kalerkantho

রবিবার । ১১ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


স্থাপত্যে অনন্য সম্মান

প্রথমবারের মতো দুই বাংলাদেশির আগা খান স্থাপত্য পুরস্কার জয়

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৫ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



স্থাপত্যে অনন্য সম্মান

রাজধানীর উত্তরার দক্ষিণখানের ফায়েদাবাদে নির্মিত ‘বায়তুর রউফ মসজিদ’ । এই স্থাপত্যের বিশেষত্ব হলো এটির ভেতরে শীত বা গরমে আবহাওয়ার বিরূপ প্রভাব অনুভূত হবে না। আলো প্রবেশের জন্য রয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা। এই অনন্য স্থাপনাটি নির্মিত হয়েছে স্থপতি মেরিনা তাবাসসুমের (ইনসেটে) নকশায়। ছবি : কালের কণ্ঠ

আগা খান স্থাপত্য পুরস্কারের জন্য এ বছর চূড়ান্ত মনোনয়ন পেয়েছেন বাংলাদেশের দুজন স্থপতি—খবরটা জানা গিয়েছিল গত জুন মাসে। এবার এসেছে মর্যাদাপূর্ণ এই পুরস্কার জয় করার খবর।

অনন্য স্থাপত্যশৈলীর জন্য আগা খান স্থাপত্য পুরস্কারের বিরল সম্মান পেল বাংলাদেশের দুটি স্থাপনা। একটি ঢাকার উত্তরায় বায়তুর রউফ মসজিদ, আরেকটি গাইবান্ধার ফুলছড়ির ফ্রেন্ডশিপ সেন্টার। দৃষ্টিনন্দন ও পরিবেশবান্ধব এ দুটি স্থাপনার স্রষ্টা স্থপতি মেরিনা তাবাসসুম ও কাসেফ মাহবুব চৌধুরী। এই বিরল সম্মান পাওয়ায় আনন্দের বন্যা বইছে দেশের স্থাপত্য অঙ্গনে।

 বিশ্বের ৬৯টি দেশের ৩৪৮টি স্থাপত্যকর্ম থেকে জুরিদের বাছাই করা ১৯টি স্থাপনার সংক্ষিপ্ত তালিকায় জায়গা করে নেয় মেরিনা আর কাসেফের স্থাপত্যকর্ম। গত সোমবার চূড়ান্ত বিচার শেষে আবুধাবি থেকে এবারের ছয় বিজয়ীর নাম প্রকাশ করা হয়। গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীতে আগা খান ডেভেলপমেন্ট নেটওয়ার্ক বাংলাদেশ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করেন।

আগা খান স্থাপত্য পুরস্কারের জন্য এবার (২০১৪-১৬) ৩৪৮টি প্রকল্প জমা পড়ে। সেখান থেকে এশিয়া, ইউরোপ ও আমেরিকার ৯ জন স্থাপত্য ও নন্দনতত্ত্ববিদের সমন্বয়ে গঠিত বিচারকমণ্ডলীর বিবেচনায় ছয়টি প্রকল্প পুরস্কৃত হয়। সোমবার এক অনুষ্ঠানে আবুধাবির পৌর ও পরিবহন বিভাগের চেয়ারম্যান আওয়াইধা খুরশেদ আল-মারার বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করেন।

সারা বিশ্ব থেকে বাছাই করা মোট ১৯টি স্থাপনার মধ্যে পাঁচ দেশের ছয়টি নকশা চূড়ান্তভাবে পুরস্কারের জন্য নির্বাচন করা হয়। এর মধ্যে কেবল বাংলাদেশেরই দুটি স্থাপনা রয়েছে। এ ছাড়া চীনের পেইজিংয়ের হুটং চিলড্রেন’স লাইব্রেরি, ডেনমার্কের কোপেনহেগেনের জনসমাগম ও বিনোদনকেন্দ্র সুপারকিলেন, ইরানের তেহরানের দুটি পার্কের মধ্যে সংযোগ স্থাপনকারী তিন স্তরের তাবিয়ান পেডেস্ট্রিয়ান ব্রিজ ও লেবাননের বৈরুতের আমেরিকান ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাস ইসাস ফেয়ারস হাউস এই তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে।

বাছাই করা ১৯টি স্থাপত্যকর্মে বাংলাদেশের দুটি ছাড়াও চীন, কাতার, সৌদি আরব, নাইজেরিয়া, আজারবাইজান, কসোভো, জর্দান, লেবানন, ডেনমার্ক ও সেনেগালের একটি করে, স্পেন ও মরক্কোর দুটি করে এবং ইরানের তিনটি স্থাপনা রয়েছে।

আগামী নভেম্বরে আবুধাবির ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট আল জাহিলি ফোর্টে এবারের বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে। এই পুরস্কারের অর্থমূল্য ১০ লাখ ইউএস ডলার।

আগা খান স্থাপত্য পুরস্কার স্থাপত্য বিশ্বের অত্যন্ত সম্মানজনক পুরস্কার। তরুণ স্থপতিদের উদ্ভাবনী ধারণাকে স্বীকৃতি দিতে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান আগা খান ডেভেলপমেন্ট নেটওয়ার্ক (একেডিএন) প্রতি তিন বছর অন্তর এই পুরস্কার দিয়ে থাকে। ১৯৭৭ সাল থেকে প্রবর্তিত এ পুরস্কারের জন্য স্থাপত্য ক্ষেত্রে শ্রেষ্ঠত্ব, পরিকল্পনা, ঐতিহাসিক সংরক্ষণকে গুরুত্ব দেওয়া হয়। উল্লেখযোগ্য মুসলিম বসতি রয়েছে বিশ্বের এমন অঞ্চলে বিশেষ নকশায় নির্মিত মানুষের প্রয়োজন ও আকাঙ্ক্ষা মেটানোর মতো স্থাপনা এই পুরস্কারের জন্য বিবেচিত হয়ে থাকে।

এর আগে বাংলাদেশের তিনটি স্থাপত্যকর্ম এই পুরস্কার জিতলেও সেগুলোর স্থপতি ছিলেন বিদেশি। বেশ কয়েকবার বাংলাদেশি স্থপতিরা এ পুরস্কারের জন্য চূড়ান্ত মনোনয়ন পেলেও পাওয়া আর হয়ে ওঠেনি। এর আগে এই দুই স্থপতিই পুরস্কারের জন্য চূড়ান্ত মনোনয়ন পেয়েছিলেন। ২০০৪ সালে যৌথভাবে একটি প্রকল্পের জন্য মনোনয়ন পেয়েছিলেন মেরিনা ও কাসেফ। ২০১০ সালে আরেকটি প্রকল্পের জন্য মনোনয়ন পান কাসেফ মাহবুব চৌধুরী। তিনবার পুরস্কার জিতেছে বাংলাদেশের তিনটি স্থাপনা জাতীয় সংসদ ভবন, গ্রামীণ ব্যাংক হাউজিং প্রকল্প ও রুদ্রপুর স্কুল। স্থপতি মাজহারুল ইসলাম সার্বিক অবদানের জন্য এই পুরস্কার পেয়েছিলেন।

পুরস্কারের জন্য নির্বাচন হয় অত্যন্ত কঠোর প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে। প্রাথমিকভাবে পাওয়া এন্ট্রি থেকে স্টিয়ারিং কমিটি ও গ্র্যান্ড জুরি বোর্ড বিজয়ী নির্বাচন করে। জুরি বোর্ডের পক্ষ থেকে একজন রিভিউয়ার বা মূল্যায়নকারী প্রতিটি প্রকল্প এলাকা সরেজমিন পরিদর্শন করে কমিটির কাছে প্রতিবেদন জমা দেন।

মেরিনা তাবাসসুম ও কাসেফ মাহবুব চৌধুরী দুজনই বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে স্থাপত্যবিদ্যায় লেখাপড়া শেষ করেছেন ১৯৯৫ সালে। দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বের পর ১৯৯৭ সালে সংসারজীবন শুরু করেন এই স্থপতি জুটি। পরে তাঁরা একসঙ্গে গড়ে তোলেন আর্কিটেক্ট ফার্ম আরবানা। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের স্বাধীনতা স্তম্ভ ও স্বাধীনতা জাদুঘরের নকশা তাঁরা করেছেন যৌথভাবে। ২০০৫ সালে তাঁদের বিচ্ছেদ হয়ে গেলে আরবানা থেকেও আলাদা হয়ে যান মেরিনা। গড়ে তোলেন মেরিনা তাবাসসুম আর্কিটেক্টস।

পুরস্কার প্রাপ্তির প্রতিক্রিয়ায় মেরিনা তাবাসসুম বলেন, ‘এটা আমার একার পুরস্কার নয়, এটা পুরো বাংলাদেশের পুরস্কার। আর আমি তো শুধু ডিজাইন করেছি, বাকিটা করেছে আমার পুরো দল। সাফল্যটাও সবার। ’

বায়তুর রউফ মসজিদ : বাংলাদেশের তরুণ স্থপতি মেরিনা তাবাসসুম যে স্থাপনাটির জন্য পুরস্কার জিতেছেন সেটির অবস্থান রাজধানীর দক্ষিণখানের ফায়েদাবাদে। নাম ‘বায়তুর রউফ মসজিদ’। উত্তরার আবদুল্লাহপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে পূর্বদিকে রেললাইন পেরিয়ে এগোলেই দেখা মিলবে মসজিদটির। সুলতানি আমলের মসজিদের অনুপ্রেরণায় তৈরি হয়েছে এর স্থাপত্য। মুসলিম স্থাপত্যের আর সব মসজিদের মতো মেরিনার নকশায় গড়া বায়তুর রউফ মসজিদে গম্বুজ বা মিনার নেই। ৭৫৪ বর্গমিটার আয়তনের মসজিদটি আটটি পিলারের ওপর নির্মিত। এর নকশার বিশেষত্ব হলো, কিবলার দিকে ১৩ ডিগ্রি কোনাকুনি করা একটি থাম। মসজিদের ভেতরে শীত বা গরমে আবহাওয়ার বিরূপ প্রভাব অনুভব হয় না। আলো প্রবেশের জন্য চারদিকে রাখা হয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা। বাতাস চলাচল ব্যবস্থা ও আলোর চমৎকার বিচ্ছুরণ মসজিদের পরিবেশকে দিয়েছে ভিন্ন মাত্রা। আর এসব বিষয় আগা খান পুরস্কারের জুরি বোর্ডের দৃষ্টি কেড়েছে বিশেষভাবে।

স্থপতি মেরিনা তাবাসসুম তাঁর এই স্থাপত্যকর্ম সম্পর্কে বলেন, মসজিদটি তৈরি হয়েছে একটু ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে। প্রচলিত ধারণা থেকে একটু আলাদা। পরিবেশবান্ধব এবং আলো-বাতাসের বিষয়টি মাথায় রেখে ডিজাইন করা হয়েছে। এর ব্যবহৃত সব উপকরণই স্থানীয়। তিনি জানান, মসজিদটি নির্মিত হয়েছে স্থানীয় ব্যক্তিদের অংশগ্রহণে, অংশগ্রহণমূলক ধারণা থেকে। খরচ বহন করেছে সবাই মিলে।

ফ্রেন্ডশিপ সেন্টার : গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার কঞ্চিপাড়া ইউনিয়নের প্রত্যন্ত গ্রাম মদনেরপাড়ায় ফ্রেন্ডশিপ সেন্টার নামক ভবনের পুরোটাই মাটির নিচে। ভবনের বিভিন্ন কক্ষের ছাদের মাটি সবুজ ঘাসে আচ্ছাদিত। লাল ইটে একাধিক ব্লকে বিভক্ত একটি ভবন। স্থানীয়ভাবে তৈরি ইটের গাঁথুনি দিয়ে নির্মিত হয়েছে ভবনটি। তাতে রয়েছে প্রশিক্ষণকেন্দ্র, লাইব্রেরি, অভ্যন্তরীণ খেলাধুলা ও থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা। বিশাল ভবনের পুরোটাই রয়েছে দৃষ্টির আড়ালে। পাশ দিয়ে চলে গেছে গাইবান্ধা-বালাসী সড়ক। অথচ সেখানে দাঁড়িয়ে ৩২ হাজার বর্গফুট আয়তনের ভবনটি চোখেই পড়ে না। কারণ পুরো ভবনটিই মাটির তলায়। ভবনের বিভিন্ন কক্ষের ছাদ মাটির সমতলে। তাতে লাগানো সবুজ ঘাস মিশে গেছে আশপাশের মাঠের সঙ্গে। প্রকৃতির মধ্যে মিলেমিশে যেন অদৃশ্য হয়ে আছে পুরো কমপ্লেক্স। পথচারীরা চলতি পথে স্থাপত্যকর্মটির দিকে তাকিয়ে থাকে অবাক বিস্ময়ে।

জানা যায়, যেখানে এটি নির্মিত হয়েছে সেটি ছিল নিচু জায়গা। মাটি ভরাট করে ভবন নির্মাণ করতে গেলে বাজেটের ৬০ শতাংশই শেষ হয়ে যেত। এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানটির অবস্থান গ্রামে হওয়ায় সেখানে দোতলা ভবন করলে গ্রামের পরিবেশের সঙ্গে মিলত না। তাই সমতল ভূমির সঙ্গে মিল রেখে ভবন নির্মাণ করা হয়েছে।

ফ্রেন্ডশিপ সেন্টার সম্পর্কে স্থপতি কাসেফ মাহবুব চৌধুরী জানান, তিনি এই ভবনের নকশা করার অনুপ্রেরণা পেয়েছেন বৌদ্ধবিহারের ধারণা থেকে। ভবনটি ওপরের দিক থেকে দেখলে অনেকটা মহাস্থানগড়ের প্রাচীন বৌদ্ধবিহারের ছবি ফুটে ওঠে। ভবনের বিশেষত্ব সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘ভবনের জমি খুবই নিচু ছিল। পানি আটকাতে চারদিকে বাঁধ দেওয়া হয়েছে। ভবনের ছাদের লেভেল রয়েছে রাস্তার প্রায় সমতলে। আমার লক্ষ্য ছিল অল্প খরচে সবার জন্য ভিন্নধর্মী কিছু একটা করার। এটি একটি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার কার্যালয় ও প্রশিক্ষণকেন্দ্র। তাই নিরিবিলি ও শান্ত একটি পরিবেশ তৈরির বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে ভাবা হয়েছে। পর্যাপ্ত আলো আর বাতাসের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ব্যবহার করা হয়েছে দেশি উপকরণ। এই ভবন নির্মাণে খরচ হয়েছে আনুমানিক আট কোটি টাকা। নির্মাণকাজ শেষ করতে সময় লেগেছে প্রায় দুই বছর। ’

স্থপতি রবিউল হুসাইনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ থেকে অতীতে কোনো স্থাপত্যবিদ এই পুরস্কার পাননি। এর মধ্যে দেশের দুজন স্থপতি একসঙ্গে এই পুরস্কার জেতা দেশের জন্য গৌরবের। এর মধ্য দিয়ে আমাদের দেশের স্থাপত্যকর্ম সারা বিশ্বের মনোযোগ আকর্ষণ করবে। ’

গাইবান্ধা থেকে আমাদের প্রতিনিধি অমিতাভ দাশ হিমুন জানান, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সম্মানসূচক আগা খান স্থাপত্য পুরস্কারের ঘোষণা আসার পর গাইবান্ধার প্রত্যন্ত জনপদ ফুলছড়ি উপজেলার মদনেরপাড়ার ফ্রেন্ডশিপ সেন্টারে আনন্দের বন্যা বইছে। বিশ্বের অনেক বাঘা বাঘা স্থপতির স্থাপত্যকর্মকে পেছনে ফেলে সেরা হয়েছে ফ্রেন্ডশিপ সেন্টার—এমন খবরে শুধু ওই প্রতিষ্ঠানের স্থানীয় কর্মীরা নন, জেলার সচেতন মানুষও উল্লাস প্রকাশ করছে।

সরেজমিনে গতকাল মদনেরপাড়ায় ফ্রেন্ডশিপ সেন্টারে গিয়ে দেখা গেছে বাড়তি দর্শনার্থীর ভিড়। সবাই ব্যাপক আগ্রহ আর উৎসাহ নিয়ে নানা প্রশ্ন করছে। স্থাপনা ছুঁয়ে নিজেদের আবেগ প্রকাশ করছে। রংপুর থেকে সপরিবারে আসা অধ্যাপক আফসানা জাহান বলেন, ‘প্রকৃতিকে চারপাশে রেখে গ্রামীণ জনপদের মাটির সমান্তরালে এমন ভবন সত্যি দৃষ্টিনন্দন। যেন নিসর্গের ভেতরে হঠাৎ ফুটে ওঠা একটি সবুজ আচ্ছাদিত লাল ফুল। ’

ঢাকায় ব্যবসা করেন গাইবান্ধার কামরুজ্জামান পলাশ। তিনি বলেন, ‘স্থপতি কাসেফ মাহবুব চৌধুরী হয়তো গাইবান্ধার মানুষ নন; তবে তিনি আমাদের আবেগের সঙ্গে মিশে গেছেন। কারণ তাঁর প্রাপ্তিতেই গাইবান্ধার নামটি এখন বিশ্বজোড়া পরিচিতি পেয়েছে। ’

 


মন্তব্য