kalerkantho


জনপ্রতিনিধিরাই ইয়াবা কারবারি!

এস এম আজাদ   

৯ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০



জনপ্রতিনিধিরাই ইয়াবা কারবারি!

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার রাকিব আহমেদ একসময় স্থানীয় একটি হাসপাতালে কর্মচারী হিসেবে কাজ করতেন। এখন করেন মরণ নেশা ইয়াবার কারবার। হয়েছেন কোটিপতি। ইয়াবা ডিলার নূরুল হক ভুট্টু সিন্ডিকেটের প্রধান তিনি। মেম্বার নির্বাচিত হয়ে তিনি প্যানেল চেয়ারম্যানও হয়েছেন। স্থানীয় নয়াবাজার এলাকায় আলিশান বাড়িসহ বিপুল সম্পদও গড়েছেন তিনি।

একই কাজ করে টেকনাফের জিপচালক নুরুল হুদা স্থানীয় লেদা বাজারে দোতলা বাড়ি করেছেন। সেখানে দমদমিয়া বিওপির পাশে তাঁর তিনতলা আবাসিক হোটেল আছে। কক্সবাজার-টেকনাফ সড়কে চলাচল করে তাঁর ১৯টি যাত্রীবাহী বাস। গত বছর ডিবি পুলিশ ইয়াবাসহ তাঁকে আটক করে। এখন তিনি কক্সবাজার জেলা কারাগারে।

তাঁর দুই ভাই নূর কবির ও নূর মোহাম্মদও ইয়াবা ব্যবসায় জড়িত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে তিন বছর আগে বিশেষ অভিযানে নিহত হয়েছেন নূর মোহাম্মদ। এই তিন ভাইয়ের বিরুদ্ধে টেকনাফ থানায় ১৯টি ইয়াবা মামলা আছে। এখন কারবার চালিয়ে যাচ্ছেন কবির।

টেকনাফ পৌরসভার দক্ষিণ জালিয়াপাড়ার মৃত আবদুল গাফফারের ছেলে মোজাম্মেল হকও ভুট্টু সিন্ডিকেটের সদস্য। বছর চার আগেও টেকনাফ শহরে অন্যের দোকানের কর্মচারী ছিলেন তিনি। একই গ্রুপের অন্যতম সদস্য দক্ষিণ জালিয়াপাড়ার ওসমানের ছেলে জুবায়ের। এলাকায় বাড়ি ছাড়াও চট্টগ্রামে ফ্ল্যাট রয়েছে তাঁর, আছে গাড়িও। তাঁর বিরুদ্ধে ইয়াবা পাচারে চারটি মামলা আছে।

গোয়েন্দা ও স্থানীয় সূত্রে জানা জানা গেছে, রাকিব, নূরুল, কবির, মোজাম্মেল ও জুবায়েরের মতো কয়েক শ কারবারি সারা দেশে ছড়িয়ে দিচ্ছে ইয়াবা। কক্সবাজারের টেকনাফ ও উখিয়া উপজেলা ঘিরে গড়ে উঠেছে তাদের সিন্ডিকেট। সেখান থেকে চট্টগ্রাম, দক্ষিণাঞ্চল ও ঢাকা হয়ে সারা দেশে ইয়াবা কারবার চালাচ্ছে চিহ্নিত ইয়াবার ডিলাররা। নেপথ্যে কলকাঠি নাড়েন জনপ্রতিনিধিরা।

২০১৪ সালে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিপ্তরের (ডিএনসি) এক প্রতিবেদনে ৭৬৪ জন ইয়াবা কারবারিকে শনাক্ত করা হয়। এক বছর আগে হালনাগাদ তালিকায় ছিল ৫৫৪ জন ডিলারের নাম। এসব তালিকায় শীর্ষে আছেন কক্সবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদি, তাঁর চার ভাইসহ পরিবারের সাত সদস্য, টেকনাফ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জাফর আহমদ, তাঁর ছেলে টেকনাফ সদর ইউপির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহজাহানসহ টেকনাফ ও উখিয়ার অন্তত ২৫ জনপ্রতিনিধি।  

স্থানীয়রা বলছে, এই প্রভাবশালীদের কারণেই মিয়ানমার সীমান্ত থেকে ইয়াবা ছড়িয়ে পড়ছে। তাঁদের অনেকে ইয়াবার কারবার করে বিপুল অর্থ-সম্পত্তি করেছেন। তিন বছর আগে কক্সবাজারের বিশেষ অভিযান চালানো হলেও বেশির ভাগ কারবারি ধরাছোঁয়ার বাইরেই আছে।  

গোয়েন্দা ও স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, ইয়াবা কারবারিদের শীর্ষে আছেন এমপি বদির আপন ভাই আবদুল শুক্কুর, মৌলভী মুজিবুর রহমান, দুই সত্ভাই আবদুল আমিন ও ফয়সাল রহমান। বদির বেয়াই আকতার কামাল (মেম্বার) ও শাহেদ কামাল, মামা হায়দার আলী, মামাতো ভাই কামরুল ইসলাম রাসেল এবং ভাগ্নে নিপুর নামও ইয়াবা কারবারিদের তালিকায় আছে। উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জাফর আহমেদ এবং তাঁর চার ছেলে শাহজাহান, ইলিয়াস, দিদারুল আলম ও মোস্তাক আহমদ ইয়াবা কারবারে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। টেকনাফ সদর ইউপির চেয়ারম্যান শাহজাহান কয়েক বছরে কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছেন। টেকনাফের লেঙ্গুর বিল এলাকার ইয়াবা সিন্ডিকেট তাঁর নিয়ন্ত্রণে।  

তবে বদির বেয়াই আকতার কামাল বলেন, ‘রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ আমাদের সঙ্গে না পেরে ইয়াবা ব্যবসায়ী হিসেবে আমাদের শনাক্ত করতে চাইছে। আমরা এ কারবারের সঙ্গে জড়িত না। ’ 

সূত্র জানায়, ইয়াবা কারবারে জড়িত জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে আছেন টেকনাফের সাবরাং ইউপির আলীর ডেইল এলাকার ২ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার আকতার কামাল, নাজিরপাড়ার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার এনামুল হক, সাবরাং ইউপির চেয়ারম্যান নূর হোসেন, ফুলের ডেইলের বুলু, মহেশখালিয়াপাড়ার হামিদ হোসেন ওরফে হামিদ ডাকাত, হাতিয়াঘোনার আবদুল্লাহ, পল্যানপাড়ার আজমুল্লাহ, লেঙ্গুর বিলের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার শামসুল আলম, নয়াপাড়ার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার মোহাম্মদুর রহমান, সাবরাং ১ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার মোয়াজ্জেম হোসেন দানু, বাহারছড়া ইউপির চেয়ারম্যান আজিজ উদ্দিন, হ্নীলা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার জামাল হোসেন, ৮ নম্বর ওয়ার্ডের নুরুল হুদা, হ্নীলা লেদার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মোহাম্মদ আলী, হোয়াইক্যং ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার রাকিব আহমেদ, টেকনাফ পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও বদির ভাই মুজিবুর রহমান মৌলভী, ২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর একরামুল হক, ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মনিরুজ্জামান এবং ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নুর বশর নুরসাদ।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, তালিকাভুক্ত ইয়াবা কারবারি টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের ফুলের ডেইল এলাকার বাবুল মিয়া মাছ বিক্রি করতেন। দুই বছর আগে তিনি ইউপির মেম্বার হয়েছেন। এরপর হ্নীলায় নির্মাণ করেছেন দোতলা বাড়ি।

ইয়াবা কারবারি হ্নীলার মৌলভী আবদুর রহমান, লেদার দুই ভাই নুরুল হুদা ও নূর কবির, নাজিরপাড়ার সৈয়দ হোসেন, সিকদারপাড়ার শামসুল আলম ওরফে বার্মাইয়া শামসু ও হাবিরপাড়ার সিদ্দিক মিয়া এমপি বদির ঘনিষ্ঠ ও আশীর্বাদপুষ্ট বলে এলাকায় পরিচিত।

সূত্র জানায়, উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউপির ২ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার বকতার আহমদ গত বছরের ২০ জুন ৫০ হাজার ইয়াবাসহ ঢাকায় ধরা পড়েন। ইয়াবার কারবার করে কোটি টাকার মালিক হয়েছেন তিনি। ২০১১ সালে কক্সবাজার-টেকনাফ মহাসড়কে চলাচলকারী যাত্রীবাহী বাসের হেলপার হিসেবে কাজ করতেন। বাসে ইয়াবা পাচার করতে গিয়ে ইয়াবা নূর মোহাম্মদের সঙ্গে পরিচয় হয় তাঁর। ২০১৪ সালে নূর মোহাম্মদ ক্রসফায়ারে মারা যান। এ সময় বকতারের কাছে নূরের বড় ধরনের চালান মজুদ ছিল। এর পর থেকে বকতারের ভাই জাহাঙ্গীর, বালুখালী বাজারের এনাম, উখিয়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের সাবেক গাড়িচালক মাহমুদুল হক খোকা এলাকায় ইয়াবা সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করছে। উখিয়ায় আরো কয়েকটি সিন্ডিকেট আছে। এর মধ্যে উপজেলার হরিণমারার ফরিদ সিন্ডিকেট, জাদিমুরার হেলাল, দু’ছড়ির আতাউল্লাহ ও মীর আহামদ, ঘিলাতলীর মুবিন, পালংখালী ইউপির চেয়ারম্যান ফজল কাদের ভুট্টু ও থাইংখালীর কলিমুল্লাহ ওরফে ইয়াবা লাদেন সিন্ডিকেট উল্লেখযোগ্য।

তবে টেকনাফ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জাফর আলম বলেন, ‘তালিকায় আমার নাম নেই। একটি তালিকায় শত্রুতা করে সহযোগী হিসেবে আমার নাম দেওয়া হয়েছিল। আমার পরিবারের শত্রুরা এ কাজ করেছে। ’

টেকনাফ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নূরুল বশর কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘এলাকার অনেক জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে ইয়াবা পাচারে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। এসব ঘটনা দুঃখজনক। তবে দলীয় নেতাদের হাতে কোনো ক্ষমতা নেই। আমরা তো প্রশাসনকে চাপে রেখে এদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে পারি না। ’

নেই বিশেষ অভিযান : স্থানীয় সূত্রগুলো বলছে, ইয়াবা কারবার বন্ধে ২০১৪ সালের মার্চে টেকনাফে ইয়াবাবিরোধী বিশেষ অভিযান চালানো হয়। ওই অভিযানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নূর মোহাম্মদসহ ছয়জন ইয়াবা কারবারি নিহত হয়। গুলিবিদ্ধ হয়ে আটজন আহত হয়। আর এ ঘটনার পর ইয়াবার চিহ্নিত গডফাদাররা আত্মগোপনে চলে গেলেও বন্ধ হয়নি ইয়াবা পাচার। অনেক ইয়াবা কারবারি জামিনে ছাড়া পেয়ে ফের ব্যবসা শুরু করেছে। অন্য এলাকা থেকে নিয়ন্ত্রণ করছে কয়েকজন। শাহপরীর দ্বীপের ইসমাইল ইয়াবাসহ র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তারের দুই মাস পর জামিনে ছাড়া পেয়েছে। আরেক ইয়াবা ব্যবসায়ী জহিরুল ইসলাম বিজিবির হাতে গ্রেপ্তারের তিন মাস পর জামিনে মুক্তি পায়।

টেকনাফ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং সাবেক এমপি অধ্যাপক মোহাম্মদ আলী বলেন, স্থানীয় প্রশাসন ইয়াবার বিরুদ্ধে কোনো কার্যকর অভিযান চালায় না। পুলিশও সুবিধা নেয় বলে অভিযোগ আছে। ফলে এখানে আবার বিশেষ অভিযান চালানো দরকার।

ঢাকা-চট্টগ্রামে ইয়াবা কারবারিরা : স্থানীয় সূত্রগুলো জানায়, ইয়াবা কারবারি হিসেবে গোয়েন্দা সংস্থার তালিকায় যাদের নাম এসেছে তাদের অনেকেই কক্সবাজার ছেড়ে চট্টগ্রাম ও ঢাকায় আস্তানা গেড়েছে। শীর্ষ তালিকাভুক্তরা বর্তমানে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে মিয়ানমার থেকে পণ্য আমদানির নামে ইয়াবা পাচার করছে। ঢাকায় বসেও চালানের হাত বদল করছে কয়েকজন।

তালিকায় টেকনাফের শীলবনিয়াপাড়া অংশের ১ নম্বরে রয়েছে ডা. হানিফের ছেলে সাইফুল করিমের নাম। চট্টগ্রামে অবস্থান করে ইয়াবা কারবার নিয়ন্ত্রণ করে সে। সংসদ সদস্য বদির দুই ভাই আবদুল আমিন ও আবদুস শুক্কুর রাজধানীর বারিধারায় ফ্ল্যাট কিনে সপরিবারে বসবাস করেন। তালিকাভুক্ত ইয়াবা ডিলার জাহিদ হোসেন ওরফে জাকু বদির ঘনিষ্ঠজন হিসেবে পরিচিত।

নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, ২০১৪ সালের তালিকায় ইয়াবা কারবারের সহযোগী হিসেবে কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তার নামও উঠে আসে। পরে তাঁদের বিভিন্ন স্থানে বদলি করা হয়। তাঁদের বেশির ভাগ সদস্যই এখন চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশে কর্মরত। এর মধ্যে কক্সবাজার মডেল থানা, উখিয়া, টেকনাফ ও চকরিয়া থানার সাবেক চার ওসি রয়েছেন। এসব কর্মকর্তার সঙ্গে পুরনো সম্পর্কের কারণেই টেকনাফের ইয়াবা ডিলাররা সম্প্রতি চট্টগ্রামে ঘাঁটি গেড়েছে।   

ডিএনসির বার্ষিক প্রতিবেদনে বলা হয়, ইয়াবার সবচেয়ে বেশি বিস্তার চট্টগ্রামে। চট্টগ্রাম অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি ইয়াবা উদ্ধারের কারণ কক্সবাজার-টেকনাফ হয়ে চট্টগ্রাম রুটেই আসে ইয়াবার চালান।   ২০১৫ সালের ইয়াবাসংক্রান্ত মামলার মধ্যে ৩৭.৬ শতাংশই হয়েছে চট্টগ্রামে। জব্দ করা ইয়াবার ৯১.৬৬ শতাংশই পাওয়া গেছে চট্টগ্রামে।

ডিএনসির উপপরিচালক (চট্টগ্রাম মেট্রো) আলী আসলাম বলেন, ‘মিয়ানমার-টেকনাফ রুটে ইয়াবার কারবার হচ্ছে সমুদ্রপথে। ডাঙায় ওঠার আগেই চালান ভাগ হয়ে যায়। তবে আমাদের লজিস্টিক সাপোর্টের  ঘাটতির কারণে সমুদ্রে অভিযান চালাতে পারি না। ’   

প্রশাসনের বক্তব্য : ডিএনসির পরিচালক (অপারেশন ও গোয়েন্দা) সৈয়দ তৌফিক উদ্দিন আহমেদ কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘ইয়াবা কারবারিদের তালিকা করে তাদের বিরুদ্ধে আমরা অভিযান চালাচ্ছি। তবে বড় চালানসহ তেমন কাউকে গ্রেপ্তার করা যাচ্ছে না। সমন্বিত অভিযান ছাড়া ইয়াবার মূল উৎপাটন সম্ভব নয়। ’

টেকনাফ সীমান্তের বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ব্যাটালিয়ন ২-এর অধিনায়ক লে. কর্নেল আবুজার আল জাহিদ বলেন ‘টেকনাফ সীমান্তে বিজিবি সদস্যদের অব্যাহত চাপে ইয়াবা ডিলাররা এখন টেকনাফ ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়েছে। তবে কোনো একটি বাহিনীর সদস্যদের দিয়ে ইয়াবা পাচার সম্পূর্ণ বন্ধ করা সম্ভব নয়। এ জন্য দরকার সমন্বিত অভিযানের। ’

কক্সবাজারের পুলিশ সুপার ড. এ কে এম ইকবাল হোসেন বলেন, ইয়াবা কারবার বন্ধ করতে কক্সবাজারের পুলিশ বদ্ধপরিকর। এখানে নিয়মিত তল্লাশি ও অভিযান চালানো হচ্ছে। পুলিশের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ উঠলেও তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

(প্রতিবেদন তৈরিতে সহায়তা করেছেন কক্সবাজারের নিজস্ব প্রতিবেদক তোফায়েল আহমদ)


মন্তব্য