার হিজবুল্লাহ পলাতক রয়েছেন। সুলতান মিয়াকে শ্বাস রোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এলাকার আটজনকে আটক করেছে পুলিশ।

সুলতান মিয়া রংধনু সঞ্চয় ও সমবায় সমিতির পরিচালক ছিলেন। তিনি ছাতিরচর ও গুরুই এলাকায় দুটি অফিস স্থাপন করে ঋণ কার্যক্রম পরিচালনা করতেন।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, রবিবার দুপুরে সুলতান চার লাখ টাকা নিয়ে ছাতিরচরের উদ্দেশে বাড়ি থেকে বের হন। বিকেলে বাড়ি না ফেরায় তাঁর স্ত্রী ফোন করলে সুলতানের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। এরপর অফিসের ম্যানেজার হিজবুল্লাহকে ফোন দেওয়া হলে সুলতানের স্ত্রীকে হিজবুল্লাহ জানান, দুপুর ২টার দিকে সুলতানকে নৌকায় তুলে দিয়েছেন তিনি। রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত সুলতান বাড়ি ফিরে না যাওয়ায় তাঁর স্ত্রী এলাকার কয়েকজন লোক নিয়ে ছাতিরচর অফিসে যান। পরে অফিসের তালা ভেঙে ভেতরে ঢুকে তাঁরা দেখেন চৌকির নিচে মুখবাঁধা একটি বস্তা। পরে বস্তার মুখ খুললে পাওয়া যায় সুলতানের মরদেহ।

খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

নিকলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. নাসির উদ্দিন ভূঁইয়া জানান, পরিকল্পিতভাবে শ্বাস রোধ করে হত্যা করা হয়েছে সুলতানকে। বরিবার রাতে কোনো একসময় বস্তাবন্দি লাশটি নদীতে ফেলে দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল দুর্বৃত্তদের। তাঁর টাকাগুলোও পাওয়া যায়নি। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জ জেলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

ওসি আরো বলেন, সুলতানের বড় ভাইয়ের ছেলে রেজাউল কবির বাদী হয়ে হিজবুল্লাহকে প্রধান আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় অজ্ঞাতপরিচয়ে  আরো কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।

 



মন্তব্য