kalerkantho


মাংস ব্যবসায়ীদের সংবাদ সম্মেলন

দাবি মানলে গরুর মাংস ৩০০ টাকা

সরকারের সঙ্গে বৈঠক কাল

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



দাবি মানলে গরুর মাংস ৩০০ টাকা

বাংলাদেশ মাংস ব্যবসায়ী সমিতির মহাসচিব রবিউল আলম বলেছেন, ‘ভারতীয় গরু আমদানির ব্যবস্থা ঠিক করা হলে ৩০০ টাকার চেয়েও কম দামে আমরা মাংস বিক্রি করতে পারব। ’ তিনি আরো বলেন, ‘গাবতলী হাটের ইজারাদার আর উত্তর সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তাদের স্বেচ্ছাচারিতায় গরু কিনতে হয় চড়া মূল্যে। তাই গাবতলী হাটের ইজারা বাতিল করা একান্ত প্রয়োজন। ’

গতকাল শুক্রবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে বাংলাদেশ মাংস ব্যবসায়ী সমিতি ও ঢাকা মেট্রোপলিটন মাংস ব্যবসায়ী সমিতি। সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা মেট্রোপলিটন মাংস ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি শেখ মো. আবদুল বারেক, বাংলাদেশ মাংস ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি গোলাম মোর্তুজা, ঢাকা মেট্রোপলিটন মাংস ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক শামীম আহমেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

লিখিত বক্তব্যে রবিউল আলম বলেন, ‘আমাদের দাবি মেনে না নেওয়া হলে সারা দেশে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট ডাকা হবে। আমাদের দাবি মানা হলে ৩০০ টাকার কমেও মাংস খাওয়ানো সম্ভব। ’

চার দফা দাবিতে টানা ছয় দিনব্যাপী ধর্মঘটের ডাক দেয় বাংলাদেশ মাংস ব্যবসায়ী সমিতি ও ঢাকা মেট্রোপলিটন মাংস ব্যবসায়ী সমিতি। গত সোমবার থেকে শুরু হওয়া এই ধর্মঘট আগামীকাল শনিবার শেষ হবে। দাবির মধ্যে অতিরিক্ত খাজনা আদায়ের জন্য গাবতলী হাটে ইজারাদারদের ইজারা বাতিল, হুন্ডির মাধ্যমে গরু ব্যবসার নামে ভারতে গরু পাচার বন্ধ করা ও হুন্ডি ব্যবসায়ী ‘কালা মইজা’কে বিচারের আওতায় আনা, হাজারীবাগের ট্যানারিগুলো দ্রুত অপসারণ ও চামড়ার পড়তি দাম বাড়ানো, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ‘দুর্নীতিগ্রস্ত’ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অপসারণ এবং ট্যানারিশিল্প মালিকদের দুই ভাগে ভাগ করে সফল ব্যবসায়ীদর সহযোগিতা আর ব্যর্থ মালিকদের কারখানা বন্ধ করা।

আগামীকাল শনিবার পর্যন্ত ধর্মঘট চলবে জানিয়ে রবিউল আলম বলেন, ‘শনিবারের পর থেকে আমাদের ধর্মঘট স্থগিত থাকবে, প্রত্যাহার হবে না।

রবিবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয় আর ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মিটিং আছে। রবিবার শহরে গরু জবাই হবে। ’


মন্তব্য