kalerkantho


রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে বেতন-ভাতার দাবি

১০ মার্চ থেকে ঢাকায় অবস্থান কর্মসূচি পৌরসভা কর্মীদের

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৫ মার্চ, ২০১৮ ০০:০০



১০ মার্চ থেকে ঢাকায় অবস্থান কর্মসূচি পৌরসভা কর্মীদের

রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে শতভাগ বেতন-ভাতা ও অবসরকালীন পাওনা পরিশোধের দাবিতে আগামী ১০ মার্চ জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে অনির্দিষ্টকালের অবস্থান কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে পৌরসভা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সংগঠন ‘পৌরসভা সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন’। গতকাল রবিবার সকালে একযোগে দেশের আটটি বিভাগীয় শহরে অনুষ্ঠিত সভা থেকে এ ঘোষণা দিয়ে জানানো হয়েছে, ওই দিন ৩২৭টি পৌরসভায় কর্মরত ৩২ হাজার ৫০০ কর্মকর্তা-কর্মচারীই ঢাকার অবস্থান কর্মসূচিতে যোগ দেবেন।

সংগঠনের নেতারা বলেছেন, পৌরসভার সব কর্মজীবী ঢাকার কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার কারণে ১০ মার্চ থেকে পৌরসভাগুলোতে পানি সরবরাহ, সড়ক বাতি প্রজ্বালন, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, জন্ম নিবন্ধন, বিভিন্ন ধরনের সনদ প্রদানসহ সব ধরনের নাগরিক সেবা বন্ধ থাকবে।

পৌরসভার কর্মচারীরা দীর্ঘদিন ধরে বকেয়া বেতনের দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন। পৌরসভা সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন সূত্রে জানা গেছে, ৭৬ শতাংশ পৌরসভায় দুই থেকে ৫৮ মাসের বেতন বকেয়া। এই বকেয়া বেতন পরিশোধ করতে হলে পৌরসভাগুলোর প্রয়োজন ৫১৬ কোটি টাকা। অন্যদিকে অবসরে যাওয়া ৭৬৯ জন কর্মচারীর অবসরকালীন পাওনা পরিশোধ করতে হলে দরকার ১২৫ কোটি টাকা। সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন মনে করে, এ অর্থ পরিশোধের ক্ষমতা পৌরসভাগুলোর নেই, কারণ প্রতি মাসেই বকেয়ার পরিমাণ বাড়ছে।

রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে বেতন-ভাতা দেওয়ার দাবির যৌক্তিকতার বিষয়ে পৌরসভা সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আবদুল আলীম মোল্লা বলেন, একই আদলের স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান ইউনিয়ন পরিষদ কর্মচারীদের বেতনের ৭৫ শতাংশ এবং উপজেলা পরিষদে শতভাগ বেতন প্রদান করে সরকার, অথচ পৌরসভায় সরকার দেয় মাত্র শূন্য দশমিক ৪৫ শতাংশ। তিনি বলেন, ‘আমরা বারবার চেষ্টা করেও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের কাছে পৌঁছতে পারিনি, তাঁরা কোনোভাবেই আমাদের বেদনার কথা শুনতে নারাজ। সে কারণে বাধ্য হয়ে আমরা অবস্থান কর্মসূচি ঘোষণা করেছি। এখন পৌর এলাকা অন্ধকার হলে, নাগরিকরা পানি না পেলে, এলাকায় দুর্গন্ধ হলে তার দায় আমাদের নয়।’


মন্তব্য