kalerkantho

সোমবার । ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ । ৮ ফাল্গুন ১৪২৩। ২২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩৮।


নতুন ইসির প্রথম পরীক্ষা আজ

বাঘাইছড়ি পৌর ভোট সুষ্ঠু করতে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা

রাঙামাটি প্রতিনিধি   

১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



নতুন ইসির প্রথম পরীক্ষা আজ

রাঙামাটির বাঘাইছড়ি পৌরসভা নির্বাচন আজ শনিবার। ভোটগ্রহণের সব প্রস্তুতি এরই মধ্যে শেষ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। কে এম নুরুল হুদার নেতৃত্বাধীন নতুন ইসির অধীনে এটিই প্রথম নির্বাচন। ফলে নতুন ইসির অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের অঙ্গীকার রক্ষার ক্ষেত্রে বাঘাইছড়ি পৌর ভোটকে প্রথম পরীক্ষা হিসেবে দেখছেন পর্যবেক্ষকরা। আর এই পরীক্ষায় সাফল্যের সঙ্গে উত্তীর্ণ হওয়ার বার্তাও দিয়েছেন নতুন ইসি।

বাঘাইছড়ি পৌরসভা নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে যা যা করণীয় তাই করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহাদৎ হোসেন। গতকাল শুক্রবার সকাল ১১টায় বাঘাইছড়ি উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আইন-শৃঙ্খলাসংক্রান্ত এক জরুরি সভায় এই নির্দেশ দেন তিনি। নির্বাচনের কাজে নিয়োজিত রিটার্নিং অফিসার, পোলিং অফিসারসহ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তা ও সদস্যদের তিনি ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি নিয়ে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে বলেন।

রাঙামাটির জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মানজারুল মান্নান, নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং অফিসার নাজিমউদ্দিন, ৯টি কেন্দ্রের কেন্দ্রপ্রধানসহ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা সভায় উপস্থিত ছিলেন।  

বাঘাইছড়ি পৌরসভার এটি দ্বিতীয় নির্বাচন। এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির প্রার্থীদের সঙ্গে সমান তালে লড়ছেন এক স্বতন্ত্র প্রার্থী। তিন প্রার্থী হলেন নৌকা প্রতীকের জাফর আলী খান, ধানের শীষ প্রতীকের ওমর আলী এবং স্বতন্ত্র আজিজুর রহমান। এই পৌরসভার ভোটার ১০ হাজার ১১৭ জন।

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং অফিসার নাজিমউদ্দিন জানান, গতকাল দুপুরের মধ্যেই পৌরসভার সব কেন্দ্রে নির্বাচনী সরঞ্জাম পৌঁছে গেছে। পৌঁছে গেছেন সংশ্লিষ্ট কর্তারাও।

অপপ্রচারের কারণে শঙ্কা : গতকাল সন্ধ্যার পর একটি মহল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে প্রচার করে যে একটি রিট মামলার পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচন স্থগিত হয়েছে। এমন অপপ্রচারের কারণে অনেকের মনেই তৈরি হয় সংশয় ও শঙ্কা। তবে রাতেই জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মানজারুল মান্নান ও রিটার্নিং অফিসার নাজিমউদ্দিন নিশ্চিত করেছেন, আদালতের এই ধরনের কোনো নির্দেশনা তাঁদের হাতে আসেনি। কাজেই ভোট স্থগিত হওয়ার কোনো কারণ নেই।   

যে রিট আবেদনের কপি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়ানো হয় তার বাদী হিসেবে ফজল কাদেরের নাম রয়েছে। তবে ফজল কাদের দাবি করেন, তিনি কোনো রিট আবেদন করেননি। কেউ তাঁর নাম-পরিচয় কিংবা কাগজপত্র ব্যবহার করে এটা করেছে কি না তাও জানেন না তিনি।


মন্তব্য