kalerkantho

সোমবার । ৫ ডিসেম্বর ২০১৬। ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


সবিশেষ

মায়ের জিনে শিশুর বুদ্ধি!

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

৮ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



কোনো শিশু কেমন বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন হবে তা নির্ভর করে তার মায়ের জিনের ওপর। বাবার বুদ্ধিমত্তা শিশুর জিনে কোনো প্রভাব ফেলে না।

সম্প্রতি ইউনিভার্সিটি অব ওয়াশিংটনের গবেষকদের নতুন এক গবেষণায় এ তথ্য জানানো হয়েছে। গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, শিশুর দেহে বুদ্ধিমত্তা সৃষ্টিকারী জিন মায়ের কাছ থেকেই আসে। মানুষের দেহে বিশেষ ধরনের জিন রয়েছে যাকে বলা হয় ‘কন্ডিশন্ড জিন’। ধারণা করা হয়, মায়ের কাছ থেকে আসা এই জিন শিশুর বুদ্ধিমত্তা বাড়াতে কাজ করে। আর বাবার কাছ থেকে আসা জিন অন্যান্য ক্ষেত্রে কাজ করতে পারে।

গবেষণাগারে জেনেটিক নিয়ন্ত্রণে জন্ম দেওয়া ইঁদুরের ওপর সংশ্লিষ্ট গবেষণা পরিচালিত হয়। তাদের মস্তিষ্ক বড় করতে মায়ের বাড়তি জিন প্রয়োগ করা হয়। তাদের দেহের আকারও ছোট রাখার পরিকল্পনা করা হয়। যে ইঁদুরের মধ্যে বাবার বাড়তি জিন দেওয়া হয় তাদের মস্তিষ্ক ছোট ও দেহ বড় আকারের হয়। বিজ্ঞানীরা দেখতে পান, ইঁদুরের মস্তিষ্কের ছয়টি ভিন্ন ভিন্ন অংশে বাবা ও মায়ের জিন কার্যকর হয়। বাবার জিন দেহের লিম্বিক সিস্টেমে কাজ করে। এই অংশটি সেক্স, খাবার ও আগ্রাসী মানসিকতা তৈরিতে কাজ করে।

বিজ্ঞানীরা সেলেব্রাল কর্টেক্সে বাবার কোনো জিন খুঁজে পাননি। এই অংশে কগনিটিভ ফাংশনের  বেশির ভাগটুকুু কাজ করে। কারণ দর্শন, চিন্তাশক্তি, ভাষা ও পরিকল্পনা তৈরির সঙ্গে এর যোগ রয়েছে। তবে গবেষণায় পরিষ্কার হয়েছে যে, বুদ্ধিমত্তা সৃষ্টিতে একমাত্র কারণ জিন নয়। বুদ্ধিমত্তার ৪০-৬০ শতাংশ আসে বংশানুক্রমে। বাকিটুকু আসে পরিবেশ থেকে। সূত্র : এনডিটিভি।


মন্তব্য