kalerkantho


ট্রাম্পের ফোনে আড়ি পাতার প্রমাণ মেলেনি

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৮ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০



ট্রাম্পের ফোনে আড়ি পাতার প্রমাণ মেলেনি

পূর্বসূরি বারাক ওবামার বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফোনে আড়ি পাতার যে অভিযোগ তুলেছেন, কোনো দিক থেকেই তা গ্রহণযোগ্যতা পাচ্ছে না। মার্কিন সিনেটের ইন্টেলিজেন্স কমিটি বলেছে, ট্রাম্প টাওয়ারে আড়ি পাতার কোনো প্রমাণ তারা পায়নি। এদিকে আড়ি পাতার সঙ্গে নিজেদের সম্পৃক্ততা নাকচ করে দিয়েছে যুক্তরাজ্যের গোয়েন্দা সংস্থা জিসিএইচকিউ।

চলতি মাসের শুরুতে ট্রাম্প এক টুইটার বার্তায় অভিযোগ তোলেন, প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ঠিক আগে আগে ট্রাম্প টাওয়ারে থাকা অবস্থায় ওবামা প্রশাসন তাঁর ফোনে আড়ি পেতেছিলেন। ওবামাকে আক্রমণ করে তিনি লেখেন, ‘ফোনে আড়ি পাতার জন্য বারাক ওবামা কতটা নিচে নেমেছিলেন!’ যদিও অভিযোগের ব্যাপারে তিনি কোনো প্রমাণও হাজির করেননি। ওই সময় ট্রাম্পের রিপাবলিকান দলের সিনেটরাও দাবি তোলেন, অভিযোগের ব্যাপারে ট্রাম্পকে প্রমাণ হাজির করতে হবে।

এ অবস্থায় গত বৃহস্পতিবার যৌথভাবে একটি বিবৃতি দেন সিনেট ইন্টেলিজেন্স কমিটির চেয়ারম্যান রিচার্ড বুর এবং ভাইস চেয়ারম্যান মার্ক ওয়ার্নার। রিচার্ড মুর রিপাবলিকান, ওয়ার্নার ডেমোক্র্যাট দলের।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আমাদের কাছে যে তথ্য আছে, তাতে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে বা পরে ট্রাম্প টাওয়ারে আড়ি পাতার কোনো প্রমাণ মেলেনি। ’

এর আগে হাউস স্পিকার পল রায়ান সিএনএনকে বলেন, ‘আড়ি পাতার কোনো প্রমাণ আমাদের কাছে নেই। ’ যদিও তিনি মনে করেন, ভিত্তিহীন অভিযোগ তোলার কারণে ট্রাম্প প্রশাসনের গ্রহণযোগ্যতা কমবে না।

সিনেট ইন্টেলিজেন্স কমিটির প্রতিবেদন আমলে নিতে রাজি নন হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র সিন স্পাইসার। তাঁর ভাষায়, ইন্টেলিজেন্স কমিটির প্রতিবেদনে ‘গ্রহণযোগ্য কিছু নেই’। নিজেদের অভিযোগের ব্যাপারে ট্রাম্প এখনো অটল আছেন বলেও জানান তিনি।

এদিকে গত সপ্তাহে স্পাইসার মার্কিন টেলিভিশন চ্যানেল ফক্স নিউজে দাবি করেন, ওই আড়ি পাতার পেছনে ব্রিটিশ গোয়েন্দাদেরও হাত ছিল। এই ধরনের অভিযোগ প্রথম তোলেন সাবেক মার্কিন বিচারক অ্যান্ড্রু ন্যাপোলিতানো। তাঁর উদ্ধৃতি দিয়ে স্পাইসার বলেন, ‘ওবামা আড়ি পাতার কাজে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থা এনএসএকে ব্যবহার করেননি; তিনি মার্কিন তদন্ত সংস্থা সিআইএ কিংবা গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআইকেও ব্যবহার করেননি। তিনি ব্যবহার করেছেন জিসিএইচকিউকে। ’

গত বৃহস্পতিবার এই অভিযোগ নাকচ করে দেয় জিসিএইচকিউ। তারা অভিযোগকে ‘আজেবাজে কথা’ উল্লেখ করে বলেছে, ‘বিষয়টি হাস্যকর এবং তা আমলে নেওয়াই উচিত নয়। ’ সূত্র : বিবিসি, এএফপি।


মন্তব্য