kalerkantho


ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ পরিবারের

গাইবান্ধায় নিখোঁজ স্কুলছাত্রীর লাশ উদ্ধার

গাইবান্ধা প্রতিনিধি   

১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



গাইবান্ধায় নিখোঁজ স্কুলছাত্রীর লাশ উদ্ধার

প্রতীকী ছবি

গাইবান্ধায় ৯ দিন আগে নিখোঁজ পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী আঁখি আক্তারের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। সদরের বোয়ালী ইউনিয়নের রাধাকৃষ্ণপুর গ্রামের এক ইটভাটার টয়লেট থেকে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তার লাশ উদ্ধার করা হয়। তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করে লাশ সেখানে ফেলে রাখা হয় বলে অভিযোগ পরিবারের। এ ঘটনায় থানায় মামলা করার পর এক বখাটে কিশোরকে আটক করেছে পুলিশ।

জানা গেছে, আঁখি আক্তার সদরের ঘাগোয়া ইউনিয়নের মাদরাসাপাড়া গ্রামের মো. আক্কাস আলীর মেয়ে। পাশের গোদারহাট গ্রামে নানা আবদুল আজিজের বাড়িতে থেকে সে গোদারহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে লেখাপড়া করত।

পরিবারের অভিযোগ, ঘাগোয়া এমবি উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র বখাটে তোফায়েল আহমেদ তিতু দীর্ঘদিন ধরে তাকে নানাভাবে উত্ত্যক্ত করত। এ ব্যাপারে তিতুকে বেশ কয়েকবার সতর্কও করা হয়েছে। তাতে আরো ক্ষুব্ধ হয় সে। এদিকে গত ৬ ফেব্রুয়ারি বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয় আঁখি। এরপর থেকে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। আঁখির মৃত্যুর জন্য তার স্বজনরা তিতুকেই দায়ী করছে।

গতকাল গাইবান্ধা সদর থানায় মামলা করতে আসা আঁখির বাবা মো. আক্কাস আলী কান্নায় ভেঙে পড়ে বলেন, ‘তিতুই আমার মেয়েকে হত্যা করেছে। আমি তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’

এ ব্যাপারে আঁখির স্কুল পরিচালনা কমিটির সহসভাপতি শাজাহান সিরাজ বলেন, ‘প্রাণবন্ত মেয়েটিকে এভাবে হত্যা করা হলো। এটি মেনে নেওয়া যায় না। আমরা এ হত্যার বিচার চাই।’

গাইবান্ধা সদর থানার ওসি (তদন্ত) মো. আরশেদুল হক বলেন, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ইটভাটার শ্রমিকরা টয়লেট থেকে পচা গন্ধ পাচ্ছিল। পরে টয়লেটের ঢাকনা সরালে ওই মেয়ের পা দেখা যায়। মেয়েটির গলায় ছুরিকাঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এ ব্যাপারে নিহতের বাবা বাদী হয়ে তিনজনকে আসামি করে থানায় মামলা করেছেন। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পর এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

 



মন্তব্য