kalerkantho

রবিবার । ১১ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


চুয়াডাঙ্গায় র‌্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ২

দুজনই স্কুল ছাত্র সজীব হত্যা মামলার আসামি

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি   

২১ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



চুয়াডাঙ্গায় র‌্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ২

চুয়াডাঙ্গায় র‌্যাবের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে স্কুল ছাত্র সজীব হত্যা মামলার অন্যতম আসামি সবুজ (২৮) ও শাকিল (৩০) নিহত হয়েছে। বুধবার রাত পৌনে ৩টার দিকে চুয়াডাঙ্গার দর্শনা শান্তিপাড়ার বাইপাস সড়কের পাশে এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে।

দুজনই চুয়াডাঙ্গা ভি. জে. স্কুলের ছাত্র মাহফুজ আলম সজীব অপহরণ ও খুন-গুমের অন্যতম আসামি।

দামুড়হুদা থানার ডিউটি অফিসার এসআই মহিতুর রহমান জানান, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ঝিনাইদহ র‌্যাবের একদল সদস্য বুধবার রাত ৩টার দিকে দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনা শান্তিপাড়ায় অভিযান চালান। র‌্যাব সদস্যদের দাবি, সেখানে একদল সন্ত্রাসী বৈঠক করছিল। র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে সন্ত্রাসীরা গুলিবর্ষণ করে। র‌্যাবও পাল্টা গুলি

চালায়। গোলাগুলির পর ঘটনাস্থল থেকে র‌্যাব সবুজ ও শাকিলের মৃতদেহ উদ্ধার করে। ভোরের দিকে দুজনের লাশ উদ্ধার করে র‌্যাব সদস্যরা চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিত্সক সবুজ ও শাকিলকে মৃত ঘোষণা করেন। দুজনই বুকে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছে। এরপর র‌্যাব সদস্যরা দামুড়হুদা থানায় গিয়ে পুলিশের কাছে লাশ হস্তান্তর করেন। ঘটনাস্থল থেকে র‌্যাব সদস্যরা একটি শাটারগান, চারটি গুলি, কয়েকটি ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করেছেন। নিহত সবুজ চুয়াডাঙ্গা সিঅ্যান্ডবিপাড়ার মৃত হামিদুলের ছেলে। আর শাকিল দামুড়হুদা শহরের আবদুল কাদেরের ছেলে।

গত ১৭ সেপ্টেম্বর র‌্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে মারা যান স্কুল ছাত্র সজীব অপহরণ-খুন-গুমের মূল হোতা চুয়াডাঙ্গার আলুকদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার রাকিবুল ইসলাম রাকিব। সজীবের লাশ উদ্ধারের পর থেকে রাকিব পলাতক ছিলেন।

র‌্যাব ও পুলিশ জানায়, ২৯ জুলাই দামুড়হুদা উপজেলা চত্বরের বৃক্ষমেলা এলাকা থেকে কৌশলে সজীবকে অপহরণ করা হয়। র‌্যাবের তথ্য মতে, ক্রসফায়ারে নিহত শাকিল কৌশলে স্কুল ছাত্র সজীবকে দামুড়হুদার বৃক্ষমেলার মাঠ থেকে শহরের সিঅ্যান্ডবিপাড়ার একটি বাড়িতে নিয়ে যায়। ওই বাড়ির সেপটিক ট্যাংক থেকে এক মাস পর সজীবের লাশ উদ্ধার করা হয়। সজীবকে অপহরণ করে প্রথমে যেখানে নিয়ে যাওয়া হয় সেখানে আলোকদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার রকিবুল ইসলাম রাকিবের চার্জার লাইটের কারখানা। মুক্তিপণের জন্য রাকিবের নির্দেশেই সজীবকে অপহরণ করা হয়েছিল। অপহরণের পর মুক্তিপণ হিসেবে ২০ লাখ টাকা দাবি করাও হয়েছিল।


মন্তব্য