kalerkantho


প্রায় ১২৭ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

খুলনা অফিস   

২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



প্রায় ১২৭ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

সোনালী ব্যাংক লিমিটেডের খুলনা করপোরেট শাখার সাবেক ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার ও প্রধান কার্যালয়ের জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) নেপাল চন্দ্র সাহা, সোনালী জুট মিলস লিমিটেডের চেয়ারম্যান এস এম ইমদাদুল হোসেন বুলবুলসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা হয়েছে। ১২৬ কোটি ৮২ লাখ ৯৩ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করে গতকাল বুধবার দুপুরে খুলনা নগরীর খানজাহান আলী থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) খুলনা কার্যালয়ের উপপরিচালক মোশাররফ হোসেন এ মামলার বাদী।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন খুলনা সোনালী ব্যাংক শাখার সহকারী কর্মকর্তা কাজী হাবিবুর রহমান, সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার (এসপিও) তৈয়েবুর রহমান ও সাবেক কর্মকর্তা সুমীর কুমার দেবনাথ।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ‘সিসি প্লেজ’ ও ‘সিসি হাইপো’ খাতে ২০১০ সাল থেকে দফায় দফায় ৮৫ কোটি ৮০ লাখ ৬৯ হাজার ১৭৪ টাকা ঋণ গ্রহণ করে সোনালী জুট মিল। কিন্তু

এর বিপরীতে কোনো মালামাল ক্রয় না করে ওই অর্থ অভিযুক্তরা পরস্পর যোগসাজশে আত্মসাৎ করেন। এ অর্থ বর্তমানে সুদাসলে ১২৬ কোটি ৮২ লাখ ৯৩ হাজার ২৮২ টাকা হয়েছে। ২০১০ সালের ১২ জুলাই ও ১৪ জুলাই দুই দফায় সোনালী জুট মিলের অনুকূলে ১৮ কোটি এক লাখ ৫৫ হাজার টাকার মালামাল প্লেজ করা হয়। অথচ মঞ্জুরীকৃত ঋণসীমা ছিল ১৫ কোটি টাকা। ব্যাংকের নিয়ম অনুসারে কোনোক্রমেই প্লেজসীমার অতিরিক্ত ঋণ দেওয়া যায় না। কিন্তু ব্যাংক কর্মকর্তারা সরকারি স্বার্থ ক্ষুণ্ন ও মিলের চেয়ারম্যানের কাছ থেকে অবৈধ সুবিধা নিয়ে ওই পরিমাণ টাকার প্লেজ ঋণ দেন, যা আত্মসাৎ করা হয়েছে।

একইভাবে ২০১০-১১, ২০১১-১২ ও ২০১২-১৩ পাট মৌসুমেও এ ধরনের ঋণ দেওয়া হয়।

মামলার বাদী মোশাররফ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে সাংবাদিকদের বলেন, অভিযুক্তরা পরস্পর যোগসাজশে খুলনা শাখার সোনালী ব্যাংক থেকে বিভিন্ন সময় ওই টাকা ঋণ নিয়েছেন, যা দুদকের তদন্তে বেরিয়ে এসেছে।

খানজাহান আলী থানার ওসি কালের কণ্ঠকে মামলা দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


মন্তব্য