kalerkantho


ভারতের রপ্তানি বন্ধ নিয়ে অপপ্রচার

চালের বাজার অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র

বেনাপোল প্রতিনিধি   

১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ০০:০০



চালের বাজার অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র

চালের বাজার অস্থিতিশীল করতে বেনাপোল স্থলবন্দর এলাকায় ব্যবসায়ীদের মধ্যে অপপ্রচার চালাচ্ছে একটি মহল। গত ১০ সেপ্টেম্বর ভারতের বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের স্বাক্ষরবিহীন একটি ভুয়া চিঠি বন্দর এলাকায় ব্যবসায়ীদের মধ্যে প্রচার করেছে এই চক্র।

ভুয়া চিঠিতে বলা আছে, আগামী ১৫ সেপ্টেম্বরের পর ভারত বাংলাদেশে চাল রপ্তানি করবে না। চিঠির ছবি মোবাইল ফোনে ধারণ করে তা ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে ব্যবসায়ীদের মধ্যে। ভুয়া চিঠির সূত্র ধরে আমদানিকারকরা গত তিন দিনে চালের দাম কেজিপ্রতি দুই থেকে তিন টাকা করে বাড়িয়ে দিয়েছে। বাজারে চালের দামও বাড়াতে শুরু করেছে।

অনেক আমদানিকারক বন্দর থেকে চাল খালাসের পর তা তাদের নিজস্ব গুদামে মজুদ করেছে।

বেনাপোল কাস্টমস কমিশনার শওকাত হোসেন জানান, ১৫ সেপ্টম্বরের পর বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারত থেকে কোনো চাল আমদানি হবে না—এটা এক ধরনের অপপ্রচার। এ ছাড়া মোবাইল ফোনে ধারণ করা যে চিঠি বন্দর এলাকায় প্রচার করা হচ্ছে সেটিতে কোনো স্বাক্ষর নেই। বাজারে চালের দাম অস্থিতিশীল করতে একটি মহল অপপ্রচার চালাচ্ছে।

বেনাপোলের আমদানিকারক আ. সামাদ জানান, সর্বশেষ বন্দর থেকে খালাসের পর বন্দরেই গত ১১ সেপ্টেম্বর স্বর্ণা চাল ৪২ টাকা ও মিনিকেট চাল ৪৯ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে।

১২ সেপ্টেম্বর স্বর্ণা চাল ৪৩ টাকা ও মিনিকেট চাল ৫১ টাকা এবং ১৩ সেপ্টেম্বর স্বর্ণা ৪৪ দশমিক ৫০ টাকা ও মিনিকেট ৫২ দশমিক ৫০ টাকা দরে বিক্রি হয়।

কাস্টমসের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত ১২ সেপ্টেম্বর বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারত থেকে দুই হাজার ২৪০ মেট্রিক টন চাল আমদানি হয়েছে। গতকাল বুধবার বিকেল ৫টা পর্যন্ত এ বন্দরে দুই হাজার ৪৬০ মেট্রিক টন চাল আমদানি হয়েছে।

 


মন্তব্য