kalerkantho


বাল্যবিয়ে থেকে রক্ষা পেল তিন স্কুলছাত্রী

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

৪ মার্চ, ২০১৮ ০০:০০



বাল্যবিয়ে থেকে রক্ষা পেল তিন স্কুলছাত্রী

প্রতীকী ছবি

কুড়িগ্রাম, নওগাঁ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অভিশপ্ত বাল্যবিয়ে থেকে রক্ষা পেয়েছে তিন স্কুলছাত্রী। স্থানীয় প্রশাসন ও সচেতন মহলের তৎপরতায় এসব বিয়ে বন্ধ হয়ে

যায়। এর মধ্যে গত শুত্রবার রাতে কুড়িগ্রামের রাজারহাটে রেবা খাতুন (১৩) নামে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক ছাত্রী বাল্যবিয়ে থেকে রক্ষা পেয়েছে।

শুক্রবার সন্ধ্যায় নওগাঁর রানীনগর উপজেলায় পুলিশের হস্তক্ষেপে বাল্যবিয়ের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে বুলবুলি আক্তার (১৫) নামে আরেক স্কুলছাত্রী। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে এক স্কুলছাত্রীর বাল্যবিয়ে বন্ধ হয়েছে।

এই তিন স্কুলছাত্রীর পরিবরের সদস্যরা গোপনে বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছিল। তবে স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়টি জানতে পেরে দ্রুত প্রশাসনকে জানায়। খবর পেয়ে অচেতন অভিভাবকদের বুঝিয়ে বিয়ে বন্ধ করা হয়। বিস্তারিত আমাদের প্রতিনিধিদের পাঠনো খবরে :

কুড়িগ্রামের ঘটনায় পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, রাজারহাটের চাকিরপশার ইউনিয়নের তালুক সাকোয়া গ্রামের আবুল কাশেমের কন্যা রেবা খাতুনের (১৩) সঙ্গে মোকুরটারী শান্তিনগর গ্রামের কফুর আলীর ছেলে রবিউল ইসলামের (২৮) বিয়ের দিন ধার্য হয়। বিয়ে সম্পন্ন করতে শুক্রবার রাতে বরসহ বরপক্ষের লোকজন কনের বাড়িতে যায়। এমন খবর পেয়ে রাজারহাট থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে হাজির হওয়ার আগেই বরপক্ষের লোকজন পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ মেয়ের পিতা ও তার মায়ের কাছ থেকে বিয়ে না দেওয়ার প্রতিশ্রুতি নিয়ে বিয়ে বন্ধ করে দেয়।

নওগাঁর ঘটনায় পুলিশ সূত্রে জানায়, রানীনগর উপজেলার ছতরবাড়িয়া গ্রামের বুলু হোসেন তাঁর দশম শ্রেণিতে পড়ুয়া মেয়ে বুলবুলির সঙ্গে একই গ্রামের ওসমানের ছেলে চলমান এসএসসি পরীক্ষার্থী সুলতান হোসেনের (১৮) বিয়ে দিচ্ছিলেন। খবর পেয়ে রানীনগর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে বিয়ে বন্ধ করে দেয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ঘটনায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পৌর এলাকার নয়নপুরের আব্দুল মিয়ার ছেলে মালম মিয়ার সঙ্গে চণ্ডালখিলের এক স্কুলছাত্রীর বিয়ে হওয়ার কথা ছিল। খবর পেয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ওই বাড়িতে গিয়ে বর ও কনের বয়সসংক্রান্ত প্রমাণাদি দেখতে চান। কনে ও বরপক্ষ সঠিক কাগজপত্র  দেখাতে না পারায় বিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়।

 

 



মন্তব্য