kalerkantho


আ. লীগ ও বিএনপিতে সম্ভাব্য প্রার্থীর ছড়াছড়ি

শফিক আদনান, কিশোরগঞ্জ   

২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



আ. লীগ ও বিএনপিতে সম্ভাব্য প্রার্থীর ছড়াছড়ি

কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া উপজেলা নিয়ে গঠিত কিশোরগঞ্জ-২ সংসদীয় আসনে জোরেশোরে বইছে নির্বাচনকেন্দ্রিক হাওয়া। সম্ভাব্য প্রার্থীরা গণসংযোগের পাশাপাশি করছেন বড় বড় শোডাউন, সভা-সমাবেশ। এ প্রতিযোগিতায় এগিয়ে রয়েছেন ক্ষমতাসীন দলের সম্ভাব্য প্রার্থীরা। দলে যোগ দেননি কিন্তু দলীয় টিকিটে নির্বাচন করতে চান এমন হেভিওয়েট সম্ভাব্য প্রার্থীও রয়েছেন তালিকায়।

জাতীয় সংসদের বাইরে থাকা বিএনপিও বসে নেই। তারাও নির্বাচনকে ঘিরে প্রস্তুতি নিচ্ছে। দলের সম্ভাব্য প্রার্থীরা অতটা সরবে না হলেও নীরবে গণসংযোগ করছেন।

জাতীয় সংসদের ১৬৩ নম্বর নির্বাচনী এলাকা কটিয়াদী ও পাকুন্দিয়া বিএনপির শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। তবে আওয়ামী লীগও শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে এ আসনে। দুই দলই বিভিন্ন সময় ভাগাভাগি করে আসনটি শাসন করেছে। তাই উভয় দলই মনে করে, আগামী নির্বাচন সহজ হবে না কারো জন্যই।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এ আসনে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী সম্ভাব্য প্রার্থী রয়েছেন। ফলে আগামী নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন কে পাবেন, তা আগে থেকে আন্দাজ করতে পারছে না নেতাকর্মীরা।

আওয়ামী লীগ : নবম জাতীয় সংসদে কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া) আসনের সদস্য ছিলেন ডা. আবদুল মান্নান। তিনি কটিয়াদীর লোক। তবে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তাঁকে মনোনয়ন দেয়নি আওয়ামী লীগ। মনোনয়ন পান সোহরাব উদ্দিন। তাঁর বাড়ি পাকুন্দিয়ায়। একক প্রার্থী হওয়ায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন তিনি। এবারও মনোনয়ন পেতে মরিয়া হয়ে কাজ করছেন তিনি। দলে যোগ না দিলেও আওয়ামী লীগের হয়ে নির্বাচন করতে চান সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি), রাষ্ট্রদূত ও সচিব নূর মোহাম্মদ, পাকুন্দিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ও উপজেলা চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম রেনু, দলের জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক এম এ আফজল ও  আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মোখলেসুর রহমান বাদল। তাঁরা এরই মধ্যে নিজেদের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা দিয়ে এলাকায় প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছেন। এ ছাড়া আরো কয়েকজন মনোনয়নপ্রত্যাশীর ব্যানার-পোস্টার এলাকায় দেখা গেলেও মাঠে এতটা সক্রিয় নন তাঁরা।

আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা বলছে, জাতীয় ও স্থানীয় রাজনীতির পাশাপাশি আগামী নির্বাচনে আঞ্চলিকতাও যথেষ্ট গুরুত্ব পাবে।

জানা গেছে, পাকুন্দিয়ার চেয়ে কটিয়াদীর ভোটসংখ্যা অনেক বেশি। কটিয়াদীর লোকজনের দাবি, গত নির্বাচনে সংসদ সদস্য হয়েছে পাকুন্দিয়া থেকে, এবার প্রার্থী মনোনয়ন তাদের এলাকা থেকে দেওয়া হোক।

সোহরাব উদ্দিনের সমর্থকরা মনে করে, সংসদ সদস্য হওয়ার সুবাদে দুই উপজেলার রাজনীতি ও দলীয় লোকজনের সঙ্গে তাঁরই যোগাযোগ বেশি। তা ছাড়া তিনি এলাকায় যথেষ্ট উন্নয়নও করেছেন। কাজেই দুই কারণেই মনোনয়নের দৌড়ে তিনি এগিয়ে থাকবেন।

তবে দলের আরেকটি অংশ মনে করে, সোহরাব উদ্দিন সংসদ সদস্য হওয়ার পর দলে বিভক্তি বেড়েছে। বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে যত না মামলা-মোকদ্দমা আছে, তার চেয়ে বেশি মামলায় পড়েছে দলীয় নেতাকর্মীরা। এর পেছনে স্থানীয় সংসদ সদস্যের হাত রয়েছে বলে তারা মনে করে। তা ছাড়া নানা কৌশলে তিনি আওয়ামী লীগের কর্মকাণ্ড বাধাগ্রস্ত করছেন বলে তাদের অভিযোগ। এসব কারণে ১৭ বছর ধরে স্থানীয় আওয়ামী লীগের সম্মেলন করা যাচ্ছে না।

তবে মনোনয়ন পাওয়ার ব্যাপারে যথেষ্ট আশাবাদী সংসদ সদস্য সোহরাব উদ্দিন। তিনি বলেন, ‘গত চার বছরে আমার নির্বাচনী এলাকায় যত উন্নয়ন হয়েছে, গত ৫০ বছরেও তা হয়নি। আমি কোনো দুর্নীতি করিনি। রাজনৈতিক নেতা হিসেবে যা প্রয়োজন সবই করছি। জননেত্রী শেখ হাসিনা যা চান সবই করছি। এবার মনোনয়ন পেলে বাকি কাজগুলোও শেষ করব।’ তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘মনোনয়ন পাওয়া নিয়ে আমার কোনো সংশয় বা সন্দেহ নেই। তার পরও বলব, বড় দলে প্রতিযোগিতা থাকে। তবে এ প্রতিযোগিতা যেন প্রতিহিংসায় রূপ না নেয়।’

কিন্তু স্থানীয় লোকজন মনে করছে, ‘এত উন্নয়ন ও কাজের’ পরও কিন্তু স্বস্তিতে নেই সোহরাব শিবির। কারণ পাকুন্দিয়াতেই রয়েছেন তাঁর প্রবল প্রতিপক্ষ উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম রেণু। তিনিও দলের মনোনয়ন চান এবং এলাকায় জনসংযোগ করে যাচ্ছেন।

রফিকুল ইসলাম রেনু বলেন, ‘সারা জীবন দলের জন্য কাজ করছি। দলের চরম দুঃসময়ে আমি মাঠে ছিলাম। দলীয় আদর্শ ধারণ করি বলেই এমনটি সম্ভব হয়েছে। আমি সিন্ডিকেটের রাজনীতি করি না। দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষকে নিয়ে রাজনীতি করি। কাজেই দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার ব্যাপারে যথেষ্ট আশাবাদী আমি।’

এ পরিস্থিতিতে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেতে নির্বাচনী মঞ্চে আবির্ভূত হয়েছেন সাবেক আইজিপি নূর মোহাম্মদ। তাঁর বাড়ি কটিয়াদী। তিনি দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে কটিয়াদী ও পাকুন্দিয়ায় বড় বড় শোডাউন, সভা-সমাবেশ করে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছেন। আনুষ্ঠানিকভাবে দলে যোগ না দিলেও তিনি সব কর্মসূচিতে নিজেকে আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে দাবি করে আসছেন। তাঁকে খুবই শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে মানছে আওয়ামী মহল। তাঁকে ঘিরে দলীয় নেতাকর্মীরাও আগ্রহী হয়ে উঠেছেন।

দলের আরেকটি অংশ মনে করে, এই হাই প্রোফাইল ব্যক্তি যদি সংসদ সদস্য হতে পারেন, তাহলে তাঁর অভিজ্ঞতার কারণে নিশ্চিত মন্ত্রী হবেন। স্থানীয় আওয়ামী লীগে যে দ্বন্দ্ব-সংঘাত রয়েছে, অন্যরা মনোনয়ন পেলে দল এক হয়ে কাজ করবে না। তাঁকে মনোনয়ন দেওয়া হলে সব পক্ষকে এক করে নির্বাচন করতে পারবেন তিনি।

নূর মোহাম্মদ বলেন, ‘চাকরি থেকে অবসর নেওয়ার পর দলের উচ্চ পর্যায়ে কথাবার্তা বলেই এলাকায় কাজ করছি। যেখানে যাচ্ছি সেখানেই দলমত নির্বিশেষে ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি।’

যোগ্য ও ভালো লোকদের তাঁদের যোগ্যতা অনুযায়ী স্থান করে দিলে একদিন বাংলাদেশ অনেক এগিয়ে যাবে— এমন মন্তব্য করে নূর মোহাম্মদ বলেন, ‘আমি মনোনয়ন পেলে আশা করি ভোটেও জিতব।’

জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ আফজল জেলা শহরে বাস করলেও তাঁর বাড়ি কটিয়াদীতে। পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির মানুষ হিসেবে সুনাম রয়েছে তাঁর। নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের ভোটে প্রথম হয়েছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত মনোনয়ন বঞ্চিত হন তিনি। এর আগে ১৯৮৬ ও ১৯৯৬ সালে দলের টিকিটে নির্বাচন করলেও তিনি জিততে পারেননি।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, এম এ আফজল এবারও দলের মনোনয়ন পেতে চান, এলাকায় জনসংযোগও করে যাচ্ছেন। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘প্রায় অর্ধশতাব্দীকাল কিছু না চেয়ে দল করেছি। জেলায় দলের নেতৃত্ব দিচ্ছি।  তাই আমি আশাবাদী এবার মনোনয়ন পাব।’

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মোখলেসুর রহমান বাদলও এ আসন থেকে দলীয় মনোনয়ন চান। তিনি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় সভা-সমাবেশ করছেন। রাস্তাঘাটে তাঁর ব্যানার-পোস্টার দেখা যায়।

পাকুন্দিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মোখলেসুর রহমান বাদল বলেন, ‘দল ক্ষমতায় থাকলেও, বিশেষ করে পাকুন্দিয়ায় আওয়ামী লীগের নেতারা স্থানীয় এমপির দ্বারা হামলা-মামলা ও নির্যাতনের শিকার। দল ও এলাকার সেবা করতেই মাঠে নেমেছি। আশা করি দল আমাকে মনোনয়ন দেবে।’

বিএনপি : বিএনপির অন্তত পাঁচজন মনোনয়নপ্রত্যাশী নিজেদের মতো করে কাজ করে যাচ্ছেন। তাঁদের মধ্যে দল থেকে বহিষ্কৃত মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান রঞ্জনও রয়েছেন। তাঁর সমর্থকদের দাবি, এ নেতার মূল শক্তি এলাকার ‘ভোটব্যাংক’। আজকাল তিনি ঘন ঘন এলাকায় যাচ্ছেন। লোকজনের সঙ্গে মতবিনিময়সহ সভা-সমাবেশ করছেন। এ কারণে অনেকে মনে করছে, আগামী নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন চাইবেন তিনি।

স্থানীয় লোকজনের মতে, বিএনপি থেকে দূরে থাকলেও এলাকার লোকজনের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ সব সময় থাকে। কাজেই তিনি যদি আবার দলে ফিরে গিয়ে মনোনয়ন চান, তাহলে দল হয়তো তাঁকেই মনোনয়ন দেবে। কারণ তিনি এ আসন থেকে দুবার বিএনপির হয়ে নির্বাচন করে সংসদ সদস্য হয়েছিলেন। তবে তাঁর বিরোধী শিবিরও যথেষ্ট সক্রিয়। তাদের যুক্তি হচ্ছে, গত উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তিনি প্রকাশ্যে বিএনপি প্রার্থীর বিরোধিতা করেছেন। তাঁকে মনোনয়ন দেওয়া হলে দলে বিদ্রোহ হতে পারে।

বিএনপি থেকে মনোনয়ন চাইবেন কি না—আখতারুজ্জামানকে এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, তিনি নির্বাচন করতে আগ্রহী। দল মনোনয়ন দিলে অবশ্যই মাঠে নামবেন। তাই আগে থেকে মাঠও গুছিয়ে রাখছেন তিনি।

জেলা বিএনপির সহসভাপতি আশফাক আহমেদ জুন পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি ও ভদ্রলোক হিসেবে পরিচিত। এ নেতার বাড়িও কটিয়াদী। দলীয় নেতাকর্মীরা জানায়, বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিল, জিয়া পরিবারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার সুবাদে সরকারি কোনো পদে না থেকেও এলাকার রাস্তাঘাটের উন্নয়ন ও বিদ্যুতায়নের ক্ষেত্রে তিনি ব্যাপক অবদান রেখেছিলেন। তিনি এবার বিএনপি থেকে মনোনয়ন চান বলে জানা গেছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, স্থানীয় বিএনপিতে অনেক বিভক্তি থাকলেও আশফাক আহমেদ এসবে নিজেকে জড়াননি। নিজের মতো করে এলাকায় গণসংযোগ করে যাচ্ছেন।

এই প্রসঙ্গে আশফাক আহমেদ জুন বলেন, ‘মানুষের সেবা চাই, এলাকার উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে চাই। তাই আমি আগামী নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পেতে দলে আবেদন করব।’

এ ছাড়া বিএনপির টিকিটে নির্বাচন করতে চান দলের জেলা শাখার উপদেষ্টা ইদ্রিছ আলী। তিনি এ আসন থেকে দলের হয়ে দুইবার নির্বাচন করেছেন। কিন্তু জয়ী হতে পারেননি। হাল না ছেড়ে এবারও তিনি দলীয় মনোনয়ন চাইবেন বলে জানা গেছে।

পাকুন্দিয়া উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক সাবেক পৌর মেয়র জালাল উদ্দিন মনোনয়ন চাইবেন এ আসন থেকে। তা ছাড়া জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক শহীদুজ্জামান কাকনের নামও দলীয় নেতাকর্মীদের কাছ থেকে শোনা যাচ্ছে।

 

সংশোধনী

গতকাল ২৩ ফেব্রুয়ারি কিশোরগঞ্জ-১ আসনের প্রতিবেদনে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী দলটির জেলা কমিটির প্রথম যুগ্ম সম্পাদক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেলের ব্যাপারে ছাপা হাওয়া একটি অংশ নিয়ে ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়েছে। মূলত ওই অংশটি হবে— সরকারবিরোধী লাগাতার হরতাল ও অবরোধের সময় পুলিশের নির্যাতন ও হয়রানির শিকার হয়েছেন জেলা বিএনপির প্রথম যুগ্ম সম্পাদক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল। প্রায় দুই ডজন মামলার আসামি হয়ে দীর্ঘদিন পলাতক জীবনযাপন করেছেন তিনি। বেশ কয়েকবার জেল খেটেছেন। সাজার রায়ও হয়েছে তিনটি মামলার। বর্তমানে জামিনে মুক্ত হয়ে দলীয় কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য জনসংযোগ করছেন এলাকায়। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, নির্যাতিত নেতা হিসেবে দলে তাঁর প্রতি এক ধরনের সহানুভূতি রয়েছে। তা ছাড়া ছাত্ররাজনীতি থেকে শুরু করে এরশাদবিরোধী আন্দোলনেও তাঁর ছিল সাহসী ভূমিকা। দলীয় মনোনয়ন প্রসঙ্গে খালেদ সাইফুল্লাহ বলেন, ‘মাঠে-ময়দানে অনেক পরীক্ষা দিয়েছি। এবার এলাকার উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে চাই।’



মন্তব্য