kalerkantho

শনিবার । ১০ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


এত অভিযোগ তবু বহাল তবিয়তে মেয়র আইভী!

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১০ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



এত অভিযোগ তবু বহাল তবিয়তে মেয়র আইভী!

দুর্নীতি আর অনিয়মের নানা অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেয়র সেলিনা হায়াত আইভী আছেন বহাল তবিয়তে। অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে উত্থাপিত দুর্নীতি ও অনিয়মের তথ্যপ্রমাণাদি সরিয়ে ফেলার সুযোগ করে দিচ্ছে কেউ কেউ।

ইতিমধ্যে সিটি মাধবী প্লাজার বেজমেন্টে গড়ে ওঠা একটি রেস্টুরেন্ট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সাবেক পৌরসভা আমল থেকেই চুক্তি ভঙ্গ করে মেয়র আইভীর ভাইয়ের মালিকানাধীন ওই রেস্টুরেন্টটি ব্যবসা করে আসছিল। তড়িঘড়ি করে এমন সিদ্ধান্তকে চক্রান্ত বলেই মনে করছেন অনেকে। তাঁরা বলছেন, দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষ থেকে বিলুপ্ত নারায়ণগঞ্জ পৌরসভা ও সিটি করপোরেশনের নানা অনিয়ম ও দুর্নীতি তদন্তে গঠিত কমিটির প্রতিবেদনে যাতে দুর্নীতির প্রমাণ না থাকে এ কারণেই এমন সিদ্ধান্ত।

শুধু তা-ই নয়, সাবেক পৌরসভা আমলে চুক্তিবদ্ধ হওয়া একটি পার্কের চেয়ারম্যান লিখিতভাবে দুদক ও স্থানীয় সরকার সচিবের কাছে জানিয়েছেন কিভাবে পার্কের জন্য জমি দেওয়ার শর্তে চাপ প্রয়োগ করে কোনো মূলধন ছাড়াই মেয়র আইভীর ভাই রেজাউল ইসলাম রনি, সাবেক পৌরসভার দুই কর্মকর্তার স্ত্রীকে পরিচালক বানানো হয়েছিল। কিন্তু এর পরও এসব দুর্নীতি তদন্তে রহস্যজনক নীরবতা লক্ষ করা গেছে।

উপরন্তু দুদকের করে দেওয়া তদন্ত কমিটি আজও কোনো দৃশ্যমান তদন্তে যায়নি বলেই জানা গেছে। নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন ও সাবেক পৌরসভা আমলে মেয়র আইভীর স্বজনপ্রীতি ও অনিয়ম নিয়ে বিভিন্ন জাতীয় গণমাধ্যমে তথ্যবহুল সংবাদ প্রকাশের পরও কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই তদন্তে। দুদকের একাধিক সূত্র বলছে, প্রতিষ্ঠানটির নতুন চেয়ারম্যান আসার পর দেশের অনেক রাঘব-বোয়ালের বিরুদ্ধে মামলার চাপা পড়া ফাইল পুনঃ তদন্তের জন্য খোলা হলেও নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের দুর্নীতি তদন্তে কোনো অগ্রগতিই নেই। অন্যদিকে জাতীয় সংসদে মিথ্যা তথ্য সরবরাহ করার বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ার পরও সিটি করপোরেশনের অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধেও কোনো বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।

তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে, গত বছর জাতীয় সংসদের পঞ্চম অধিবেশনে সংসদ সদস্য শামীম ওসমান নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন প্রেরিত অসত্য ও ভুল তথ্য সংসদে প্রদানের অভিযোগ আনেন। এ বিষয়ে ওই বছরের ১১ মার্চ স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। ওই কমিটিকে ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করার নির্দেশ প্রদান করা হলেও রহস্যজনক কারণে তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক পদে পরিবর্তন এনে দীর্ঘ চার মাস পরে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়। ওই তদন্ত প্রতিবেদনের সার্বিক মন্তব্য পর্যালোচনা করে গত বছরের ২৭ আগস্ট স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব সরোজ কুমার নাথ এক পত্র পাঠান। দুর্নীতি দমন কমিশনকে দেওয়া ওই পত্রে তদন্ত প্রতিবেদনে প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত অভিযোগগুলোর বিষয়ে পরবর্তী প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হয়। ওই তদন্ত প্রতিবেদনকে আমলে নিয়ে যাচাই-বাছাই শেষে মেয়র সেলিনা হায়াত আইভীর দুর্নীতি অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে দুদকের উপপরিচালক মীর মো. জয়নুল আবেদীন শিবলীর নেতৃত্বে একটি অনুসন্ধানী দল গঠন করা হয়। দলের অন্য সদস্যরা হলেন—সহকারী পরিচালক শেখ আবদুছ সালাম এবং উপসহকারী পরিচালক সেলিনা আক্তার মনি। কিন্তু জয়নুল আবেদীন বর্তমানে পরিচালক পদে পদোন্নতি পাওয়ায় তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। অন্য উপপরিচালক শেখ আবদুছ সালামের নেতৃত্বে তিন সদস্য এ ব্যাপারে কোনো প্রতিক্রিয়া বা মন্তব্য জানাতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।

অন্যদিকে দুদক সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ চাপের কারণে নাসিকের অনিয়মের বিরুদ্ধে দুদকের তদন্ত কমিটি আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু করতে না পারলেও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ও জাতীয় সংসদে একজন এমপির উত্থাপিত ওই সব অভিযোগের প্রাথমিক তদন্ত করতে গিয়ে আমরা ওই সব অভিযোগের বাইরেও নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির আলামত পেয়েছি। সাবেক নারায়ণগঞ্জ পৌরসভা ও বর্তমান নাসিকের মেয়র আইভীর মোট ১২ বছরের ক্ষমতাকালে সংঘটিত এসব অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রমাণও মিলবে বলে আমাদের বিশ্বাস। কিন্তু এসব তথ্যের দালিলিক প্রমাণ প্রকাশিত হলে মেয়র আইভীর নির্বাচনে ব্যাপক বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে। তাই তদন্ত কার্যকম এক রকম ডিপ ফ্রিজে চলে গেছে বলা যায়।

তথ্যানুসন্ধানে ও দুদকের একাধিক সূত্র জানয়েছেন, তদন্ত করতে গিয়ে দুদকের অনুসন্ধান দল ও তাদের সহায়তাকারীদের সামনে অনেক বিষয় চলে এসেছে। ১২ বছর ধরে কমপক্ষে ৫০০ কোটি টাকার টেন্ডার দুর্নীতি হয়েছে। মেয়রের ঘনিষ্ঠ বন্ধু আবু সুফিয়ান তাঁর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স মুনিয়া ট্রেডার্স, মেসার্স মুনিয়া এন্টারপ্রাইজ, মেসার্স রত্না এন্টারপ্রাইজ (জেবি) এবং মেসার্স রত্না কনসোর্টিয়ামের নামে ২০০৩ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত শুধু পৌরসভা আমলেই প্রায় ২০০ কোটি টাকার টেন্ডার কাজ করেছে। যা পৌরসভা আমলে মোট টেন্ডার কাজের প্রায় ৭০ শতাংশ। এ ছাড়া সিটি করপোরেশন হওয়ার পর থেকে অদ্যাবধি ওই একই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানগুলোর নামে কমপক্ষে ৩০০ কোটি টাকার টেন্ডার কাজ বরাদ্দ হয়েছে। সম্প্রতি নারায়ণগঞ্জ শহর এলাকার ফুটপাতে টাইলস বসানোর কয়েক কোটি টাকার তিনটি কাজও এই সিন্ডিকেটকে দেওয়া হয়েছে। এ কাজে ধার্যকৃত ৪৩ টাকার টাইলসকে ১১৫ টাকায় নির্ধারণ করা হয়েছে বলেও অভিযোগ আছে। বন্দরে নির্মিতব্য ইকো পার্কের প্রথম ধাপের ৩০ কোটি টাকার টেন্ডারও নিয়েছে সুফিয়ান সিন্ডিকেট। নারায়ণগঞ্জ পৌর পাঠাগার নির্মাণে আবু সুফিয়ানের মেসার্স মুনিয়া ট্রেডার্সের নামে মাত্র একটি দরপত্র জমা পড়লেও মুনিয়া ট্রেডার্সকে ৮% ঊর্ধ্ব দরে কাজটি প্রদান করা হয়। যার টেন্ডার মূল্য ১০ কোটি টাকা। নিমতলা বোটখাল ভরাট করে মার্কেট নির্মাণের কাজেও আবু সুফিয়ানের মালিকানাধীন মুনিয়া টেডার্সের নামে মাত্র একটি দরপত্র জমা পড়ে এবং ৯% ঊর্ধ্ব দরে তাকে কাজটি দেওয়া হয়। যার টেন্ডার মূল্য প্রায় ১২ কোটি টাকা। যদিও সরকারি প্রকিউরমেন্ট আইন অনুযায়ী একটিমাত্র দরপত্র দাখিল হলে ওই প্রতিষ্ঠানকে ঊর্ধ্ব দরে কাজ প্রদান করার কোনো বিধান নেই।

রেলওয়ের মামলার পরও চলছে পার্কের কাজ : জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পরিবারের সদস্যদের নাম ব্যবহার করে সরকারি জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসন ও রেল মন্ত্রণালয়ের বিশাল দুটি সম্পত্তি গিলে খেতেই বঙ্গবন্ধু পরিবারের নাম ব্যবহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট নির্দেশ থাকলেও বঙ্গবন্ধু ট্রাস্ট বা তাঁর পরিবারের কাছ থেকে কোনো ধরনের অনুমতিও গ্রহণ করেনি নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন। তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে, শীতলক্ষ্যার পূর্বপাড়ে বন্দরের শত বছরের ঐতিহ্যবাহী সোনাকান্দা মাঠে একটি ইকো পার্ক করার জন্য গত বছরের ২৬ ফেব্রুয়ারি প্রথম দফায় ৩০ কোটি টাকার টেন্ডার আহ্বান করে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন। ওই টেন্ডারের সবগুলো কাজই পান মেয়র আইভীর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত আবু সুফিয়ান। ওই বিশাল মাঠটির পুরোটাই নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের নিজস্ব সম্পত্তি হলেও নাসিক কর্তৃপক্ষ জেলা প্রশাসনের কাছ থেকে কোনো প্রকার অনুমতি বা পার্ক তৈরির ব্যাপারে কোনো প্রকার অবগতিপত্রও দেয়নি। জানা গেছে, ওই পার্কটির নাম প্রথমে সোনাকান্দা ইকো পার্ক নির্ধারণ করার কথা থাকলেও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মৌখিক বাধা আসার পরপরই সেটি বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ সন্তান শেখ রাসেলের নামে করার ঘোষণা দেওয়া হয়। এ ব্যাপারে নারায়ণগঞ্জ জেলার সাবেক জেলা প্রশাসক আনিছুর রহমান বলেছেন, ‘সোনাকান্দা হাটের জায়গাটি আমাদের এবং সেখানে পার্ক করার জন্য সিটি করপোরেশন কোনো অনুমতি বা লিজের জন্যও আবেদন করেনি। এমনকি আমাদের অবগত করারও প্রয়োজন মনে করেনি তারা। ’ এদিকে ঐতিহ্যবাহী সোনাকান্দা হাট ও মাঠের জায়গায় পার্ক নির্মাণের ঘোষণার পর থেকেই ক্ষোভ জানিয়ে আসছে এলাকাবাসী। অন্যদিকে নগরীর জিমখানা এলাকায় রেলওয়ের বিশাল লেক ও লেক-সংলগ্ন বস্তি দখল করতে সেখানেও একটি পার্ক নির্মাণের জন্য ইতিমধ্যেই কোটি টাকার টেন্ডার দিয়েছেন মেয়র আইভী। বিশাল ওই সম্পত্তির পুরোটাই রেল মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব সম্পত্তি হলেও রেল কর্তৃপক্ষের কাছে কোনো প্রকার অনুমতি বা প্রস্তাবনা দেওয়া হয়নি। জিমখানায় গড়ে ওঠা বস্তির প্রায় এক হাজার হতদরিদ্র পরিবারকে সেখান থেকে উঠে যেতেও বলা হয়েছে নাসিকের পক্ষ থেকে। স্থানীয় লোকজন জানায়, জিমখানার লেকটি প্রয়াত পৌর চেয়ারম্যান নাজিম উদ্দিন মাহমুদের নামে নামকরণের দাবি ছিল বহু বছর থেকেই। কিন্তু মেয়র আইভী ওই লেকটি তাঁর প্রয়াত বাবা সাবেক চেয়ারম্যান আলী আহমদ চুনকার নামে নামকরণের সিদ্ধান্ত নেন এবং সেখানে ওই নামের পার্ক করার জন্য একটি সাইনবোর্ডও টাঙানো হয়। কিন্তু আলী আহমদ চুনকা লেক কার্যক্রম বস্তিবাসীর বাধার মুখে পড়ে। এরপর সিদ্ধান্ত বদলে জিমখানায় রেলওয়ের ভূমিতে ঢাকার হাতিরঝিল আদলে চুনকা লেকের পরিবর্তে বেগম ফজিলাতুননেসা মুজিব পার্ক করার ঘোষণা আসে। অথচ এ ব্যাপারে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষকে অবগত করার প্রয়োজনও মনে করেনি নাসিক। নাসিক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিশ্বব্যাংক এ প্রকল্পের জন্য ২২০ কোটি টাকা দিচ্ছে। কিন্তু এলাকাবাসীর প্রশ্ন, বিশ্বব্যাংক জায়গার কাগজ না দেখে কী করে এই বিশাল অঙ্কের অর্থ দিচ্ছে এবং এই বিশাল অর্থও ওই একই সিন্ডিকেটের পকেটে যাবে বলে আশঙ্কা তাদের।

নাসিকের দোকান ফ্ল্যাট নিয়ে হরিলুট

সাবেক পৌরসভা থেকে বর্তমান নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন আমল নাসিকের নিজস্ব দোকান ও ফ্ল্যাট নিয়ে হরিলুট চালানো হয়েছে। সাবেক পৌরসভা আমল থেকে নির্মিত বাণিজ্যিক ও আবাসিক ভবনে দোকান বরাদ্দ পাওয়া ব্যক্তিদের ব্যাপারে জাতীয় সংসদকে দেওয়া সিটি করপোরেশনের তথ্যপত্রে কমপক্ষে শতাধিক ব্যক্তির নাম পাওয়া গেছে, যাঁদের একেবারেই ঠিকানা নেই এবং বেশ কিছুর থাকলেও অসম্পূর্ণ। অভিযোগ রয়েছে, এসব নামে-বেনামে দোকান-ফ্ল্যাট বরাদ্দের নামে হরিলুট চালানো হয়েছে এবং সংরক্ষিত কোটার নামে নামমাত্র মূল্যে বহু দোকান-ফ্ল্যাট বরাদ্দ দেওয়ার নজির পাওয়া গেছে। বিশেষ করে মেয়রের নিজস্ব সংরক্ষিত কোটার পাশাপাশি নামে-বেনামে কমপক্ষে ২০০ কোটি টাকা সমমূল্যের দোকান ও ফ্ল্যাট গিলে ফেলেছে সিন্ডিকেট।

তৎকালীন নারায়ণগঞ্জ পৌরসভা আমল থেকে এ পর্যন্ত থানার পুকুরপাড়স্থ পদ্ম পৌর প্লাজা, চাষাঢ়া মাধবী পৌর প্লাজা, দ্বিগুবাবুর বাজার আধুনিক পৌর মার্কেট, খানপুর ধর্মতলা পৌর মার্কেট, খানপুর ৩০০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালের সামনে পৌর মার্কেট, চাষাঢ়া পৌর মার্কেট, পঞ্চবটি ট্রাক টার্মিনালের মার্কেটসহ বিভিন্ন মার্কেটে বাজারদর অনুযায়ী এক কোটি টাকা সমমূল্যের প্রায় দেড় শতাধিক দোকান নামমাত্র মূল্যে (পাঁচ থেকে সাত লাখ টাকা করে) বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। চাষাঢ়া পৌর মার্কেটে আবু সুফিয়ানের বাবা ও বন্দর উইলসন রোডের আবু সাঈদকে মেয়রের নিজস্ব সংরক্ষিত কোটায় চাষাঢ়া পৌর মার্কেটে দোকান বরাদ্দ দেওয়া হয়।


মন্তব্য