kalerkantho


আ. লীগে ‘ঝঞ্ঝাট’, নতুনের প্রত্যাশা বিএনপিতে

শহীদুল হুদা অলক, চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে   

১৯ অক্টোবর, ২০১৭ ০০:০০



আ. লীগে ‘ঝঞ্ঝাট’, নতুনের প্রত্যাশা বিএনপিতে

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ (শিবগঞ্জ) আসনে এখন নানাভাবে তৎপর মনোনয়নপ্রত্যাশীরা। তবে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের তৎপরতাই বেশি।

ঐতিহাসিক সোনামসজিদ আর কানসাট বিদ্যুৎ আন্দোলনের জন্য আলোচিত শিবগঞ্জ উপজেলার ১৫টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ আসন, যা জাতীয় সংসদের ৪৩ নম্বর নির্বাচনী এলাকা।

মাঠপর্যায়ে বিভিন্ন দলের নির্বাচনী তৎপরতার খোঁজখবর নিয়ে জানা গেছে, এ আসনে আওয়ামী লীগের বর্তমান সংসদ সদস্য কানসাট আন্দোলনের নেতা গোলাম রাব্বানী ছাড়াও আরো তিনজন দলের মনোনয়ন চাইতে পারেন।

অন্যদিকে এ আসনে বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য শাহজাহান মিঞাসহ চারজন দলটির মনোনয়ন আলোচনায় রয়েছেন। দলের মনোনয়নপ্রত্যাশী অন্যরা বলেছেন, এ আসনে নতুন মুখ প্রয়োজন। তবে সাবেক সংসদ বলেছেন, এটা দলের বক্তব্য নয়।

এদিকে বিএনপি জোটের শরিক জামায়াতও গোপনে নির্বাচনকেন্দ্রিক তৎপরতা চালাচ্ছে। ইতিমধ্যে দলটি শিবগঞ্জ উপজেলা পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির কেরামত আলীকে প্রার্থী নির্বাচন করেছে বলে জানা গেছে।

প্রসঙ্গত, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ আসনে ভোটের হিসাবে আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জামায়াতের অবস্থান ‘সেয়ানে সেয়ানে’। স্বাধীনতার পর এ আসনে আওয়ামী লীগ ও বিএনপিদলীয় প্রার্থী সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেও জামায়াত প্রার্থী সংসদ সদস্য হতে পারেননি।

তবে তাদের রয়েছে বিশাল ‘ভোট ব্যাংক’। জামায়াত নেতারা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও পৌর মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন কয়েকবার।

২০১৪ সালের দশম সংসদ নির্বাচনে এ আসনে ভোট হয়নি। বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের গোলাম রাব্বানী। এর আগে ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ব্রিগেডিয়ার (অব.) এনামুল হক বিএনপির শাহজাহান মিঞাকে পরাজিত করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ওই সময় গণফোরামের টিকিটে নির্বাচন করে গোলাম রাব্বানী প্রায় ৫০ হাজার ভোট পান।

আওয়ামী লীগ : বহু আগে থেকেই শক্ত সাংগঠনিক ভিত্তির ওপর থাকা শিবগঞ্জ আওয়ামী লীগে রয়েছে দুই ভাগ। গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে যা প্রকট আকারে প্রকাশ্যে আসে। ওই নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী জয়লাভ করে মাত্র দুটি ইউনিয়নে। আর আওয়ামী লীগের ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থীরা জয়লাভ করেন ছয়টি ইউনিয়নে। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জেলা আওয়ামী লীগের সঙ্গে দলের উপজেলা শাখার সভাপতি গোলাম রাব্বানীর এ দ্বন্দ্বের জের ধরে তিনিসহ তিন নেতাকে বহিষ্কারের সুপারিশও করা হয়। তবে আওয়ামী লীগের নেতারা বলছেন, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের সময় সমস্যা হলেও এখন অধিকাংশ নেতাকর্মীই এক হয়ে কাজ করছে।

আগামী সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বর্তমান সংসদ সদস্য গোলাম রাব্বানী ছাড়াও মনোয়নপ্রত্যাশায় তৎপরতা চালাচ্ছেন আরো তিনজন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন—চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য ডা. মইনুদ্দীন আহমেদ মন্টুর ছেলে ডা. সামিল উদ্দীন আহম্মেদ শিমুল, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও সাবেক বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী ব্রিগেডিয়ার (অব.) এনামুল হক, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ইউকসু) সাবেক সাধারণ সম্পাদক (জিএস) আওয়ামী লীগ নেতা প্রকৌশলী মাহতাব উদ্দীন। সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তুলে ধরার পাশাপাশি প্রত্যন্ত এলাকায় গণসংযোগ ও সমাবেশ করছেন তাঁরা।

আগামী নির্বাচনে আবারও মনোনয়ন পাওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করে গোলাম রাব্বানী বলেন, ‘শিবগঞ্জে একটা চরম দুর্দিনের সময় জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাকে দায়িত্ব দিয়েছিলেন। ওই সময়ের প্রায় বিধ্বস্ত নেতাকর্মীদের আমি সুসংগঠিত করেছি, চাঙ্গা করেছি। সংগঠন প্রাণ ফিরে পেয়েছে। ওই সময় সন্ত্রাসের জনপদ হিসেবে পরিচিত শিবগঞ্জ শান্তির জনপদ হিসেবে ফিরে এসেছে। পাশাপাশি এলাকার সড়ক যোগাযোগসহ অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়ন করতে পেরেছি এবং জনগণের পাশে রয়েছি। সে কারণে আশা করি—দল আমার ওপর আস্থা রেখে আগামীতে আমাকে আবারও মনোনয়ন দেবে। ’

ছাত্রলীগের সাবেক নেতা ডা. সামিল উদ্দীন আহম্মেদ শিমুল তাঁর প্রয়াত বাবা সাবেক সংসদ সদস্য ডা. মইনুদ্দীন আহম্মেদ মন্টুর পথ অনুসরণ করেছেন। তিনি রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের চাকরি ছেড়ে দিয়ে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন। স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) রাজশাহী বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদকের পাশাপাশি বর্তমানে তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। আগামী নির্বাচনে দলীয় মনোনয়নকে পাওয়ার প্রত্যাশায় তিনি ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। বিশেষ করে প্রত্যন্ত এলাকায় গিয়ে বিনা মূল্যে সাধারণ মানুষকে চিকিৎসাসেবা দিচ্ছেন।

ডা. সামিল সাবেক ও বর্তমান দুই সংসদ সদস্যের সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, ‘তাঁরা জনগণের কাছে যেতে পারেননি। যেহেতু আমি জনগণের পাশে ছিলাম এবং আছি, সেহেতু আশা করি দল আমাকে মনোনয়ন দিবে। ’

সাবেক বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি এনামুল হকও নির্বাচনকে সামনে রেখে তৎপরতা শুরু করেছেন। ২০১৩ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি জামায়াত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ফাঁসির রায়ের পর শিবগঞ্জে জামায়াত-বিএনপির নাশকতার সময় তাঁর ভূমিকা নিয়ে দলীয় নেতাকর্মীরা বিক্ষুব্ধ। ওই সময় ৮-৯ মাস ওই এলাকায় নাশকতা হয়েছে। জামায়াত-শিবিরের চোরাগোপ্তা হামলায় বেশ কয়েকজন আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী নিহত ও আহত হয়েছে। পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল অনেকের বাড়িঘর। দলীয় নেতাকর্মীদের অভিযোগ, ওই সময় তৎকালীন সংসদ সদস্য ও বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী এনামুল হক দলীয় নেতাকর্মীদের পাশে ছিলেন না। মাসের পর মাস তিনি এলাকায় আসেননি। নেতাকর্মীদের এমন অভিযোগ থাকলেও বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন এনামুল হক।

এসব বিষয়ে তাঁর বক্তব্যের জন্য গতকাল সন্ধ্যার পর অন্তত তিনবার তাঁকে ফোন করা হয়। কিন্তু তিনি ফোন ধরেননি। সে কারণে তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

নির্বাচনে দলীয় মনোনয়নের প্রত্যাশায় বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ চালানো সাবেক ছাত্রনেতা প্রকৌশলী মাহতাব উদ্দীন নিজেকে অন্যদের তুলনায় এগিয়ে রাখছেন। তিনি বলেন, ‘ছাত্র রাজনীতির পর দীর্ঘদিন ধরে দলের জন্য কাজ করছি। নেতাকর্মীদের সঙ্গেই রয়েছি। পাশাপাশি সামাজিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমেও এলাকায় অবদান রাখার চেষ্টা করছি। প্রার্থী হওয়ার যোগ্যতা আমার রয়েছে বিধায় দলের কাছে মনোনয়ন প্রত্যাশা করছি। ’

বিএনপি : বিএনপির প্রতিষ্ঠাকালীন নেতা শাহজাহান মিঞা এ আসনে কয়েকবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। জাতীয় সংসদের হুইপের দায়িত্বও পালন করেছেন তিনি। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বর্তমান উপদেষ্টা প্রবীণ এ নেতার ছত্রচ্ছায়ায় বহুদিন থেকে শিবগঞ্জে বিএনপি পরিচালিত হয়ে আসছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে সাংগঠনিক তৎপরতা তেমন চোখে পড়ে না। অবশ্য দলীয় সূত্র জানিয়েছে, প্রকাশ্য কর্মকাণ্ড না থাকলেও নেতারা বসে নেই। নীরবে চলছে নেতাকর্মীদের সঙ্গে সংযোগ।

আগামী নির্বাচনে শাহজাহান মিঞা প্রার্থী হচ্ছেন—দলের একাংশ এমনটা বললেও অন্য অংশ বলছে, দীর্ঘদিনের নেতৃত্ব পরিবর্তনের জন্য প্রয়োজন নতুন নেতৃত্ব। সে লক্ষ্যে শাহজাহান মিঞা ছাড়াও আরো অন্তত তিনজন দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার জন্য তৎপরতা শুরু করেছেন। তাঁরা হলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা বিএনপির সদস্য ছাত্রদলের সাবেক নেতা বেলাল-ই-বাকী ইদ্রিশী, বিএনপির কেন্দ্রীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক ছাত্রদলের সাবেক নেতা সৈয়দ শাহীন শওকাত, শিবগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র ও জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শামীম কবির হেলিম।

বিএনপির রাজশাহী বিভাগীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক শাহীন শওকাত বলেন, ‘তৃণমূলের দাবি দীর্ঘদিনের নেতৃত্বের পরিবর্তন হোক, নতুন নেতৃত্ব আসুক। কর্মীরা শাহজাহান মিঞার বিকল্প চাচ্ছে। নতুন মুখ ও যোগ্য নেতৃত্ব চাচ্ছে। শিবগঞ্জের তৃণমূলের কর্মীরা যোগ্য হিসেবে আমাকেই চাচ্ছে। এখন দলীয় হাইকমান্ড কার্যক্রমসহ সার্বিক বিষয় বিবেচনা করবে এবং আমাকে মনোনয়ন দেবে—এটাই আমি মনে করি। ’

চাঁপাইনবাগবঞ্জ-১ আসনের বাইরে আপনি রাজশাহীর মোহনপুর আসনেও মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন। একই সঙ্গে দুই আসনে কেন—জানতে চাইলে শাহীন শওকাত বলেন, ‘দলে কাজ করার জন্য দুই জায়গার মানুষ ও দলের কর্মীরা আমাকে চাচ্ছে। কিন্তু আমার প্রধান চাওয়া হচ্ছে, শিবগঞ্জ আসনের প্রার্থী হওয়া। ’

বেলাল-ই-বাকী ইদ্রিশী আগামী নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার জন্য তৎপরতা শুরু করেছেন। এরই মধ্যে এলাকায় ব্যাপক বিলবোর্ড টানিয়েছেন তিনি।

বেলাল-ই-বাকী বলেন, ‘ছাত্রাবস্থা থেকেই আমি বিএনপির সঙ্গে সম্পৃক্ত। আগের নির্বাচনেও মনোনয়ন চেয়েছিলাম, কিন্তু পাইনি। এখন দেখছি, শিবগঞ্জের মানুষ একটা পরিবর্তন চায়। দলের নিজস্ব মূল্যায়ন আছে। আমি মনোনয়ন পাওয়ার জন্য চেষ্টা করছি, দল বিবেচনা করবে। ’

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শিবগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র শামীম কবির হেলিম বহু রাজনৈতিক মামলার আসামি। সাবেক সংসদ সদস্য শাহজাহান মিঞার স্নেহভাজন হিসেবেই তিনি এলাকায় পরিচিত। তিনিও আগামী নির্বাচনে মনোনয়নের প্রত্যাশায় তৎপরতা চালাচ্ছেন বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে।

জানতে চাইলে সাবেক সংসদ সদস্য শাহজাহান মিঞা কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘দল যদি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে তাহলে আমাকেই মনোনয়ন দেবে। সেই সঙ্গে সংগঠন ও হাজার হাজার নেতাকর্মী আমার সঙ্গেই আছে। আমাকে বাদ দিয়ে গ্রহণযোগ্য বিকল্প কোনো প্রার্থী নেই। ’

প্রার্থী পরিবর্তন প্রসঙ্গে শাহজাহান মিঞা বলেন, ‘এটি দলের বক্তব্য নয়। এটি কোনো ব্যক্তি বলতে পারেন। এলাকায় যাঁদের কর্মকাণ্ড নেই, যাঁরা এলাকায় থাকেন না তাঁরাই এমন কথা বলতে পারেন। ’

জামায়াত : ভোটের হিসাবে শক্তিশালী অবস্থানে থাকা জামায়াত চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ আসনে এরই মধ্যে দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে। শিবগঞ্জ উপজেলা পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান কেরামত আলীকে প্রার্থী নির্বাচন করা হয়েছে। প্রকাশ্য কর্মসূচিতে না থাকলেও প্রার্থীকে নিয়ে ভেতরে ভেতরে ব্যাপক তৎপরতা শুরু করেছে দলটি।

জামায়াত নেতা কেরামত আলী বলেন, ‘এরই মধ্যে আমাদের সংগঠনের পক্ষ থেকে আমাকে প্রার্থী নির্বাচন করার বিষয়টি আমাদের জনশক্তির কাছে, সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। এখন আমরা চাচ্ছি, জোটগতভাবে নির্বাচন করতে। শিবগঞ্জ আসন জামায়াতকে দেওয়ার জন্য তৎপরতা চালানো হচ্ছে। আমরা আশা করব, জোট আমাদের দেবে। ’

আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জামায়াতের বাইরে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ, আম্বিয়া-প্রধান) নেতা আজিজুর রহমান আজিজও দলীয় মনোনয়নের জন্য তৎপরতা চালাচ্ছেন।


মন্তব্য