kalerkantho


প্রতীক বরাদ্দ, বিধি ভাঙার অভিযোগ সাক্কুর

নিজস্ব প্রতিবেদক, কুমিল্লা   

১৬ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০



প্রতীক বরাদ্দ, বিধি ভাঙার অভিযোগ সাক্কুর

কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রার্থীদের মধ্যে গতকাল বুধবার প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। প্রতীক পাওয়ার পরপরই প্রধান দুই প্রার্থী ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের আনজুম সুলতানা সীমা ও বিএনপির মনিরুল ইসলাম সাক্কু প্রচার শুরু করেছেন।

আওয়ামী লীগের প্রার্থীর বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণবিধি ভাঙার অভিযোগ এনেছেন সাক্কু।

প্রতীক বরাদ্দের সময় বিএনপি প্রার্থীর অভিযোগ বিষয়ে রিটার্নিং অফিসার রকিবউদ্দিন মণ্ডল বলেন, ‘সরকারি দলসহ অনেককে আমরা চিঠি দিয়েছি। সতর্ক করেছি। সুতরাং এখানে সরকারি দল-বেসরকারি দল বলে কিছু নেই। সবার সমান অধিকার। সরকারি দলের কেউ যদি আচরণবিধি লঙ্ঘন করে তাহলে আমরা তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি এবং করব। ’ তিনি প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের প্রতি নির্বাচন আচরণবিধি কঠোরভাবে মেনে চলার আহ্বান জানান।

গতকাল সকাল ১০টার কিছু পর কুমিল্লা টাউন হল তথা বীর চন্দ্র নগর মিলনায়তনে আনুষ্ঠানিকভাবে মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়। প্রতীক বরাদ্দ দেন রিটার্নিং অফিসার রকিবউদ্দিন মণ্ডল।

এ সময় বিভিন্ন প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত হয় টাউন হল ময়দান।

মেয়র প্রার্থীদের মধ্যে আওয়ামী লীগ মনোনীত আনজুম সুলতানা সীমাকে দলীয় প্রতীক নৌকা, বিএনপি মনোনীত মনিরুল হক সাক্কুকে দলীয় প্রতীক ধানের শীষ, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) শিরিন আক্তারকে তারা ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মেজর (অব.) মামুনুর রশিদকে টেবিল ঘড়ি প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়। এ ছাড়া সাধারণ কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত কাউন্সিলরদেরও প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

কুমিল্লা সিটি করপোরেশনে ২৭টি ওয়ার্ড রয়েছে। আর ভোটার সংখ্যা দুই লাখ সাত হাজার ৩৮৪।

প্রতীক বরাদ্দ পাওয়ার পর আওয়ামী লীগের প্রার্থী সীমা সাংবাদিকদের বলেন, যেহেতু তিনি বিগত দিনে নগরের ভারপ্রাপ্ত মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন, তাই জনগণ তাঁকে মূল্যায়ন করবে বলেই বিশ্বাস তাঁর। তিনি বলেন, ‘খুব ভালো লাগছে। কুমিল্লার জনগণের কাছে আমি দোয়া চাইছি নৌকার জন্য, সবাই যেন আমাকে দোয়া করে। ’

ধানের শীষ প্রতীক বরাদ্দ পাওয়ার পর বিএনপির মেয়র প্রার্থী মনিরুল হক সাক্কু প্রতিদ্বন্দ্বী মেয়র প্রার্থীর বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগ তোলেন। নগরবাসীর উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আমার প্রথম মেসেজ হলো এই সিটি করপোরেশনের প্রথম মেয়র ছিলাম আমি। ওই সময় স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করেছি। এখন আমার দল আমার সঙ্গে আছে। ’

সাক্কু বলেন, ‘নির্বাচনী আচরণবিধি ভেঙে ঢাকা থেকে আওয়ামী লীগ নেতা কাজী জাফর উল্যাহসহ আরো বহু নেতা এসে টাউন হলে বসে মিটিং করেছেন দিনের পর দিন, আজ পর্যন্ত এর কোনো ব্যাখ্যা নির্বাচন কমিশন থেকে পাইনি। ’ নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসন পক্ষপাতিত্ব করছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।


মন্তব্য