kalerkantho


আইনমন্ত্রী বললেন

আগামী নির্বাচনে জনগণের সামনে দুই পথ

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি   

৩ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০



আগামী নির্বাচনে জনগণের সামনে দুই পথ

ফাইল ছবি

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে উন্নয়নের দল উল্লেখ করে বলেছেন, আগামী নির্বাচনে জনগণের সামনে দুটি পথ থাকবে। একটা হচ্ছে, বাংলাদেশের উন্নয়নের জন্য যে দল কাজ করে তাকে ভোট দেওয়া আর অন্যটা হচ্ছে বাংলাদেশকে ধ্বংস করার জন্য যারা কাজ করে তাদের ভোট দেওয়া।

আমার বিশ্বাস জনগণ সব সময় সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আগামী নির্বাচনেও মানুষ নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখবে এবং বাংলাদেশকে বিশ্বের দরবারে মর্যাদাশীল দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবে।

আইনমন্ত্রী বৃহস্পতিবার বিকেলে চাঁপাইনবাবগঞ্জে নবনির্মিত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনার সরকার বিশ্বাস করে যে বাংলাদেশের উন্নয়নের জন্য, বাংলাদেশের গণতন্ত্র সুপ্রতিষ্ঠার জন্য সবচেয়ে বড় প্রয়োজন আইনের শাসন। কারণ আইনের শাসন, গণতন্ত্র এবং উন্নয়ন পরস্পরের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত। তাই সরকার আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় অবিচল রয়েছে এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতাকে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করে চলেছে। সরকার বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও উন্নয়নে জোর দিয়েছে। দুই হাজার ৩৮৮ কোটি টাকা ব্যয়ে দেশের ৪২ জেলায় চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবন নির্মাণের প্রকল্প হাতে নিয়েছে। ইতিমধ্যে ১২টি জেলায় ভবন নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে।

আরো ২৭ জেলায় ১৬২ কোটি টাকা ব্যয়ে জজ আদালত ভবনের সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। মন্ত্রী বলেন, সুদক্ষ বিচার বিভাগের জন্য সুদক্ষ বিচারক প্রয়োজন। তাই এই স্বাধীনতার মাসে সরকার একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। আগামী তিন বছরে দেশের ৫৪০ জন বিচারককে অস্ট্রেলিয়ায় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ এনামুল বারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন সংসদ সদস্য আব্দুল ওদুদ, আইন বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের সচিব আবু সালেহ শেখ মো. জহিরুল হক, অতিরিক্ত সচিব মোস্তাফিজুর রহমান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মইনুদ্দীন মণ্ডল, জেলা প্রশাসক মাহমুদুল হাসান, গণপূর্ত বিভাগের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী সফিকুর রহমান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি মোসাদ্দেক হোসেন কাজল।

গণপূর্ত বিভাগের তত্ত্বাবধানে ১২ তলা ভিত বিশিষ্ট চারতলা এই আদালত ভবন নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ২৪ কোটি টাকা। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, শিগগিরই চারতলা এ ভবনের ওপর আরো চারতলা নির্মাণ করা হবে। এর ফলে বিচারকদের বিচারিক কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্নে সুবিধা বৃদ্ধি পাবে এবং মামলাজট বহুলাংশে কমে আসবে।


মন্তব্য