kalerkantho

মঙ্গলবার । ৬ ডিসেম্বর ২০১৬। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৫ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


পুরান ঢাকায় অনিয়মের সাক্ষী এক বহুতল ভবন

উচ্ছেদ অভিযানে যাচ্ছে রাজউক

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২০ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



উচ্ছেদ অভিযানে যাচ্ছে রাজউক

ইমারত নির্মাণ আইন-১৯৫২-র ব্যত্যয় ঘটিয়ে নির্মাণ করা পুরান ঢাকার আরমানিটোলার ১০৪/১ ভবনটিতে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)। ভবনটিতে নির্মাণসংক্রান্ত নানা ত্রুটি ও অনিয়ম ধরা পড়েছে সংস্থাটির পক্ষ থেকে সরেজমিন তদন্তে।

সব কিছু ঠিক থাকলে শিগগিরই অভিযানে যাবেন রাজউকের ভ্রাম্যমাণ আদালত। গতকাল দৈনিক কালের কণ্ঠে ‘পুরান ঢাকায় অনিয়মের সাক্ষী এক বহুতল ভবন’ শিরোনামে একটি সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। এরপর রাজউকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ওই ভবনে উচ্ছেদ অভিযানের সিদ্ধান্ত নেন।

রাজউকের অথরাইজড অফিসার জেড এম শফিউল হান্নান গতকাল কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘পুরান ঢাকার এ ভবনের ব্যাপারে আমরা একটি সিদ্ধান্তে পৌঁছেছি। আশা করছি আগামী কয়েক দিনের মধ্যে উচ্ছেদ অভিযান করা যাবে। ’

শফিউল হান্নান বলেন, এ ভবনে এর আগে আমরা উচ্ছেদ চালিয়েছিলাম। ৯ তলার ওপরের অবৈধ অংশ ভেঙে দিয়েছিলাম। নিচতলায় গ্যারেজের জায়গায় যেখানে দোকান ও গোডাউন রয়েছে তাও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বাড়ির মালিক ভাঙা অংশ মেরামত করে সব কিছু আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নিয়েছেন। ’

রাজধানীর পুরান ঢাকার আরমানিটোলার কে পি ঘোষ স্ট্রিট রোডে বিশাল এ ভবন। ভবনের নিচে গ্যারেজ থাকার কথা থাকলেও সেখানে দেখা যায় কমপক্ষে ১০টি দোকান আর আটটি গুদামঘর। হাসান এন্টারপ্রাইজ, মিম এন্টারপ্রাইজ, সুমন পেপার হাউস, আল মদিনা প্লাস্টিক, মাছুম পেপার হাউস, খান ট্রেডিংসহ আরো কিছু গুদাম এরই মধ্যে চালু হয়েছে। বাকিগুলো ভাড়ার জন্য টু-লেট টাঙানো হয়েছে। বহুতল ভবন করলে নিয়মানুযায়ী জমির ৩৫ থেকে ৪০ ভাগ জায়গা ছাড়ার কথা থাকলেও এই ভবনের মালিক তা মানেননি। এমনকি নিচের অংশে ভবনের পিলার রাস্তা ঘেঁষে তোলা হয়েছে, যা ওপরে গিয়ে রাস্তার অংশে বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

রাজউক সূত্রে জানা যায়, ওই ভবনের মালিক মো. হাবিবুর রহমানকে রাজউকের পক্ষ থেকে ২০১৪ সালে চূড়ান্ত নোটিশ দিয়ে অবৈধ অংশ ভেঙে দেয় রাজউক। কিন্তু মালিক পরে তা মেরামত করে ভবনটি আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নেন।


মন্তব্য