kalerkantho

বুধবার । ৭ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৬ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


মতবিনিময় সভায় সম্পাদকরা

সন্ত্রাস জঙ্গিবাদ রুখতে বিকল্প নেই জনসচেতনতার

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



সন্ত্রাস জঙ্গিবাদ রুখতে বিকল্প নেই জনসচেতনতার

জাতীয় মানবাধিকার কমিশন গতকাল জাতীয় প্রেস ক্লাবে সম্পাদকদের সঙ্গে মতবিনিময় করে। ছবি : কালের কণ্ঠ

সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ ঠেকাতে জনসচেতনতা বাড়ানোর কোনো বিকল্প নেই বলে মত দিয়েছেন কয়েকটি জাতীয় দৈনিকের সম্পাদক ও সিনিয়র সাংবাদিকরা। তাঁরা বলেছেন, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন জনসচেতনতা বাড়াতে কার্যকর উদ্যোগ নিতে পারে।

এতে করে একদিকে সন্ত্রাসবাদের প্রতি মানুষের ঘৃণা সৃষ্টি হবে, অপরদিকে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় সহায়তা হবে। গতকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আয়োজিত ‘সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ নিরসনে করণীয়’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন তাঁরা।

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হকের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ও ডেইলি অবজারভারের সম্পাদক ইকবাল সোবহান চৌধুরী, সমকাল সম্পাদক গোলাম সারওয়ার, একাত্তর টিভির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোজাম্মেল বাবু, প্রথম আলোর সহযোগী সম্পাদক আব্দুল কাইয়ুম, লেখক ও গবেষক সৈয়দ অবুল মকসুদ, প্রবীণ সাংবাদিক রাহাত খান, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি শফিকুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলাম চৌধুরী প্রমুখ। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সদস্যরা।

গোলাম সারওয়ার বলেন, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন প্রতিষ্ঠা করে সরকার, প্রতিষ্ঠার পর এটি হয় জনগণের। এই কমিশন কাজ করবে সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষায়। শুধু কথার ফুলঝুরিতে মানবাধিকার কমিশন তার কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখবে না। তারা প্রকৃত অর্থেই জনগণের জন্য কাজ করবে। সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ নিরসন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এর বিরুদ্ধে দেশের জনগণ ঐক্যবদ্ধ হয়েছে, তাই নির্মূল হচ্ছে। জাতীয় মানবাধিকার কমিশন জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে আরো জনসচেতনতা বাড়ানোর উদ্যোগ নিতে পারে।

সৈয়দ আবুল মকসুদ বলেন, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমনে সরকারের অনেক সংস্থা কাজ করছে। তারা সফলভাবে জঙ্গি দমনে কাজ করছে। জঙ্গি দমন মানবাধিকার কমিশনের কাজ নয়। তারা মানবাধিকার রক্ষা ও জঙ্গিবাদ  দমনে প্রচার চালাতে পারে।

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক বলেন, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অনেক ক্ষেত্রে বাংলাদেশের মানবাধিকার নিয়ে অসত্য তথ্য প্রচার করে। তারা সেই সব তথ্য যাচাই-বাছাইয়ের ধার ধারে না। এ বিষয়ে মানবাধিকার কমিশন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর সঙ্গে কথা বলছে। তিনি বলেন, প্রযুক্তির কারণে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলো অনেক ক্ষেত্রে আগেই অনেক কিছু জানতে পারে এবং যাচাই-বাছাই না করেই তা প্রকাশও করে।

মোজাম্মেল বাবু বলেন, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন প্রতিষ্ঠা করে সরকার। কিন্তু এর বেশির ভাগ কাজই হবে সরকারের বিপক্ষে। জঙ্গিবাদ দমনে মানবাধিকার কমিশন তাদের আইনি সীমার মধ্যে কার্যকর উদ্যোগ নেবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।


মন্তব্য