kalerkantho


‘নৈসর্গিক’ জেলখানা

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



‘নৈসর্গিক’ জেলখানা

জেলখানা মানেই শাস্তির জায়গা, জেলখানা মানেই যন্ত্রণার জায়গা—পারিপার্শ্বিক বাস্তবতায় অধিকাংশের ধারণাটা এমনই। কিন্তু না, ব্যতিক্রমও আছে।

নরওয়ের একটি সংশোধনাগারের অন্দরমহল দেখলে তেমনটা মনে হওয়া তো দূরের কথা, উল্টো পাঁচ তারা হোটেল বলে ভুল হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

নরওয়ের ‘হ্যাল্ডেন প্রিজন’। দেশটির দ্বিতীয় সর্ববৃহৎ জেলখানা। ২০১০ সালে তৈরি হয় এই সংশোধনাগার। বন্দিদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা থেকে শুরু করে তাদের বিনোদনের বেশ কিছু আয়োজনও রয়েছে সেখানে। খেলাধুলা, গানবাজনার সময় কয়েদিদের সঙ্গে অংশগ্রহণ করেন জেলখানার কর্মীরাও।

জেলখানা মানেই যে অন্ধকারাচ্ছন্ন কুঠুরির মতো ঘর, তা এখানে একেবারেই প্রযোজ্য নয়। ছোট ছোট সুন্দর সাজানো ঘর। জানালা দিয়ে বাইরে তাকালেই চোখে পড়বে সবুজ লন, নানা রঙের ফুল।

কয়েদিরা নিজেরাই এখানে সবজি ও ফলের চাষ করে। রান্নাও করে নিজেরাই। একসঙ্গে খাওয়া-দাওয়া, টেলিভিশন দেখা ইত্যাদির মধ্য দিয়ে তাদের স্বাভাবিক পরিবেশে বাঁচার সব আয়োজন করে দিয়েছে জেলখানা কর্তৃপক্ষ।

নরওয়ের অন্যান্য জেলখানার তুলনায় হ্যাল্ডেন প্রিজনকে ‘ম্যাক্সিমাম সিকিউরিটি প্রিজন’ তালিকার মধ্যে ধরা হয়। কিন্তু সেখানকার কর্তৃপক্ষের মতে, আসামি যতই ভয়ানক হোক, তাকে ‘মানুষ’ হিসেবে সম্মান দিলে, কিছুটা হলেও তার ব্যবহারে তা প্রতিফলিত হয়। সূত্র : এবেলা।


মন্তব্য