kalerkantho


শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সভাপতির পদ ফেরত চান এমপিরা

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২০ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সভাপতির পদ ফেরত চান স্থানীয় সংসদ সদস্যরা। আর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ও পুনরায় তাঁদের এই পদে বসানোর জন্য আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে যাচ্ছে।

গতকাল বুধবার জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে। মন্ত্রণালয় আরো জানায়, দেশের মাদ্রাসা শিক্ষাকে ডিজিটাল কর্মসূচির আওতায় আনার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে ছয় হাজার ৫০৬টি মাদ্রাসায় ইন্টারনেট সংযোগসহ মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম চালু করা হয়েছে।

কমিটির সভাপতি মো. আফছারুল আমীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে মন্ত্রণালয় আরো জানায়, সংসদ সদস্যরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সভাপতি পদে থাকতে পারবেন না বলে হাইকোর্ট যে রায় দিয়েছেন, মন্ত্রণালয় তার বিরুদ্ধে আপিল করার প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। এর আগে গত ১ জুন হাইকোর্টের এক রায়ে বলা হয়েছে, সংসদ সদস্যরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সভাপতির পদে থাকতে পারবেন না। এ নিয়ে সংসদের বাজেট ও তার পরের অধিবেশনে সংসদ সদস্যরা ব্যাপক হইচই করেন। সংসদীয় কমিটির বৈঠকে এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের পদক্ষেপ জানতে চাইলে ওই জবাব দেওয়া হয়। মন্ত্রণালয় জানায়, অবসরপ্রাপ্ত বেসরকারি শিক্ষকদের জমা হওয়া অবসর ভাতার আবেদন নিষ্পত্তির জন্য দুই হাজার ৫০০ কোটি টাকা দরকার। কিন্তু চলতি অর্থবছরে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে ৬৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

এর মধ্যে ৫০০ কোটি টাকা সিড মানি হিসেবে জমা থাকবে এবং বাকি টাকা অবসর ভাতা বাবদ পরিশোধ করা যাবে। তবে বরাদ্দ হওয়া টাকা এখনো তহবিলে জমা হয়নি। বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শেষে সংসদীয় কমিটি শিক্ষকদের দ্রুত অবসর সুবিধা দেওয়ার জন্য শিক্ষা বোর্ডের আইন দ্রুত সংশোধন করার তাগিদ দেয়। এ সময় ফান্ডে জমা থাকা টাকা থেকে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা প্রতি মাসে এই খাতে দেওয়ার সুপারিশ করা হয়।

বৈঠকে উত্থাপিত প্রতিবেদনে বলা হয়, ইতিমধ্যে সৃজনশীল প্রশ্ন পদ্ধতির সুষ্ঠু বাস্তবায়নে সেকেন্ডারি এডুকেশন সেক্টর ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট (এসইএসডিপি) মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক, দাখিল ও আলিম স্তরের মাস্টার ট্রেইনার হিসেবে ১২ দিনব্যাপী প্রায় ১৩ হাজার ৯৫০ জন শিক্ষককে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। ওই মাস্টার ট্রেইনারদের মাধ্যমে মাধ্যমিক স্তর ও দাখিল স্তরের (ষষ্ঠ থেকে নবম-দশম শ্রেণি) চার লাখ ছয় হাজার ৬৬৪ জন এবং উচ্চ মাধ্যমিক স্তর ও আলিম স্তরের (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি) ৬৪ হাজার ২৯২ জন শ্রেণিশিক্ষককে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।

 


মন্তব্য