kalerkantho


হাইকোর্টের রুল

সরকারি প্রাইমারি স্কুলের প্রধান শিক্ষকদের বেতন কেন দশম গ্রেডে নয়

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৭ মার্চ, ২০১৮ ০০:০০



সরকারি প্রাইমারি স্কুলের প্রধান শিক্ষকদের বেতন কেন দশম গ্রেডে নয়

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের বেতনকাঠামো দশম গ্রেডে অন্তর্ভুক্ত করতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে তাঁদের বেতনকাঠামো ১১তম গ্রেডভুক্ত করা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তাও জানতে চাওয়া হয়েছে।

বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি জাফর আহমেদের বেঞ্চ গত ২৬ ফেব্রুয়ারি এ রুল জারি করেন। নোয়াখালী জেলার কবিরহাট উপজেলার অমরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আবদুল কাদেরসহ ৪৪ জন প্রধান শিক্ষকের করা এক রিট আবেদনের ওপর প্রাথমিক শুনানি শেষে এ রুল জারি করেন আদালত। রিট আবেদনকারীদের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন মোহাম্মদ সিদ্দিক উল্লাহ্ মিয়া। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোখলেছুর রহমান।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ আটজনকে চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের বেতন গ্রেড নির্ধারণ করে ২০১৪ সালের ৯ মার্চ পরিপত্র জারি করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। পরিপত্রে প্রধান শিক্ষকদের বেতন স্কেল ১১তম গ্রেডে নির্ধারণ করা হয়।

এ বিষয়ে অ্যাডভোকেট সিদ্দিক উল্লাহ্ মিয়া জানান, সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের পদমর্যাদা দ্বিতীয় শ্রেণির। নার্সরাও একই পদমর্যাদার। তাঁদের বেতন স্কেল দশম গ্রেডের অন্তর্ভুক্ত। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরাও দ্বিতীয় শ্রেণির পদমর্যাদাসম্পন্ন; কিন্তু তাঁদের বেতনকাঠামো করা হয়েছে ১১তম গ্রেডভুক্ত, যা বৈষম্যমূলক। এ কারণে রিট আবেদন করা হয়েছে।



মন্তব্য