kalerkantho

বুধবার । ৭ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৬ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


যানজটে স্তব্ধ রাজধানী গলদঘর্ম মানুষ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



যানজটে স্তব্ধ রাজধানী গলদঘর্ম মানুষ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সংবর্ধনা দিতে গতকাল শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে গণভবন পর্যন্ত সড়কের দুই পাশে জড়ো হয় বিপুলসংখ্যক মানুষ। এতে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে লেগে যায় যানজট। বিজয় সরণি মোড়ের চিত্র। ছবি : কালের কণ্ঠ

যানজটের নগরী ঢাকার রাস্তায় স্থবিরতার চিত্র নতুন নয়। সাপ্তাহিক ছুটির দিন বাদে কর্মব্যস্ত বাকি পাঁচ দিনই নির্ধারিত সময়ে গন্তব্যে পৌঁছার আশা এখন আর কেউ করে না।

ধরেই নেওয়া হয়, যানজট ঠেলে আধাঘণ্টার পথ দুই ঘণ্টায়ও পাড়ি দিতে হতে পারে। কিন্তু গতকাল শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটির দিনটি হয়ে থাকল ব্যতিক্রম। এ দিনের যানজটের তীব্রতা কর্মব্যস্ত অন্য যেকোনো দিনকেও যেন ছাড়িয়ে গেছে। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগদান শেষে দেশে ফেরা উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে দেওয়া গণসংবর্ধনাকে কেন্দ্র করে বিমানবন্দর সড়ক ও আশপাশ এলাকা হয়ে পড়েছিল স্থবির। একপর্যায়ে তা ছড়িয়ে পড়ে রাজধানীজুড়ে। দুপুরের পর থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত যান আর জনজটে অবর্ণনীয় দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে নগরবাসীকে।

রাজধানীর শ্যামলী থেকে বারিধারার উদ্দেশে দুপুর সোয়া ২টায় বের হন জামাল হোসেইন। গতকাল শুক্রবার ছিল ছুটির দিন। তাই পথে এক ঘণ্টার বেশি লাগার কথা নয়। কিন্তু তিন দফা বাস ও টেম্পো পাল্টে তিনি গন্তব্যে পৌঁছতে পেরেছেন বিকেল সোয়া ৫টায়।

ভুক্তভোগী জামাল বললেন, ‘শ্যামলীর শিশুমেলা থেকে লেগুনায় উঠে সহজেই আগারগাঁও পর্যন্ত পৌঁছে যাই। এর পরের রাস্তাটুকু যেন বহুদূরের পথ। আগারগাঁওয়ে আধাঘণ্টা ঠায় দাঁড়িয়ে থাকে গাড়িটি। এর পর কোনো মতে যানজট পার হয়ে বিজয় সরণির কাছাকাছি পৌঁছলে পরে আর গাড়ি নড়ে না। ৪০ মিনিটের মতো বসে থেকে হাঁটা শুরু করি। এরপর মহাখালী এসে আরেকটি গাড়িতে উঠি। কিন্তু এয়ারপোর্ট রোডে কিছুটা যেতেই আবার থেমে থেমে যানজট। দীর্ঘ সময় ব্যয় করে বনানী ওভারপাস পার হওয়ার পর শুরু হয় চূড়ান্ত যানজট। কুড়িল ৩০০ ফুট রাস্তা পর্যন্ত পুরোটাই যানজটে ঠাসা। পরে আবার হেঁটে কুড়িল পার হয়ে আরেক গাড়িতে বারিধারায় আসি। ’

রাজধানীর মিরপুর-১১ নম্বর থেকে গুলশান-২ নম্বরে যাবেন আসিফ হোসেন। কালশী রোড হয়ে ফ্লাইওভার দিয়ে কোনো যানজট থাকে না বলে তিনি ওই রাস্তাই ধরলেন। মোটরসাইকেল নিয়ে বের হয়েও আধাঘণ্টার রাস্তা পাড়ি দিতে তাঁকে ব্যয় করতে হয় পাক্কা আড়াই ঘণ্টা। বিকেল ৪টায় রওনা দিয়ে তিনি কয়েক রাস্তা ঘুরে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় গন্তব্যে পৌঁছান।

গতকাল শুক্রবার ছিল সাপ্তাহিক ছুটির দিন। স্বাভাবিকভাবে রাস্তায় যানজট হওয়ার কথা নয়। কিন্তু যারা দুপুর ২টার পর রাস্তায় বের হয়েছে তাদের যানজটে আটকা পড়ে থাকতে হয়েছে ঘণ্টার পর ঘণ্টা। এই ভয়াবহ যানজটের নেপথ্য কারণ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে গণসংবর্ধনা দেওয়ার বিশাল আয়োজন। নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগদান শেষে প্রধানমন্ত্রী গতকাল রাতে হযরত শাহজালাল  আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামেন। বিমানবন্দরে তাঁকে সংবর্ধনা দিতে গতকাল দুপুরের পর থেকেই দলীয় নেতাকর্মীসহ হাজার হাজার মানুষ জড়ো হতে থাকে বিমানবন্দর অভিমুখে। তাদের ভিড়ে বিমানবন্দর থেকে গণভবন পর্যন্ত রাস্তা হয়ে পড়ে অবরুদ্ধ। যানজট ছড়িয়ে পড়ে অন্য সব সড়ক এমনকি গলিপথেও। তীব্র যানজট আর গণপরিবহনের অভাবে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয় সাধারণ মানুষকে।

সরেজমিনে দেখা যায়, গতকাল দুপুরের পর থেকেই হাজারো মানুষ ব্যানার-প্লাকার্ড নিয়ে বিমানবন্দর থেকে গণভবন পর্যন্ত রাস্তার দুই পাশে ভিড় জমায়। একপর্যায়ে জনস্রোত নেমে আসে রাস্তায়। ফলে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। বিশেষ করে বিমানবন্দর থেকে বনানী পর্যন্ত রাস্তার দুই পাশেই ছিল লোকজনের উপস্থিতি। এরপর আবার লোকজন দেখা যায় জাহাঙ্গীরগেট থেকে বিজয় সরণি হয়ে সংসদ ভবন হয়ে গণভবন পর্যন্ত। এয়ারপোর্ট চৌরাস্তা, খিলক্ষেত, কুড়িল, জাহাঙ্গীরগেট, বিজয় সরণি, চন্দ্রিমা উদ্যানের সামনের সড়কগুলো থেমে থেমে বন্ধ করা হয়। একটি ব্যানার নিয়েই রাস্তার পুরো একপাশ ঢেকে দেওয়া হয়। ফলে ওই রাস্তার সব যানবাহনই দীর্ঘ সারিতে আটকে থাকতে দেখা যায়।

এর প্রভাব পড়ে নগরজুড়ে। নগরীর ভেতরে কোথাও কোথাও যানবাহন ধীরলয়ে চললেও তাতে জনগণের ভোগান্তি কমেনি। এয়ারপোর্ট চৌরাস্তার এক পাশ বন্ধ থাকায় যানজট গিয়ে পৌঁছায় টঙ্গী পর্যন্ত। আর বিজয় সরণির এক পাশ থেমে থেমে বন্ধ হওয়ায় যানজট গিয়ে পৌঁছায় মৎস্য ভবন পর্যন্ত। এ ছাড়া কিছু সময়ের জন্য গণভবনের সামনের অংশে লোকজন রাস্তায় নেমে আসায় মানিক মিয়া এভিনিউয়ের রাস্তাও বন্ধ হয়ে যায়। ফলে ওই এলাকার আশপাশেও যানজট লেগে যায়।

বিকেল ৪টায় চন্দ্রিমা উদ্যানের সামনে বাসে আধাঘণ্টা ধরে বসে থাকা যাত্রী আনোয়ার হোসেন বললেন, ‘কোন কোন রাস্তা বন্ধ থাকবে আগে জানিয়ে দিলেই হতো। আমরা ওই রাস্তায় আসতাম না। অথবা এমন অবস্থা হবে তা জানা থাকলে বাসা থেকেই বের হতাম না। এখন যে অবস্থা তাতে হেঁটে বাসায় ফিরতে হবে। ’

রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ বেশ কিছু সড়কের এক পাশে দীর্ঘ যানজট থাকায় অন্য পাশে যানবাহনের তীব্র সংকট দেখা যায়। এ ছাড়া হঠাৎ করেই গাড়িগুলো ঘুরিয়ে দেওয়ায় বাসের সংকট দেখা দেয়। আবার প্রধানমন্ত্রীর গণসংবর্ধনায় অংশ নিতে ঢাকাসহ আশপাশের জেলা থেকেও বাসভর্তি হয়ে নেতাকর্মীরা ঢাকায় আসে। তারাও বিভিন্ন পয়েন্টে অবস্থান নেয়। আর নেতাকর্মীদের বহনকারী বাসগুলো রাস্তার ওপর এলোপাতাড়ি ফেলে রাখতে দেখা যায়। ফলে অনেক স্থানেই রাস্তা সংকুচিত হয়ে পড়ে। তীব্র যানজটের এটাও একটা অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

মিরপুরের মাটিকাটা থেকে বিমানবন্দর সড়ক পর্যন্ত জিল্লুর রহমান ফ্লাইওভারের ওপর স্থানে স্থানে দাঁড় করিয়ে রাখা হয় বিভিন্ন রুটের নগর পরিবহনের বাসগুলো। ফ্লাইওভার হয়ে বিমানবন্দর সড়কে নামতে গিয়ে দেখা গেছে বিমানবন্দরমুখী সড়কের বাম পাশে সারি সারি গণপরিবহনের চাকা বন্ধ। তারও একটু পর কুড়িল ফ্লাইওভার পার হয়ে কুড়িল-পূর্বাচলমুখী রাস্তায়ও দেখা যায় গাড়ির সারি। এসব স্থানে বন্ধ হয়ে থাকা বাসগুলো থেকে নেমে সাধারণ যাত্রীদের অনেকে দাঁড়িয়ে থাকে বিকল্প বাহনের জন্য। অনেকে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষার পর একপর্যায়ে হাঁটতে শুরু করে। সালসাবিল পরিবহনের বাসে কুড়িলে নেমে হাঁটতে থাকা আমিরুল ইসলাম বললেন, ‘বাস সামনে চলবে না। সবাইকে নামিয়ে দিয়েছে। অটোরিকশাও পাচ্ছি না। বাধ্য হয়ে তাই হাঁটছি। ’

যানজটে আটকে থাকা কয়েকজন যাত্রী অভিযোগ করে বলেন, শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটির দিন বলে এমনিতেই ট্রাফিক সিস্টেম থাকে ঢিলেঢালা। আজ রাস্তায় এত লোকের সমাগম হলেও ট্রাফিক ব্যবস্থার তেমন কোনো উন্নয়ন ঘটানো হয়নি। বিশ্ব ইজতেমার সময় ৩০ লাখ লোকের সমাগম হলেও যানজটের অবস্থা এমন হয় না। কারণ সে সময় ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়। কোন রাস্তা দিয়ে গাড়ি ঘুরবে তা জানিয়ে দেওয়া হয়। অথচ পুলিশের পক্ষ থেকে এই অবস্থা মোকাবিলায় আগাম কোনো উদ্যোগই নেওয়া হয়নি।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পূর্বঘোষিত প্রধানমন্ত্রীর গণসংবর্ধনা ঘিরে নেতাকর্মীদের অভ্যর্থনার চাপ সামলাতে ট্রাফিক পুলিশ, পরিবহন মালিক সমিতি, বিআরটিএসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো সমন্বিত উদ্যোগ নিতে পারত। কিন্তু তা নেওয়া হয়নি। এ ব্যাপারে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী কালের কণ্ঠকে বলেন, পরিবহন খাতে সাধারণ সময়েই শৃঙ্খলা থাকে না। প্রধানমন্ত্রীর আগমন শুধু নয়, ভিআইপিদের আগমনের ফলেও ভয়াবহ সংকট তৈরি হয়। এ জন্য আগাম ও বিকল্প ব্যবস্থাপনা জরুরি।

ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) মোসলেহ উদ্দিন আহমদ কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘ভিভিআইপি চলাচলের জন্য নিরাপত্তার কারণেই কিছু সময় গাড়ি চলাচল বন্ধ রাখতে হয়। তবে আমরা পরিবহন মালিক নেতাদের সঙ্গে সমন্বয় রেখে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার উদ্যোগ নিয়েছি। দুই দিন আগে থেকে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করি। এ কারণে সড়কে গাড়ির জন্য বিশৃঙ্খলা হয়নি। ’

জানা যায়, প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী ফ্লাইটটি গতকাল বিকেল ৫টায় বিমানবন্দরে অবতরণের কথা ছিল। কিন্তু সেটি প্রায় পৌনে দুই ঘণ্টা বিলম্বে পৌঁছে। এ জন্য গণসংবর্ধনায় অংশ নেওয়া নেতাকর্মীরা দীর্ঘ সময় রাস্তায় অবস্থান নিয়ে থাকে। এতে যানজট আরো দীর্ঘক্ষণ স্থায়ী হয়। এ অবস্থায় অনেককেই গাড়ি থেকে নেমে হেঁটে গন্তব্যে যাত্রা করতে দেখা যায়।

যাত্রী নামিয়ে দিয়ে গাড়ি দখল : প্রধানমন্ত্রীর গণসংবর্ধনাকে ঘিরে যানজটের বিষয়টি মাথায় রেখে গতকাল পরিবহন মালিকরা কম গাড়ি রাস্তায় নামান। ফলে নগরবাসীকে যানজটের সংকটে পড়তে হয়। আর রাস্তায় চলাচল করা প্রতিটি গাড়িতেই ছিল উপচে পড়া ভিড়। এমনই বাস্তবতায় গোদের ওপর বিষফোঁড়া হয়ে দাঁড়ায় ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীদের ‘গাড়ি দখল’। বিমানবন্দর অভিমুখী যাত্রাবাসী বাসগুলো রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে জবরদস্তি থামিয়ে তাতে চেপে বসে নেতাকর্মীরা। আর এ জন্য গাড়িগুলো রাস্তার পাশ ধরে দাঁড় করিয়ে রাখা হয় ঘণ্টার পর ঘণ্টা। আবার অনেক বাসের যাত্রীদের জোরপূর্বক নামিয়ে দেওয়া হয়।

রামপুরা বাজারের পাশে গতকাল বিকেল ৩টার দিকে এভাবে দখল করে নেওয়া হয় ‘ভিক্টর পরিবহন’, ‘বাহন’সহ আরো একাধিক পরিবহনের বাস। এসব বাসের যাত্রীরা শেষ পর্যন্ত অন্য বাসে গন্তব্যে যাত্রা করে। রাজধানীর মিরপুর থেকে ফ্লাইওভার হয়ে বিমানবন্দর সড়ক অভিমুখে যাতায়াতকারী বাসেও এমন ঘটনা ঘটেছে।

আগারগাঁও থেকে বিমানবন্দরের উদ্দেশে বিকেল ৩টায় রওনা দেন মো. আজিজ। কিন্তু মিরপুর সাড়ে ১১ পর্যন্ত আসতেই তাঁদের বাস থেকে জোর করে নামিয়ে দেওয়া হয়। কালের কণ্ঠকে তিনি বলেন, ‘যানজট ঠেলে হলেও আমাদের বহনকারী বাসটি চলছিল। কিন্তু মিরপুর সাড়ে ১১-তে আসতেই একদল লোক জবরদস্তি বাসটি থামিয়ে যাত্রীদের নেমে যেতে বলে। একই সঙ্গে চালককে তারা জানিয়ে দেয়, এই বাস নিয়ে তারা প্রধানমন্ত্রীর সংবর্ধনায় যাবে। একপ্রকার জোর করেই যাত্রীদের নামিয়ে দেওয়া হয়। পরে বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে আরেকটি গাড়ি করে ইসিবি চত্বরে পৌঁছি। সেখানে আবার দীর্ঘ যানজটে আটক পড়ে থাকতে হয়। এরপর কিছুটা হেঁটে আবারও বাস বদল করে গন্তব্যে পৌঁছি। ’

আহমেদ বাবুল নামের এক যাত্রী বিকেল ৪টার দিকে কুড়িল চৌরাস্তায় দাঁড়িয়ে বললেন, ‘ভাই, অনেক কষ্টে একটি বাসে জায়গা করে নিয়েছিলাম। মিরপুর-১ নম্বর থেকে বাসে ওঠার পর যানজট ঠেলে গাড়ি একটু একটু করে এগোচ্ছিল। কিন্তু কালশী মোড়ে আসার পর সেই বাস হাতছাড়া হয়ে গেল। প্রধানমন্ত্রীর সংবর্ধনায় যোগ দেবে জানিয়ে কিছু তরুণ আমাদের বাস থেকে নামিয়ে সেটি রাস্তার পাশে দাঁড় করিয়ে রাখে নিজেরা যাবে বলে। পরে অন্য আরেক গাড়িতে বাদুরঝোলা হয়ে গন্তব্যে এলাম। ’

 


মন্তব্য